সয়ামিল মজুদের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে ভারত
সয়ামিল মজুদের সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে ভারত। স্থানীয় বাজারে পণ্যটির ঊর্ধ্বমুখী মূল্য নিয়ন্ত্রণে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত এটি কার্যকর থাকবে। মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিস এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কোনো উৎপাদন প্রতিষ্ঠান, মিলার কিংবা প্রক্রিয়াকরণ প্রতিষ্ঠান প্রত্যেকের দৈনিক উৎপাদন ব্যয় সক্ষমতার ভিত্তিতে সর্বোচ্চ ৯০ দিন পর্যন্ত সয়ামিল মজুদ করতে পারবে।
এদিকে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে, শুধু সরকার নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানগুলো সয়ামিল মজুদ করতে পারবে। এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানগুলো শর্ত মেনে নির্ধারিত মজুদাগারে সর্বোচ্চ ১৬০ টন পর্যন্ত সয়ামিল মজুদ করতে পারবে।
বাজার বিশ্লেষকরা জানান, সয়াবিন উৎপাদনে অন্যতম শীর্ষ দেশ ব্রাজিল। চলতি বছর খরার কবলে পড়ে দেশটির সয়াবিন উৎপাদনে বিপর্যয় নামে। এর প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক বাজারে। এ সুযোগে ভারতের কিছু ব্যবসায়ী দাম বাড়ার আশায় সয়ামিলের অবৈধ মজুদ শুরু করেন। ফলে বাজারে কৃত্রিম সংকট দেখা দেয়। অবৈধ মজুদ ঠেকানোর মাধ্যমে স্থানীয় বাজারে পণ্যটির সরবরাহ সচল রাখতেই মজুদসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।



