বিভ্রান্তিকর সংবাদের প্রতিবাদ ও রূপালী লাইফের বক্তব্য
সম্প্রতি অনলাইন পোর্টাল ‘আপন দেশ‘-এ “মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ উপেক্ষা, আইডিআরএ’র আশ্রয়ে রূপালী লাইফের সিইওর দুর্নীতি” এরপর “রূপালী লাইফের দুর্নীতি: ২৮ কোটি ভুয়া আয়, ৩২ কোটি গোপন ব্যয়” এবং “রূপালী লাইফের দুর্নীতি: ১২০ কোটির ভুয়া সম্পদ, ৪৪ কোটির ফান্ড উধাও” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদগুলো আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
সংবাদে যে তথ্য, ব্যাখ্যা ও উপসংহার উপস্থাপন করা হয়েছে- তা বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় এবং পাঠকদের বিভ্রান্ত করার আশঙ্কা রয়েছে। রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি এ ধরনের বিভ্রান্তিকর উপস্থাপনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।
বীমা আইন- ২০১০ আর বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) বিধি-বিধান এবং নির্দেশনা অনুসরণ করে পরিচালিত শীর্ষ জীবন বীমা প্রতিষ্ঠান রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স। প্রতিষ্ঠানের সকল আর্থিক ব্যয়—কমিশন, উন্নয়ন ব্যয়, প্রশাসনিক ব্যয়, বেতন-ভাতা হতে শুরু করে অন্যান্য পরিচালন ব্যয়সহ—আইডিআরএ নির্ধারিত ব্যয় সীমার মধ্যেই হয়ে থাকে। দেশে হাতেগোনা কয়েকটি কোম্পানী আইডিআরএ নির্ধারিত ব্যয় কাঠামোর ভিতর থেকে কোম্পানীর ব্যবসা পরিচালনা করছে- তার মধ্যে রূপালী লাইফ একটি।
কোম্পানির সকল বার্ষিক হিসাব, নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী এবং প্রয়োজনীয় প্রতিবেদন নিয়মিতভাবে আইডিআরএ-এর নিকট দাখিল করা হয়। কোম্পানির কার্যক্রম নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিয়মিত তদারকি, পর্যালোচনা এবং আইনগত কাঠামোর আওতায় পরিচালিত হচ্ছে।
এছাড়া, জীবন বীমা শিল্পে বিক্রয় কার্যক্রমকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন ধরনের কর্মদক্ষতা-ভিত্তিক প্রণোদনা ও পারফরম্যান্স ইনসেনটিভ দীর্ঘদিন ধরেই প্রচলিত রয়েছে। এ ধরনের বিষয় সম্পর্কে নিয়ন্ত্রক সংস্থা অবগত এবং কোম্পানি সর্বদা প্রচলিত আইন ও বিধিবিধানের আলোকে কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
এতে আরো বলা হয়, যখন আর্থিক শৃঙ্খলা, বিমা দাবি পরিশোধ ও ব্যবসায়ীক সফলতায় এগিয়ে চলছে দেশের শীর্ষ জীবন বীমা প্রতিষ্ঠান রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স- তখনই একটি মহল ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়।
অথচ, ২০২৪ সালের আর্থিক প্রতিবেদনে ব্যবসায়ীক সফলতা ও দৃঢ় অবস্থানের চিত্র উঠে আসে। নিরীক্ষা প্রতিবেদন, আন্তর্জাতিক হিসাবমান এবং বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের যাবতীয় আইন ও নির্দেশনাবলী যথাযথভাবে অনুসরণ করেই কোম্পানির সার্বিক আর্থিক বিবরণী প্রস্তুত করা হয়েছে ।
রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক নিরীক্ষা প্রতিবেদনের কোথাও ১২০ কোটি টাকার সম্পদের অস্তিত্ব না পাওয়ার বিষয়ে নিরীক্ষকের কোনো মন্তব্য নেই। নিরীক্ষকগণ সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কোম্পানির বিল, ভাউচার, দলিল, চুক্তি, স্থায়ী সম্পদ ও ব্যাংক বিবরণী পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রতিবেদন তৈরি করেছেন। বিমা গণিতবিদ বা একচুয়ারি কর্তৃক স্বাধীনভাবে বিমাপত্রের ভবিষ্যৎ দায় ও জীবন তহবিল হিসাব করে আইন অনুযায়ী উদ্বৃত্ত বা ঘাটতি নির্ধারণ করা হয়। নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদনক্রমে নির্ধারিত এই উদ্বৃত্তের মাত্র ১০ শতাংশ অংশীদারদের মাঝে লভ্যাংশ হিসেবে বিতরণ করা হয় এবং বাকি ৯০ শতাংশ বিমাগ্রাহকদের জন্য সংরক্ষিত থাকে। ফলে কোম্পানির আর্থিক ঘাটতি থাকা অবস্থায় লভ্যাংশ বিতরণের কোনো সুযোগই নেই।
ব্যাংক জমার ৪৪ কোটি টাকা কম পাওয়ার গুঞ্জন সম্পর্কে ব্যাখ্যা দিয়ে কোম্পানিটি জানিয়েছে, ব্যাংক হিসাবের সমন্বয় একটি নিরবচ্ছিন্ন ও চলমান প্রক্রিয়া। নিরীক্ষা চলাকালীনও এই প্রক্রিয়া অব্যাহত ছিল। নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রিমিয়ামের টাকা ব্যাংকে জমা দেওয়ার অনুমতি দেওয়ায় ব্যাংক হিসাবের একটি বড় অংশ স্থানান্তর প্রক্রিয়ায় ছিল, যা সম্পূর্ণ নিয়মমাফিক। একইভাবে, গ্রাহকদের বিমা আইন অনুযায়ী ৩০ দিনের বিশেষ সময়সীমার সুবিধা থাকায় ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া প্রিমিয়াম ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত জমা দেওয়ার সুযোগ পান গ্রাহকরা। এই সম্ভাব্য প্রিমিয়ামকে আন্তর্জাতিক হিসাবমান অনুসারেই বকেয়া প্রাপ্তি হিসেবে হিসাবভুক্ত করা হয় এবং হালনাগাদ তথ্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে অবহিত করা হয়েছে।
