শিরোনাম
icon ৬০ দিনের মধ্যে মিলবে স্টার্টআপ কোম্পানির নিবন্ধন icon হামে আরও এক শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১,০৮৪ icon ডেঙ্গুতে হাসপাতালে আরও ১,৬৩৩ জন icon ৪৫ কোটি ডলারের ঋণ পাচ্ছে বাংলাদেশ icon যমুনা ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান মাহমুদুল হক icon ডিএসইতে ব্যাংক খাতের দাপট, দর বেড়েছে ১৫ কোম্পানির icon ইউরোপে নতুন শুল্ক, চাপে চীনা ই-কমার্স icon মজুরি বোর্ড গঠনের ঘোষণা, আন্দোলন নয় icon বাজার মূলধন কমেছে ৭ হাজার কোটি টাকা icon ঢাকায় বাস রুটে বড় পরিবর্তন icon মালয়েশিয়াগামীদের মেডিকেল ফি ৮ হাজার icon ২০৩০ পর্যন্ত কর অব্যাহতি চায় ডিবিএ icon কোন বোর্ডে পাসের হার কত? icon সোনার দামে বড় পতন icon এইচএসসিতে পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ icon কৃষিঋণ মওকুফে চাঙা গ্রামীণ অর্থনীতি icon এইচএসসির ফল প্রকাশ আজ, জানবেন যেভাবে icon সংঘাত দীর্ঘ হলে বাড়বে মূল্যস্ফীতি icon কমলা শাড়িতে মোহনীয় পরীমনি icon ডেঙ্গুতে মৃত্যু ৩, হাসপাতালে ভর্তি ১,২৬২ icon বাংলাদেশ-জাপান সহযোগিতা বাড়ানোর আলোচনা icon পাবনায় বজ্রপাতে ৬ জনের মৃত্যু icon রূপপুরে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু icon কমলো সোনার দাম icon এলডিসি উত্তরণে সময় বাড়ল ৩ বছর
down of head

৪৫ কোটি ডলারের ঋণ পাচ্ছে বাংলাদেশ

ব্যাংকিং খাত পুনর্গঠন ও আর্থিক খাতের নিরাপত্তা বলয় তৈরিতে বাংলাদেশকে সহজ শর্তে ৪৫ কোটি ডলার ঋণ দিতে যাচ্ছে বিশ্বব্যাংক গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (আইডিএ)।

‘ফাইন্যান্সিয়াল সেক্টর সাপোর্ট-২’ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশকে এই ঋণ দিচ্ছে সংস্থাটি। প্রতি ডলার ১২৪ টাকা ধরে বাংলাদেশি মুদ্রায় এই ঋণের পরিমাণ পাঁচ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা।

এই ঋণের জন্য ইতোমধ্যে একটি অর্থায়ন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং বাংলাদেশ ও ভুটানের জন্য বিশ্বব্যাংকের ডিভিশন ডিরেক্টর জাঁ পেসমে চুক্তিতে সই করেছেন।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

দেশের ব্যাংকিং খাত পুনর্গঠন ও আর্থিক খাতের নিরাপত্তা বলয় তৈরি সংক্রান্ত এই প্রকল্পটি ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ২০৩১ সালের ৩০ জুনের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হবে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অধীনে বাংলাদেশ ব্যাংক তা বাস্তবায়ন করবে।

প্রকল্পটি দেশের আর্থিক খাতের নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি, তদারকি সক্ষমতা ও ব্যাংকিং খাতের পুনর্গঠনে সহায়তা করবে। বাংলাদেশের ব্যাংকিং ও আর্থিক খাত ঢেলে সাজাতেই এ ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে তা বাংলাদেশের আর্থিক খাতের সুরক্ষা জোরদার, প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং শক্তিশালী ও ব্যাংকিং খাত সংস্কার কার্যক্রমের সহায়ক হবে।

প্রকল্পের মূল কার্যক্রমের মধ্যে আছে আইসিটি অবকাঠামো উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে তদারকি ক্ষমতা এবং আইসিটি কাঠামো শক্তিশালীকরণ, আইসিটি অবকাঠামো শক্তিশালীকরণে ক্রয় সক্ষমতা উন্নয়নে উদ্যোগ নেওয়া, পারফরম্যান্সভিত্তিক শর্তাদির (পিবিসি) মাধ্যমে আর্থিক খাতের সুরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ ও ব্যাংকিং খাতের সংস্কার কার্যক্রমে সহায়তা দেওয়া।

এছাড়া, ডিপোজিট ইন্স্যুরেন্স কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, পেমেন্ট সময়কাল কমানোসহ ব্যাংক রেজল্যুশন ও ব্যাংক পুনর্গঠনের কার্যকর বাস্তবায়ন করা হবে। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের শাসনব্যবস্থা এবং আর্থিক স্থিতিশীলতার উন্নতি করা হবে। সেইসঙ্গে ডিআইটিএফের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধিসহ আর্থিক স্থিতিশীলতার উন্নতি প্রকল্পটির অন্যতম উদ্দেশ্য।

ঋণের শর্তাবলী

উত্তোলিত ঋণের ওপর বার্ষিক দেড় শতাংশ সুদ দিতে হবে। আর অনুত্তোলিত ঋণের ওপর সর্বোচ্চ ০ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত কমিটমেন্ট ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। পাঁচ বছরের রেয়াতকালসহ মোট ২৫ বছরে ঋণ পরিশোধ করতে হবে।

বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বহুপক্ষীয় উন্নয়ন সহযোগী। এই অর্থায়ন বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যকার গভীর সহযোগিতার প্রতিফলন। বর্তমানে অর্থনৈতিক ও সামাজিক খাতের উন্নয়ন, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং জ্বালানি খাতের অগ্রগতিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন কার্যকর রয়েছে।

সম্পর্কিত খবর