down of head

রিং ইউনিট সম্প্রসারণ করবে মোজাফফর হোসেন স্পিনিং

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত মোজাফফর হোসেন স্পিনিং মিলস লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ দ্বিতীয় পর্যায়ে ১০ হাজার ২০০ স্পিন্ডলভিত্তিক রিং স্পিনিং ইউনিট সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি কোম্পানিটির বিদ্যুত্ উত্পাদন সক্ষমতা ২ মেগাওয়াটে উন্নীত করা হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সম্প্রসারণ প্রকল্পে কোম্পানিটির মোট ৯০ কোটি টাকা ব্যয় হবে। এর মধ্যে ৭০ কোটি টাকা ব্যাংকঋণ এবং বাকি অর্থ কোম্পানির রিজার্ভ ও মুনাফা থেকে জোগান দেয়া হবে। রিং ইউনিটের নতুন উত্পাদন লাইনটিতে উচ্চমূল্যের ব্লেন্ডেড সুতা তৈরি করা হবে। সম্প্রসারণ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন শেষে কার্যক্রম শুরু হলে দৈনিক উত্পাদন সক্ষমতা বেড়ে আট টনে দাঁড়াবে। কোম্পানির সার্বিক উত্পাদন প্রক্রিয়ায় সাশ্রয়ী মূল্যে বিদ্যুত্ সরবরাহ করতে ক্যাপটিভ পাওয়ার কাজে লাগানো হবে।

সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২১-২২ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) লোকসান থেকে মুনাফায় ফিরেছে মোজাফফর হোসেন স্পিনিং। এ সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৯৭ পয়সা। যেখানে আগের হিসাব বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৩৯ পয়সা। দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) ইপিএস হয়েছে ৭৩ পয়সা। যেখানে আগের হিসাব বছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ৩ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ১৩ পয়সায়।

৩০ জুন সমাপ্ত ২০২০-২১ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা-পরিচালক বাদে সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে মোজাফফর হোসেন স্পিনিং। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৫২ পয়সা। আগের হিসাব বছরে যেখানে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ১ টাকা ১৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০২১ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৮ টাকা ১৬ পয়সায়। আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ১৪ টাকা ১ পয়সা।

২০১৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ৩০০ কোটি টাকা। পরিশোধিত মূলধন ১০০ কোটি ৯৯ লাখ ৩০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৮২ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১০ কোটি ৯ লাখ ৯৩ হাজার ৩৭৪। এর মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের কাছে ৩৯ দশমিক ৬১ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২১ দশমিক শূন্য ৫, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের হাতে দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৩৯ দশমিক ৩০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

 

সম্পর্কিত খবর