প্রতিনিধিদের কাছে বকেয়া প্রিমিয়াম সংক্রান্ত বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটি জানায়, প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে সংগৃহীত প্রিমিয়ামের নগদ টাকা কোম্পানিতে পৌঁছাতে ২ থেকে ৪ দিন সময় লাগলে তা সাময়িকভাবে প্রতিনিধি স্থিতি হিসেবে প্রদর্শন করা হয়, যা বিমা ব্যবসার একটি স্বাভাবিক ও চলমান প্রক্রিয়া। এছাড়া, আর্থিক সংকটে থাকা লিজিং প্রতিষ্ঠানগুলোর বিপরীতে আইন ও আন্তর্জাতিক হিসাবমান অনুযায়ী যথোপযুক্ত নিরাপত্তা সঞ্চিতি রাখা হয়েছে। অন্যদিকে, দুর্বল ব্যাংকগুলোতে আটকে থাকা প্রায় ৮ কোটি ৫১ লাখ টাকা উদ্ধারে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও সরকারের নীতিগত পদক্ষেপের আলোকে কাজ করা হচ্ছে এবং শিগগিরই তা উদ্ধার সম্ভব হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

পূর্বাচল প্রকল্পে ৩ কোটি ৭২ লাখ টাকার অগ্রিম বরাদ্দের বিষয়ে রূপালী লাইফ জানিয়েছে, কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নিজস্ব অর্থায়নে প্রস্তাবিত রূপালী লাইফ জেনারেল হাসপাতাল স্থাপনের প্রক্রিয়া শুরু হয় এবং রাজউকের কাছে জমি বরাদ্দের আবেদন জমা দেওয়া হয়। ১৫ লাখ টাকা ব্যাংক ড্রাফটের মাধ্যমে রাজউকের চালানে জমাদানসহ জমি বরাদ্দের প্রাথমিক সমস্ত দাপ্তরিক কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তবে রাজউক থেকে জমি চূড়ান্ত বরাদ্দের প্রক্রিয়াটি অপেক্ষমাণ থাকায় বর্তমানে এটি কোম্পানির নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে।
জীবন তহবিল হ্রাস ও বিমাগ্রাহকদের বোনাস কমে যাওয়া প্রসঙ্গে জানানো হয়, কোম্পানির জমা তহবিল থেকে নিয়মিতভাবে গ্রাহকদের মেয়াদোত্তীর্ণ বিমা দাবি পরিশোধ করার কারণেই এই সংখ্যায় কিছুটা পরিবর্তন এসেছে, যা একটি বিমা প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতারই পরিচয় বহন করে। গ্রাহকের তহবিলের সুরক্ষায় রূপালী লাইফ তাদের বেশিরভাগ সম্পদ সরকারি ট্রেজারি বন্ড ও ব্যাংকিং স্থায়ী আমানতে অত্যন্ত নিরাপদে বিনিয়োগ করে রেখেছে।
রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স দেশের বিমা শিল্পের অন্যতম শক্তিশালী ও নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান। বিমা আইন অনুযায়ী সকল বিমা দাবি সময়মতো পরিশোধে কোম্পানিটি বদ্ধপরিকর এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নিয়মিত সকল পাওনা পরিশোধ করা হচ্ছে। গ্রাহকদের আস্থা ও আমানতের সুরক্ষা নিশ্চিত করে প্রতিষ্ঠানটি আগামীতেও আরও দায়িত্বশীল ও স্বচ্ছ সেবা প্রদানে অঙ্গীকারবদ্ধ বলেও রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স জানায়।
এতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশের জীবন বীমা শিল্প বর্তমানে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করছে। এ অবস্থায় যাচাই-বাছাই ছাড়া বা অসম্পূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত বিভ্রান্তিকর সংবাদ কেবল একটি প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তিই ক্ষুণ্ণ করে না, বরং সমগ্র জীবন বীমা খাতের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা ও বিশ্বাসকেও নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে। রূপালী লাইফ সুশাসন, স্বচ্ছতা, গ্রাহকসেবা এবং আইনানুগ পরিচালনার মাধ্যমে জীবন বীমা শিল্পে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। তাই কোম্পানি সম্পর্কে ভুল, বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের নয়, বরং সামগ্রিক জীবন বীমা শিল্পের ভাবমূর্তি ও স্থিতিশীলতার জন্যও ক্ষতিকর হতে পারে। আমরা বিশ্বাস করি, একটি শক্তিশালী ও বিশ্বাসযোগ্য জীবন বীমা খাত গড়ে তুলতে গণমাধ্যম, নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং বীমা কোম্পানিগুলোর দায়িত্বশীল ও সমন্বিত ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আমরা আমাদের সম্মানিত গ্রাহক, পলিসিধারী, শেয়ারহোল্ডার, ব্যবসায়িক অংশীদার এবং দেশের সর্বস্তরের মাঠকর্মীদের আশ্বস্ত করতে চাই যে, কোম্পানির আর্থিক ভিত্তি, দাবি (Claim) পরিশোধ, গ্রাহকসেবা এবং সার্বিক কার্যক্রম সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত হচ্ছে। একটি বিভ্রান্তিকর সংবাদকে কেন্দ্র করে উদ্বিগ্ন বা বিভ্রান্ত হওয়ার কোনো কারণ নেই।
