শিরোনাম
সূচক বাড়ল, লেনদেন ৫৩৩ কোটি টাকাডলার পতনে বেড়েছে স্বর্ণের দামব্রাজিল ছয়ে, পর্তুগাল উঠল পাঁচে২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা, চড়া ইলিশের দামবৈদেশিক ঋণের টাকা এফসি হিসাবে রাখার সুযোগসেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮ দশমিক ৩৪ শতাংশডেঙ্গুতে ৮ মৃত্যু, ভর্তি ১,৮৬০দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের ছুটি, প্রজ্ঞাপন জারিইন্দোনেশিয়ায় রপ্তানি বাড়াতে চায় বাংলাদেশবিডি ল্যাম্পসের বোর্ড সভা ১৪ অক্টোবরসূচকের উত্থানে চলছে লেনদেনওয়াইম্যাক্স ইলেকট্রোডের বোর্ড সভা ১৫ অক্টোবরকোটি টাকা ইস্যুতে আসলামের নিয়োগ বাতিল!বীমা দাবির চেক দিয়েছে এনআরবি লাইফডিজিটাল প্রতারণা শনাক্তে এআই ব্যবহারের ওপর জোর ডিএসই চেয়ারম্যানের
down of head

রফতানিমুখী শিল্পের জন্য একই নীতিমালার দাবি ইএবির

ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যকার যুদ্ধাবস্থা এবং ডলারের মূল্যবৃদ্ধির কারণে সার্বিকভাবে সব আমদানি-রফতানি পণ্যের ওপর ৩০ শতাংশেরও অধিক মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে। ফলে দেশীয় রফতানি খাত বর্তমানে এক নাজুক পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে। এ অবস্থার উত্তরণে সব রফতানিমুখী শিল্পের জন্য একই নীতিমালা প্রণয়ন করার দাবি জানায় এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইএবি)। আসন্ন বাজেট নিয়ে নিজেদের কিছু দাবিও জানিয়েছে সংগঠনটি। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব দাবি জানানো হয়।

ইএবির দাবির মধ্যে রয়েছে রফতানিমুখী সব শিল্পের জন্য রফতানির বিপরীতে প্রযোজ্য উৎসেকর দশমিক ৫০ শতাংশ চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করে এবং আগামী পাঁচ বছরের জন্য বলবৎ রাখা। রফতানিকারকদের এক্সপোর্টস রিটেনশন কোটা (ইআরকিউ) ফান্ড থেকে রফতানি উন্নয়নের জন্য কোনো ব্যয়ের বিপরীতে আয়কর কর্তন রহিতকরণ। রফতানির বিপরীতে প্রদত্ত নগদ সহায়তার ওপরে আয়কর কর্তনের হার শূন্য শতাংশ নির্ধারণ করা। ইন্ডাস্ট্রিয়াল থার্মোস্ট্যাট ডি-হিউমিডিফায়ার যন্ত্রটি শুল্কমুক্ত/রেয়াতি হারে আমদানির অনুমোদন।

প্রয়োজন অনুযায়ী অগ্নিনির্বাপণ উপকরণ একাধিকবার রেয়াতি হারে আমদানির অনুমোদন ও অগ্নিনির্বাপণ উপকরণ আমদানি শুল্কমুক্ত রাখা। প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ আমদানির ক্ষেত্রে মূল যন্ত্রপাতি আমদানির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য রেয়াতি হার অনুমোদন। রফতানিমুখী শিল্পের জন্য রফতানি সংশ্লিষ্ট স্থানীয়ভাবে সংগৃহীত পণ্য ও সেবার ভ্যাট মওকুফ করা ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেকিং সিস্টেমের আমদানি শুল্ক শূন্য শতাংশ করা।

বস্ত্র খাত, নিট ও টেরিটাওয়েল খাত, চামড়া ও পাদুকাশিল্প, সাইকেল, মৎস্য, ফ্রোজেন ফুড, রফতানির জন্য করপোরেট ট্যাক্স হার ১২ শতাংশ এবং গ্রিন কারখানার জন্য ১০ শতাংশ আগামী পাঁচ বছর বহাল রাখা। ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্লান্টে (ইটিপি) ব্যবহূত আমদানিকৃত রাসায়নিকের শুল্ক ও মূসক শূন্য শতাংশ করা।

মাংস প্রক্রিয়াজাত এবং রফতানি প্রসারের জন্য কিছু সুপারিশ তুলে ধরে ইএবি। এগুলো হলো ব্লাস্ট ফ্রিজার, হোল্ডিং ফ্রিজার, চিলার, ফ্লেক আইস মেশিন ও বিপণন পর্যায়ে আছে ফ্রিজার, চিলার ভ্যান, দোকানের ওয়াক ইন চিলার/ফ্রিজার রুম এবং দোকানের ডিসপেল চিলার/ ফ্রিজারকে মূলধনি যন্ত্রপাতি বিবেচনায় মাংস প্রক্রিয়াকরণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে এইচএস কোড অধিকতর স্বচ্ছতা এবং শিল্প শুল্কায়নের জন্য নির্দিষ্ট ব্যবস্থায় আমদানি অনুমোদন করা প্রয়োজন।

মাংস প্রক্রিয়াজাত শিল্পে ভ্যালু এডিশনকে উৎসাহিত করার জন্য ফার্দার প্রসেসড মিটের ওপর ভ্যাট অব্যাহতি প্রদান। এছাড়া বিশেষায়িত সিজনিং, ভ্যাকুয়াম প্যাকেজিং উপকরণ, ফোম ট্রে, সসেজ কেসিং, স্পেয়ার পার্টস এবং রেফ্রিজারেশন ইকুইপমেন্টের স্পেয়ার পার্টসের ওপর সব আমদানি শুল্ক অব্যাহতি প্রদান। পাশাপাশি এ শিল্পকে আগামী ২০ বছরের জন্য কর অবকাশ সুবিধা প্রদান ও এআইটি অব্যাহতি প্রদান। এছাড়াও বিশেষ কর অব্যাহতি সুবিধাপ্রাপ্ত আমদানীকৃত মহিষের মাংসের কর অব্যাহতি রহিত করা প্রয়োজন।

সম্পর্কিত খবর