down of head

৫ দিনেও উদ্ধার হয়নি মাদ্রাসাশিক্ষার্থী হিরা

পাঁচ দি‌নেও খোঁজ মেলেনি করোনার টিকা নিতে গিয়ে সাতক্ষীরার শ্যামনগর থেকে নিখোঁজ হওয়া নবম শ্রেণির মাদ্রাসাশিক্ষার্থী হিরা আক্তারের (১৪)। তবে উদ্ধারের নামে পুলিশ পরিচয়ে পরিবারের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে একটি চক্র।

জানা যায়, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সাতক্ষীরার শ্যামনগরের সুশীলন টাইগার পয়েন্ট কেন্দ্রে টিকা নিতে গিয়ে নিখোঁজ হয় হিরা। নিখোঁজ হিরা আক্তার জেলার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের ডুমুরিয়া গ্রামের হযরত আলী মোড়লের মেয়ে ও গাবুরা দারুস সুন্নাহ দাখিল মাদ্রাসার নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

এ ঘটনায় গত ২৪ ফেব্রুয়ারি শ্যামনগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন তার পরিবারের সদস্যরা।

এদিকে, নিখোঁজ হিরা আক্তারকে নিয়ে যখন তার পরিবার উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার মধ্যদিয়ে দিন কাটাচ্ছে, তখন বিষয়টিকে নিয়ে সক্রিয় হয়ে উঠেছে একটি প্রতারক চক্র। ইতোমধ্যে প্রতারণার মাধ্যমে হিরার পরিবারের কাছ থেকে চক্রটি অর্থও হাতিয়ে নিয়েছে বলে জানা গেছে।

এ ব্যাপারে নিখোঁজ হিরার পরিবারের সদস্যরা বলেন, নিখোঁজ হওয়ার একদিন পরে ০১৬১২৯৯১৭৯৭ নম্বর থেকে হিরা আক্তারের খালার কাছে ফোন দিয়ে অপর প্রান্ত থেকে বলা হয়, ‘তোমাদের মেয়ের খোঁজ নিতে হলে আমাকে ইমোতে অ্যাড করে ভিডিও কলে কথা বলো।

এ ছাড়া গত শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকালে ০১৭১৪৮৭৯৫৪২ নম্বর থেকে স্থানীয় ইউপি সদস্য আবিয়ার রহমানের কাছে ফোন করে কুষ্টিয়া থানার পরিচয় দিয়ে বলা হয়, ‘আমাদের কাছে আপনার মেয়ে আছে। ০১৩০৯০১০৫১২ নম্বরে বিকাশ করে কিছু খরচের টাকা পাঠান। আর এসে আপনার মেয়ে নিয়ে যান।

এরপর ওই মোবাইল নম্বরে ২ হাজার ৫০০ টাকা পাঠানোর আধা ঘণ্টা পর থেকে নম্বরগুলো বন্ধ পাওয়া যায়।

এ ব্যাপারে শ্যামনগর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সানওয়ার হুসাইন মাসুম জানান, “প্রতারক চক্রের বিষয়টি তার জানা নেই। তবে পুলিশ বিষয়টা খতিয়ে দেখছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিখোঁজ হিরা আক্তারকে খুঁজে বের করা হবে।”

 

সম্পর্কিত খবর