কোম্পানির কর্মকর্তারা বলেন, “আমাদের সম্মানিত গ্রাহক এবং মাঠকর্মীদের আশ্বস্ত করতে চাই যে, কোনো ধরনের বিভ্রান্তিতে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই। রূপালী লাইফের একটি টাকাও অবৈধভাবে ব্যয় বা আত্মসাতের কোনো সুযোগ নেই। সংশ্লিষ্ট ব্যয় সম্পূর্ণ সিস্টেমেটিক ও নীতিমালা অনুসারে সম্পাদিত হয়। আমাদের সকল কার্যক্রম আইডিআরএর নিয়ম অনুসরণ করেই করা হয়। রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি সবসময় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং গ্রাহকের স্বার্থ রক্ষায় অঙ্গীকারবদ্ধ ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।”
এছাড়াও ঐ পোর্টালে রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স ও বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) সদস্য জনাব আপেল মাহমুদকে জড়িয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনটিও আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদের তথ্যসমূহ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমরা আইডিআরএ সদস্য জনাব আপেল মাহমুদকে জড়িয়ে যে ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করেছে তারও তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।
প্রতিবেদনে তদন্তের তথ্য ফাঁস, ফাইল আটকে রাখা এবং দুর্নীতির সিন্ডিকেটকে সুরক্ষার যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ কাল্পনিক ও মনগড়া। প্রকৃতপক্ষে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের যে ফাইলের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, সেটি আইডিআরএ-তে আসেইনি। যে ফাইল সংস্থায় আসেনি, সেটিতে কোনো ব্যক্তির হস্তক্ষেপে আটকে রাখা বা সম্পৃক্ততার প্রশ্নই ওঠে না। একইভাবে, রূপালী লাইফের সিইও জনাব গোলাম কিবরিয়ার রিনিউয়াল ফাইল আইডিআরএ-তে জমা হলেও তা এখনও সংশ্লিষ্ট সদস্যের টেবিলেই পৌঁছেনি। সুতরাং, এই বিষয়ে তাকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে আমরা মনে করি।
জনাব আপেল মাহমুদের পেশাগত অতীত এবং ব্যক্তিচরিত্র নিয়ে যেসব অনাকাঙ্ক্ষিত ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মন্তব্য করা হয়েছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক। প্রশাসনিক ও পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে তিনি সর্বদা প্রচলিত আইন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে আসছেন। নিয়ন্ত্রক সংস্থার দায়িত্বশীল কর্মকর্তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতেই এই ধরনের অপপ্রচার ও কুৎসা রটানো হচ্ছে। যা বীমা খাত, আইডিআরএ এবং রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের জন্যও ক্ষতিকর।
গোয়েন্দা সংস্থাসহ সরকারের বিভিন্ন তদারকি ব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আইডিআরএ সদস্য সর্বদা নিবেদিতভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাই বিভ্রান্তিকর তথ্য পরিবেশন করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সকে বিতর্কিত করার এই অপচেষ্টা থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
উল্লেখ্য, সংবাদমাধ্যমের ব্যাখ্যা ও প্রাসঙ্গিক তথ্য সংবাদে যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়নি। ফলে সংবাদটি ভুল ও বিভ্রান্তিকর রূপ ধারণ করেছে। রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স বিশ্বাস করে, দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার অন্যতম মৌলিক নীতি হলো সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের বক্তব্য, তথ্য ও প্রাসঙ্গিক দলিল যথাযথভাবে যাচাই করে সংবাদ প্রকাশ করা। আমরা আশা করি, ভবিষ্যতে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যম আরও দায়িত্বশীল, নিরপেক্ষ ও পেশাগত নৈতিকতার সঙ্গে সংবাদ পরিবেশন করবে।


