শিরোনাম
বীমা দাবির চেক দিয়েছে এনআরবি লাইফডিজিটাল প্রতারণা শনাক্তে এআই ব্যবহারের ওপর জোর ডিএসই চেয়ারম্যানেরডেঙ্গুতে আরও ১০ মৃত্যু, ভর্তি ১,৯৯৬২৬ অক্টোবর জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীপতনে শেষ ডিএসইর লেনদেনপ্রবৃদ্ধি ৩.৪ শতাংশে নামার পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংকেরএশিয়ার বড় বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ছেনির্ধারিত দামে এলপিজি না মিললে ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাশিশুদের প্রতিভা বিকাশে সুযোগ দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রীমৌসুমি বায়ুর বিদায়, সাগরে লঘুচাপের আভাসডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৪৭ওয়াহাজের সঙ্গে ফারিয়ার নজরকাড়া সাজশাহজালালে ৬৩১ কার্টন সিগারেট জব্দরপ্তানি স্বাভাবিক, কমল তেলের দামস্টক এক্সচেঞ্জে সরাসরি কোম্পানি তালিকাভুক্তির বিধিনিষেধ প্রত্যাহার
down of head

নন-লাইফ বীমায় ৭০% দাবি পরিশোধের নির্দেশ আইডিআরএ’র

নন-লাইফ বীমা খাতে গ্রাহকদের দাবি দ্রুত নিষ্পত্তিতে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)। কম দাবি পরিশোধ করা প্রতিষ্ঠানগুলোকে মোট উত্থাপিত দাবির কমপক্ষে ৭০ শতাংশ পরিশোধ করতে বলা হয়েছে।

একই সঙ্গে ৯০ দিনের বেশি সময় ধরে ঝুলে থাকা পুরোনো বকেয়া দাবিগুলো আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

আইডিআরএ’র সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৪৬টি নন-লাইফ বীমা কোম্পানির মধ্যে অন্তত ৩৪টির দাবি নিষ্পত্তির হার ৭৫ শতাংশের নিচে। আগের বকেয়া দাবির পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ৫৪ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। এর সঙ্গে নতুন করে ১ হাজার ৬২৮ কোটি ৯০ লাখ টাকার দাবি যুক্ত হয়ে মোট দাবি দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৬৭৮ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। বিপরীতে পরিশোধ হয়েছে ১ হাজার ১৬৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা, যা মোট দাবির মাত্র ২৫ শতাংশ।

রাষ্ট্রায়ত্ত সাধারণ বীমা করপোরেশনের ২ হাজার ৪৮৬ কোটি ৪৬ লাখ টাকার দাবির বিপরীতে পরিশোধ হয়েছে ২৯৯ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। প্রতিষ্ঠানটির দাবি নিষ্পত্তির হার ১২ দশমিক ০৬ শতাংশ। গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্সের ৪১১ কোটি ২ লাখ টাকার দাবির বিপরীতে পরিশোধ হয়েছে ৮১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা, নিষ্পত্তির হার ১৯ দশমিক ৮২ শতাংশ।

এ ছাড়া প্রগতি ইন্স্যুরেন্সের দাবি নিষ্পত্তির হার ৩৪ দশমিক ৪৭ শতাংশ এবং রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্সের ২৯ দশমিক ৮৮ শতাংশ।

আইডিআরএ জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দেশনা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে বীমা আইন, ২০১০ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ধারাবাহিকভাবে নির্দেশনা লঙ্ঘন করলে শাস্তির মাত্রা আরও বাড়ানো হবে।

তবে বীমা খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পুনর্বীমা প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন, সার্ভে রিপোর্ট ও ক্ষয়ক্ষতির প্রয়োজনীয় নথিপত্র পেতে সময় লাগায় অনেক ক্ষেত্রে দাবি নিষ্পত্তিতে বিলম্ব হয়। এছাড়া ঝুঁকির ধরন, আংশিক ক্ষতি এবং আপিল-রি-আপিল প্রক্রিয়াও দাবি পরিশোধে সময়ক্ষেপণের কারণ হতে পারে।

সম্পর্কিত খবর