down of head

রুশ লোহা ও ইস্পাত পণ্যে নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব ইইউর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও জি৭ভুক্ত দেশগুলো লোহা এবং ইস্পাত খাতে ব্যবহূত পণ্য আমদানিতে রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তাব করেছে। ইউক্রেনে রুশ সামরিক অভিযানের লাগাম টানতে চতুর্থ দফা নিষেধাজ্ঞার আওতায় এমনটা করা হবে। যাতে যুদ্ধের খরচ মেটানোর জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ জোগাড় করতে ব্যাহত হয় রাশিয়া সরকার। সম্প্রতি ইউরোপীয় ইউনিয়ন কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার এ কথা বলেন। খবর এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল প্ল্যাটস।

ইইউ কমিশন প্রেসিডেন্ট বলেন, এ নিষেধাজ্ঞা রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যবস্থায় আঘাত হানবে। এর ফলে দেশটির রফতানি রাজস্ব আয়ে একটি বড় ধরনের ধস নামবে এবং আমাদের নাগরিকরা ভ্লাদিমির পুতিন পরিচালিত এ যুদ্ধে কোনো ধরনের আর্থিক অংশগ্রহণ করছে না এমনটা নিশ্চিত করবে।

ঠিক কী ধরনের পণ্য আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়া হবে এ ব্যাপারে বিস্তারিত কোনো কিছু নিশ্চিত করেনি ইউরোপীয় কমিশন। জি৭ভুক্ত দেশগুলোর একটি পৃথক বিবৃতিতে রাশিয়া থেকে ধাতবপণ্য আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা নিয়ে কোনো কিছু নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি। তবে জি৭-এর দেশগুলো জানায়, তারা রাশিয়া থেকে যেকোনো ধরনের প্রযুক্তিসম্পর্কিত পণ্য আমদানি ও দেশটিতে রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে প্রস্তুত। রাশিয়ার রাজস্ব আয় কমিয়ে আনতে এমনটা করা হবে বলে জানায় জি৭-এর দেশগুলো।

ইউরোপিয়ান স্টিল অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য মতে, ২০২০ সালে রাশিয়া থেকে ৩২ লাখ টন ফিনিশড স্টিল পণ্য আমদানি করেছে ইইউভুক্ত দেশগুলো। ২০২১ সালে এর পরিমাণ আনুমানিক ৩৭ লাখ টন। তুরস্কের পর ইউরোপে ইস্পাত পণ্য রফতানিতে রাশিয়ার অবস্থান দ্বিতীয়।

এরই মধ্যে রুশ মাইনিং ও ইস্পাত কোম্পানি সেভারস্টাল মার্চের শুরুর দিকে ইউরোপে তাদের পণ্যের চালান আটকে দেয়। ইইউ কর্তৃক কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডার ও বোর্ড চেয়ারম্যান অ্যালেক্সি মোর্দাশভের ওপর নিষেধাজ্ঞার কারণে এমনটা করে সেভারস্টাল। কোম্পানিটি ২০২১ সালে ইউরোপে প্রায় ৩ লাখ টন ইস্পাত বিক্রি করেছিল, যা সেভারস্টালের মোট রফতানির ৫৭ শতাংশ ও মোট ইস্পাত পণ্য বিক্রির ২৭ শতাংশ।

সম্পর্কিত খবর