ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বাড়ার আশা ব্যবসায়ীদের
দেশের বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ কমায় ও দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় আবারো ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি (আইপি) প্রদান করেছে সরকার। এতে করে হিলিসহ দেশের সব বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানির পরিমাণ আরো বাড়বে। ফলে আসন্ন রমজানে দাম বাড়বে না বলে আশা ব্যবসায়ীদের।
হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রফতানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশীদ বলেন, বাজারে দেশীয় নতুন মুড়িকাটা পেঁয়াজ আসায় দেশীয় কৃষকের উৎপাদিত পেঁয়াজের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে ডিসেম্বরে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি বন্ধ করে সরকার। এ সময় বাজারে দেশীয় মুড়িকাটা পেঁয়াজের সরবরাহ ভালো থাকায় দামও কমতির দিকে ছিল। যে কারণে দেশের বাজারে আমদানি করা পেঁয়াজের চাহিদা না থাকায় আমদানি কমিয়ে দেন আমদানিকারকরা। মাঘের হঠাৎ বৃষ্টিতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পেঁয়াজের খেত নষ্ট হয়ে উৎপাদন ব্যাহত হয়। এতে বাজারে দেশীয় পেঁয়াজের সরবরাহ কমায় দাম ঊর্ধ্বমুখী হতে থাকে। এতে করে বিপাকে পড়েন নিম্ন আয়ের মানুষ। পেঁয়াজের সরবরাহ ও দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে আগের অনুমতিপত্রের মাধ্যমে আবারো পেঁয়াজ আমদানি বাড়িয়েছেন আমদানিকারকরা। আমদানির এমন ধারা অব্যাহত থাকলে আসন্ন রমজানে দাম বাড়ার আশঙ্কা নেই।
তিনি জানান, সম্প্রতি নতুন করে পেঁয়াজের জন্য অনুমতিপত্র দেয়া শুরু করেছে সরকার। এসব অনুমতিপত্রের মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে ২৯ মার্চ পর্যন্ত। একই সঙ্গে পুরনো যেসব অনুমতিপত্র নেয়া ছিল সেগুলোর মেয়াদও একই সময় পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে করে নির্ধারিত তারিখের পর কী হবে আমরা তা নিয়ে চিন্তায় পড়েছি। যদি মেয়াদ না বাড়ানো হয়, তাহলে বন্দর দিয়ে পেঁয়াজের আমদানি যেমন বন্ধ হয়ে যাবে, তেমনি দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। যেহেতু সামনে রমজান এ সময় পেঁয়াজের বাড়তি চাহিদা থাকে তাই সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ও দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমদানির সময়সীমা বাড়িয়ে দেয়া প্রয়োজন।
হিলি স্থলবন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপসহকারী সংগনিরোধ কর্মকর্তা ইউসুফ আলী বলেন, গত বছরের ২০ ডিসেম্বর ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতিপত্র দেয়া বন্ধ রেখেছিল সরকার। সম্প্রতি দেশের বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ কমায় কৃষি মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতিপত্র দেয়া শুরু হয়েছে।



