বিজিবি সদস্য নিহতের ঘটনায় জাতিসংঘের তদন্ত চায় বিএনপি
যশোরের শার্শা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্য নিহত হওয়ার ঘটনা জাতিসংঘের মাধ্যমে তদন্তের দাবি জানিয়েছে বিএনপি। দলের স্থায়ী কমিটি বলেছে, সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশিদের হত্যা বাড়ছে। দিল্লির উগ্রতা আর ঢাকার নীরবতা এসব হত্যাকাণ্ডে আশকারা দিচ্ছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে এই দাবি জানানো হয়েছে বলে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটি বলেছে, ‘সীমান্তে এই হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের মানুষকে নতজানু রাখার একটি আধিপত্যবাদী বার্তা। বিএসএফ বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকাকে রক্তক্ষয়ী খেলায় পরিণত করেছে। এত দিন সাধারণ বাংলাদেশি নিহত হয়েছে। এখন বিজিবিরও নিরাপত্তা নেই।’
২২ জানুয়ারি যশোরের শার্শা উপজেলার ধান্যখোলা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বিজিবির সিপাহি মোহাম্মদ রইশুদ্দীন নিহত হন।
বিএনপির নীতিনির্ধারণী ফোরাম মনে করে, একটি দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে আরেকটি স্বাধীন দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী হত্যা কোনো সাধারণ ঘটনা নয়। এর সঙ্গে রাষ্ট্রের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন জড়িত। দলটি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, ‘ক্ষমতাসীনদের নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কারণে বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্র বানানো হয়েছে।’
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিএনপি বলেছে, ‘ভারত একটি গণতান্ত্রিক দেশ হলেও তাদের নীতিনির্ধারকদের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের গভীরতা অর্জিত হয়নি। সে জন্যই বাংলাদেশ সীমান্তে বেআইনি হত্যাকাণ্ডে তারা কোনো দায় বোধ করে না। ফেলানীসহ সীমান্তে হত্যার ঘটনায় ভারতীয় কর্তৃপক্ষ কোনো বিচার বা প্রতিকার করেনি।’



