শিরোনাম
icon ৬০ দিনের মধ্যে মিলবে স্টার্টআপ কোম্পানির নিবন্ধন icon হামে আরও এক শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১,০৮৪ icon ডেঙ্গুতে হাসপাতালে আরও ১,৬৩৩ জন icon ৪৫ কোটি ডলারের ঋণ পাচ্ছে বাংলাদেশ icon যমুনা ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান মাহমুদুল হক icon ডিএসইতে ব্যাংক খাতের দাপট, দর বেড়েছে ১৫ কোম্পানির icon ইউরোপে নতুন শুল্ক, চাপে চীনা ই-কমার্স icon মজুরি বোর্ড গঠনের ঘোষণা, আন্দোলন নয় icon বাজার মূলধন কমেছে ৭ হাজার কোটি টাকা icon ঢাকায় বাস রুটে বড় পরিবর্তন icon মালয়েশিয়াগামীদের মেডিকেল ফি ৮ হাজার icon ২০৩০ পর্যন্ত কর অব্যাহতি চায় ডিবিএ icon কোন বোর্ডে পাসের হার কত? icon সোনার দামে বড় পতন icon এইচএসসিতে পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ icon কৃষিঋণ মওকুফে চাঙা গ্রামীণ অর্থনীতি icon এইচএসসির ফল প্রকাশ আজ, জানবেন যেভাবে icon সংঘাত দীর্ঘ হলে বাড়বে মূল্যস্ফীতি icon কমলা শাড়িতে মোহনীয় পরীমনি icon ডেঙ্গুতে মৃত্যু ৩, হাসপাতালে ভর্তি ১,২৬২ icon বাংলাদেশ-জাপান সহযোগিতা বাড়ানোর আলোচনা icon পাবনায় বজ্রপাতে ৬ জনের মৃত্যু icon রূপপুরে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু icon কমলো সোনার দাম icon এলডিসি উত্তরণে সময় বাড়ল ৩ বছর
down of head

হামে আরও এক শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১,০৮৪

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ৮৪ শিশু। শনিবার (৩১ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট এক হাজার ১৪৭ শিশুর। আর নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ১০৫ শিশু প্রাণ হারিয়েছে।

অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট এক হাজার ২৫২ শিশু মারা গেছে।

এছাড়া ২৪ ঘণ্টায় ৯৭ শিশু নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯৮৭। এই সময়ে ৮৮৯ শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৬৮৯ শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দুই লাখ ২৮ হাজার ৬৬০, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২৩ হাজার ৮৬৭। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট দুই লাখ তিন হাজার ৫২৮ রোগী, যাদের মধ্যে এক লাখ ৯৫ হাজার ৮৮ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।

সম্পর্কিত খবর