শিরোনাম
সূচক বাড়ল, লেনদেন ৫৩৩ কোটি টাকাডলার পতনে বেড়েছে স্বর্ণের দামব্রাজিল ছয়ে, পর্তুগাল উঠল পাঁচে২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা, চড়া ইলিশের দামবৈদেশিক ঋণের টাকা এফসি হিসাবে রাখার সুযোগসেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮ দশমিক ৩৪ শতাংশডেঙ্গুতে ৮ মৃত্যু, ভর্তি ১,৮৬০দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের ছুটি, প্রজ্ঞাপন জারিইন্দোনেশিয়ায় রপ্তানি বাড়াতে চায় বাংলাদেশবিডি ল্যাম্পসের বোর্ড সভা ১৪ অক্টোবরসূচকের উত্থানে চলছে লেনদেনওয়াইম্যাক্স ইলেকট্রোডের বোর্ড সভা ১৫ অক্টোবরকোটি টাকা ইস্যুতে আসলামের নিয়োগ বাতিল!বীমা দাবির চেক দিয়েছে এনআরবি লাইফডিজিটাল প্রতারণা শনাক্তে এআই ব্যবহারের ওপর জোর ডিএসই চেয়ারম্যানের
down of head

অগ্রণী ব্যাংকের ৯১ গ্রাহকের ৮ কোটি টাকা আত্মসাৎ, ৫ কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

অতিরিক্ত সুদে ভুয়া এফডিআর ও চেক জালিয়াতির মাধ্যমে ৯১ গ্রাহকের সোয়া ৮ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর অগ্রণী ব্যাংক শাখা সংশ্লিষ্ট ৫ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুদকের সহকারী পরিচালক মাহাথীর মোহাম্মদ সামী ও উপসহকারী পরিচালক মো. রবিউল ইসলামসহ সংস্থাটির একটি দল ওই শাখায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করে। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন— সাময়িক বরখাস্ত হওয়া ক্যাশ অফিসার মো. জিন্নাহ হোসেন, সাবেক ব্যবস্থাপক ও সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার রেজাউল হক, সাবেক ব্যবস্থাপক ও প্রিন্সিপাল অফিসার মো. শরীফ উদ্দীন, নিরাপত্তাকর্মী রঞ্জু আহমেদ এবং সাময়িক বরখাস্ত হওয়া নিরাপত্তাকর্মী আব্দুল হাই। তাদের শোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়েছে।

দুদকের অনুসন্ধানে এখন পর্যন্ত ৯১ জন ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকের বক্তব্য গ্রহণ করে ৮ কোটি ১৯ লাখ ৮০ হাজার ৮২৬ টাকা আত্মসাতের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকের সংখ্যা ২০০ জনের বেশি হতে পারে বলে ধারণা করছে অনুসন্ধান দল।

দুদক জানায়, গ্রাহকদের বেশি সুদ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ভুয়া এফডিআর তৈরি করা হতো। পাশাপাশি চেক জালিয়াতি, ভুয়া জমা স্লিপ তৈরি এবং ব্যাংক হিসাবের তথ্য পরিবর্তনের মাধ্যমে গ্রাহকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ পর্যন্ত ১৯ জন ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকের বক্তব্য ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই করে ৮ কোটি ১৯ লাখ ৮০ হাজার ৮২৬ টাকা আত্মসাতের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। তবে অনুসন্ধানে আরও গ্রাহক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। এ সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করছে দুদক।

অভিযোগের বিষয়ে আরও তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ এবং ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকের সংখ্যা ও আত্মসাতের অর্থের পরিমাণ নির্ধারণে অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় দ্রুত এফআইআর দায়ের করা হবে বলেও দুদক সূত্রে জানা গেছে।

সম্পর্কিত খবর