চরফ্যাশনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে দেশজুড়ে বিভিন্ন মসজিদ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ও সামাজিক-রাজনৈতিক সংগঠনের উদ্যোগে খতমে কোরআন, বিশেষ দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

এসব অনুষ্ঠানে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং আহত যোদ্ধাদের দ্রুত সুস্থতার এবং দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

তারই ধারাবাহিকতায় চরফ্যাশন উপজেলা পরিষদের আয়োজনে আজ বুধবার (৫ আগষ্ট)দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। চরফ্যাশন উপজেলা প্রশাসন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয় এবং তাঁদের আত্মত্যাগ স্মরণ করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে চরফ্যাশন উপজেলা নিবাহীর্কমর্কতা রোমানা আফরোজ সভাপতিত্ব করেন ।

আলোচনা সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এমাদুল হোসেন,বিএনপি নেতা কয়সার আলম কমল, উপজেলা সিনিযর মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাজমুল হাসান, মাওলানা মোঃ আব্বাছ উদ্দিন সেক্রেটারি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ভোলা জেলা দক্ষিণ।

এ সময় অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ব্যক্তি দের সজন ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও সংবাদর্কমী ইউনিযন পরিষদের সচিবরা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা নিবাহীর্কমর্কতা বক্তব্যে বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মত্যাগ জাতির জন্য অনুপ্রেরণা। তাঁদের আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।

বক্তারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মত্যাগের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন। একই সঙ্গে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় শহীদদের আত্মত্যাগ থেকে শিক্ষা নেওযার আহ্বান জানান তারা।
অনুষ্ঠান শেষে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত, আহতদের দ্রুত সুস্থতা, দেশবাসীর শান্তি ও সমৃদ্ধি এবং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতা আন্দোলন গড়ে ওঠে, যার জেরে সংঘর্ষে কয়েকজন শহীদ হন এবং অনেকেই আহত হন। এই আন্দোলন বৈষম্যের বিরুদ্ধে এক ঐতিহাসিক প্রতিবাদের রূপ নেয়।

সম্পর্কিত খবর