down of head

মালেক স্পিনিংয়ের সাবসিডিয়ারির আরএমজি ইউনিট বন্ধের সিদ্ধান্ত

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানি মালেক স্পিনিং মিলস লিমিটেডের সাবসিডিয়ারি সালেক টেক্সটাইল লিমিটেডের আরএমজি ইউনিট বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ইউনিটটি বন্ধ করা-সংক্রান্ত সালেক টেক্সটাইলের প্রস্তাব এরই মধ্যে অনুমোদন করেছে মালেক স্পিনিংয়ের পরিচালনা পর্ষদ। আগামী ৩১ ডিসেম্বর থেকে ইউনিটটির উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ করা হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাধ্যমে গতকাল এ তথ্য জানিয়েছে কোম্পানিটি।

ইউনিটটি বন্ধের কারণ হিসেবে মালেক স্পিনিং বলছে, সালেক টেক্সটাইলের আরএমজি ইউনিট কারখানার ভবনটি লিজ নিয়ে এতদিন উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করছিল তারা। এরই মধ্যে লিজ চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়েছে। পাশাপাশি ইউনিটটির পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ বেড়েছে।

সালেক টেক্সটাইলে ৯৭ দশমিক ৯৩ শতাংশ শেয়ার রয়েছে মালেক স্পিনিংয়ের। তবে ইউনিটটি বন্ধ হলেও এর কোনো দায় কোম্পানিটিকে বহন করতে হবে না। এমনকি এটি বন্ধের জন্য কোনো তহবিল সরবরাহের প্রয়োজনও পড়বে না মালেক স্পিনিংয়ের। ইউনিটটির ফ্যাক্টরি প্লান্ট, মেশিনারি ও অন্যান্য কিছু বিক্রি করে এ দায় মেটানো হবে। বাকি অর্থ সালেক টেক্সটাইল থেকে ধার হিসেবে নেয়া হবে।

২০০৯ সালের এপ্রিল থেকে উৎপাদনে আসে সালেক টেক্সটাইল লিমিটেড। কোম্পানিটির তিনটি ইউনিট রয়েছে—ফ্যাব্রিকস, ইয়ার্ন ও আরএমজি। এর মধ্যে আরএমজি ইউনিটটির বার্ষিক উৎপাদন সক্ষমতা ৬৬ লাখ পিস। ২০২০-২১ হিসাব বছরে কোম্পানিটির বিক্রি হয়েছে ৪৫৬ কোটি ৬০ লাখ টাকার। যেখানে আগের হিসাব বছরে বিক্রি ছিল ৩৮৭ কোটি ৮৮ লাখ ৫০ হাজার টাকার। এর মধ্যে আরএমজি ইউনিটের বিক্রি ছিল ১৯৮ কোটি ৫৬ লাখ টাকার মতো। যেখানে আগের হিসাব বছরে এ ইউনিটের বিক্রি ছিল ১৮৭ কোটি ৫২ লাখ টাকার বেশি। আলোচ্য হিসাব বছরে আরএমজি ইউনিটটির পরিচালন লোকসান হয়েছে ৩ কোটি ৮২ লাখ টাকার বেশি। কর-পরবর্তী নিট লোকসান হয়েছে ২ কোটি ৪৪ লাখ টাকার বেশি। ২০২০-২১ হিসাব বছরে শেষে সালেক টেক্সটাইলের মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ৮৬৪ কোটি টাকায়।

সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২১-২২ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) মালেক স্পিনিংয়ের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৮৭ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৪৩ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪৭ টাকা ১৩ পয়সা।

 

সম্পর্কিত খবর