শিরোনাম
বীমা দাবির চেক দিয়েছে এনআরবি লাইফডিজিটাল প্রতারণা শনাক্তে এআই ব্যবহারের ওপর জোর ডিএসই চেয়ারম্যানেরডেঙ্গুতে আরও ১০ মৃত্যু, ভর্তি ১,৯৯৬২৬ অক্টোবর জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীপতনে শেষ ডিএসইর লেনদেনপ্রবৃদ্ধি ৩.৪ শতাংশে নামার পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংকেরএশিয়ার বড় বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ছেনির্ধারিত দামে এলপিজি না মিললে ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাশিশুদের প্রতিভা বিকাশে সুযোগ দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রীমৌসুমি বায়ুর বিদায়, সাগরে লঘুচাপের আভাসডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৪৭ওয়াহাজের সঙ্গে ফারিয়ার নজরকাড়া সাজশাহজালালে ৬৩১ কার্টন সিগারেট জব্দরপ্তানি স্বাভাবিক, কমল তেলের দামস্টক এক্সচেঞ্জে সরাসরি কোম্পানি তালিকাভুক্তির বিধিনিষেধ প্রত্যাহার
down of head

অনেক কোম্পানির ওয়েবসাইটে নির্ভরযোগ্য তথ্য নেই

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত অনেক কোম্পানির ওয়েবসাইটে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায় না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কমিশনার অধ্যাপক ড. শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, অনেক কোম্পানির ওয়েবসাইটে নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন থাকে না। ফলে তথ্যের অভাবে বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেয়া যায় না। টেকনিক্যাল বিশ্লেষণেও সঠিক ফল আসে না। বেশকিছু কোম্পানিকে কয়েক দফা চিঠি দিয়ে ওয়েবসাইটে তথ্য হালনাগাদ করার তাগিদ দেয়া হয়েছে। কিন্তু তাতেও কোনো সাড়া দেয়নি তারা।

গতকাল রাজধানীর পল্টনে অবস্থিত ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্টস ফোরামের (সিএমজেএফ) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ড (ইটিএফ) বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সিএমজেএজেএফ সভাপতি জিয়াউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ডিজিএম সাইয়িদ মাহমুদ জুবায়ের ও মার্কেট ডেভেলপমেন্ট বিভাগের সিনিয়র ম্যানেজার সৈয়দ ফয়সাল আব্দুল্লাহ। এ কর্মশালার আয়োজন করে পুঁজিবাজার সাংবাদিকদের সংগঠন সিএমজেএফ। এতে সার্বিক সহযোগিতা করেছে ডিএসই।

স্বল্পতম সময়ের মধ্যে কোম্পানির ওয়েবসাইটে তথ্য হালনাগাদের আহ্বান জানিয়ে শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, বিএসইসি কারো বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে যেতে চায় না। তবে নিয়ন্ত্রণ সংস্থা হিসেবে বিএসইসির কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার সুযোগ আছে, এটি সবাইকে মনে রাখতে হবে।

বিএসইসির এ কমিশনার বলেন, আমাদের বাজার ও অর্থনীতির ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। বাজারে দেখা যায় ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের উপস্থিতি বেশি আর প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী কম। তাছাড়া মার্কেটে ট্রেডার ও বিনিয়োগকারীদের যে সাদৃশ্য থাকা দরকার ছিল, তা নেই। আমরা উভয় পক্ষের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছি।

বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শেয়ার কেনার সময় যত লাভ করা যায়, বিক্রির সময় তত বেশি লাভ করা যায় না। কেননা শেয়ারের বিক্রির সময় ভালো দাম নাও থাকতে পারে। তাই বায়ার মার্কেটেই শেয়ার কিনতে হয়, আর সেলার মার্কেটে তা বিক্রি করতে হয়। ভালো লাভ পেতে হলে অবশ্যই শেয়ার কেনার সময়ই লাভবান হতে হবে।

সিএমজেএফের সাধারণ সম্পাদক আবু আলীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজ লিমিটেডের সিইও রহমত পাশা, ইউসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের সিইও রাশেদ হাসান, ইউসিবি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের সিইও তানজিম আলমগীর, সিএমজেএফের সাবেক সভাপতি হাসান ইমাম রুবেল ও ইআরএফ সভাপতি শারমিন রিনভী।

সম্পর্কিত খবর