প্রণোদনা ঋণ পরিশোধের সময়সীমা বাড়ানোর আহ্বান বিজিএমইএর
কভিড-১৯ মহামারী মোকাবেলায় প্রদত্ত প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় ঋণ পরিশোধের সময়সীমা বিদ্যমান ১৮ মাস থেকে বাড়িয়ে ৩৬ মাস করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন বিজিএমইএ নেতারা। সোমবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আব্দুর রউফ তালুকদারের সঙ্গে বিজিএমইএ প্রতিনিধি দলের বৈঠকে এমন অনুরোধ করেন তারা।
বৈঠকে বিজিএমইএ নেতারা বিশেষ বিবেচনায় ১৩৩টি রুগ্ণ পোশাক প্রতিষ্ঠানের সমুদয় ঋণ, সুদ এবং তহবিল চার্জের ব্যয় মওকুফ করার জন্যও সরকারকে অনুরোধ জানান। এ সময় বিজিএমইএ প্রতিনিধি দলে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রথম সহসভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, সহসভাপতি শহিদউল্লাহ আজিম, সহসভাপতি (অর্থ) খন্দকার রফিকুল ইসলাম এবং সহসভাপতি মো. নাসির উদ্দিন।
বৈঠকে বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান পোশাক শিল্পে আগামী দিনের সুযোগগুলো কাজে লাগাতে এবং এর মাধ্যমে প্রবৃদ্ধির গতি ধরে রাখতে সরকারের নীতি সহায়তার ওপর জোর দিয়েছেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের পোশাক শিল্প একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যখন শিল্পের সামনে একদিকে রয়েছে অবারিত সুযোগ আর অন্যদিকে রয়েছে অনেক চ্যালেঞ্জ। সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য সরকারের সমর্থন আমাদের প্রয়োজন।
বিজিএমইএ নেতারা বলেন, বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মধ্যেও প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে পোশাক শিল্প বিভিন্ন প্রচেষ্টা গ্রহণ করে আসছে। তাছাড়া বিশ্বব্যাপী ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় পোশাক উদ্যোক্তাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় শিল্পের জন্য সরকারের নীতিগত সহায়তা জরুরি।
এর আগে ঋণ শ্রেণীকরণ সুবিধা আগামী বছরের জুলাই পর্যন্ত বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এফবিসিসিআইয়ের বার্ষিক সাধারণ সভায় এমন আহ্বান জানানো হয়।
এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংককে যত দ্রুত সম্ভব ঋণ শ্রেণীকরণ সুবিধার মেয়াদ বৃদ্ধি-সংক্রান্ত ঘোষণা দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন। তিনি বলেন, ঋণ শ্রেণীকরণের মেয়াদ বাড়ালে ব্যবসায়ীদের মধ্যে স্বস্তি আসবে এবং অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার দ্রুত সম্ভব হবে।


