শিরোনাম
সূচক বাড়ল, লেনদেন ৫৩৩ কোটি টাকাডলার পতনে বেড়েছে স্বর্ণের দামব্রাজিল ছয়ে, পর্তুগাল উঠল পাঁচে২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা, চড়া ইলিশের দামবৈদেশিক ঋণের টাকা এফসি হিসাবে রাখার সুযোগসেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮ দশমিক ৩৪ শতাংশডেঙ্গুতে ৮ মৃত্যু, ভর্তি ১,৮৬০দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের ছুটি, প্রজ্ঞাপন জারিইন্দোনেশিয়ায় রপ্তানি বাড়াতে চায় বাংলাদেশবিডি ল্যাম্পসের বোর্ড সভা ১৪ অক্টোবরসূচকের উত্থানে চলছে লেনদেনওয়াইম্যাক্স ইলেকট্রোডের বোর্ড সভা ১৫ অক্টোবরকোটি টাকা ইস্যুতে আসলামের নিয়োগ বাতিল!বীমা দাবির চেক দিয়েছে এনআরবি লাইফডিজিটাল প্রতারণা শনাক্তে এআই ব্যবহারের ওপর জোর ডিএসই চেয়ারম্যানের
down of head

এমকেবিকে স্বর্ণ রফতানির লাইসেন্স দিল রাশিয়া

ক্রেডিট ব্যাংক অব মস্কো (এমকেবি) রাশিয়ার সবচেয়ে বড় বেসরকারি ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান। রুশ সরকার প্রতিষ্ঠানটিকে স্বর্ণ রফতানির লাইসেন্স দিয়েছে। সম্প্রতি এমকেবি এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। পশ্চিমা দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞার প্রভাব নিরসনে এখন থেকে ব্যাংকটির মাধ্যমে মূল্যবান ধাতুটির বাণিজ্য পরিচালনা করা হবে।

রাশিয়ান স্বর্ণ বাজারের সবচেয়ে বড় অপারেটর ও বৃহৎ ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান সেবারব্যাংক ও ভিটিবি। মস্কোর ওপর পশ্চিমা দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞায় বড় প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়েছে প্রতিষ্ঠান দুুটি।

২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া প্রতিবেশী দেশ ইউক্রেনে স্থল, জল ও আকাশপথে একযোগে হামলা চালায়। এতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে পশ্চিমা দেশগুলো। রাশিয়ার অর্থ ব্যবস্থার ওপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে এসব দেশ।

এক বিবৃতিতে এমকেবি জানায়, প্রতিষ্ঠানটি নিবেদিতভাবে মূল্যবান ধাতুটির বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনায় মনোনিবেশ করেছে। তথ্য বলছে, ক্রেডিট ব্যাংক অব মস্কোও মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়েছে। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটির দাবি, নিষেধাজ্ঞা তাদের কার্যক্রমে কোনো রকম বাধা সৃষ্টি করতে পারেনি।

প্রতিষ্ঠানটি বলছে, আমরা পুঁজিবাজারের প্রবণতা মেনে চলছি। এছাড়া স্বর্ণের বাণিজ্যসহ আমাদের অন্যান্য বাণিজ্য উন্নয়নের সম্ভাবনা পর্যালোচনা করেই এগোচ্ছি।

রাশিয়ার অর্থ মন্ত্রণালয়ের দেয়া তথ্যানুযায়ী, অস্ট্রেলিয়া ও চীনের পাশাপাশি বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ স্বর্ণ উৎপাদক দেশ রাশিয়া। গত বছরে দেশটির সবগুলো খনি থেকে ৩১৪ টন স্বর্ণ উত্তোলন করা হয়েছে। এক বছরের ব্যবধানে উত্তোলন বেড়েছে ১ দশমিক ৭ শতাংশ।

পশ্চিমা দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞার পর স্থানীয় বাজারে স্বর্ণের চাহিদায় অস্থিতিশীলতা দেখা দিয়েছে। ফলে দেশটির খনি মালিক ও ব্যাংকগুলো মূল্যবান ধাতুটি রফতানিতে ক্রেতা খুঁজছে।

স্থানীয় বাজারে স্বর্ণের প্রধান ক্রেতা ছিল রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে প্রতিষ্ঠানটি গত বছরগুলোয় স্বর্ণ কিনেছে। কিন্তু ২৪ ফেব্রুয়ারির পর বেশ কয়েকবার স্বর্ণ ক্রয়ের ক্ষেত্রে নীতিতে পরিবর্তন এনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর মধ্যে একবার স্বল্প সময়ের জন্য স্বর্ণ কেনা বন্ধও রেখেছিল ব্যাংকটি।

সম্পর্কিত খবর