প্রথম প্রান্তিকে ভালো ব্যবসা করেছে একমি ল্যাবরেটরিজ
চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ভালো ব্যবসা করেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ খাতের কোম্পানি দ্য একমি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির আয় আগের হিসাব বছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে ১৯ শতাংশের বেশি। আর কর-পরবর্তী নিট মুনাফা বেড়েছে প্রায় ৪২ শতাংশ। কোম্পানিটির সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা যায়, চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে একমি ল্যাবরেটরিজের আয় হয়েছে ৫৯৪ কোটি টাকা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৪৯৭ কোটি টাকা। এক বছরের ব্যবধানে আয় বেড়েছে ৯৬ কোটি ৪৬ লাখ টাকার বেশি বা ১৯ দশমিক ৩৯ শতাংশ। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ৫৮ কোটি ৭১ লাখ টাকার বেশি। আগের হিসাব বছরের একই সময় যা ছিল ৪১ কোটি টাকার বেশি। সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে কর-পরবর্তী নিট মুনাফা বেড়েছে ১৭ কোটি ২৫ লাখ টাকা বা ৪১ দশমিক ৬৩ শতাংশ। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৭৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময় যা ছিল ১ টাকা ৯৬ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৯৭ টাকা ৮৩ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময় শেষে যা ছিল ৯৫ টাকা ৪ পয়সা।
৩০ জুন সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরের জন্য ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে একমি ল্যাবরেটরিজের পরিচালনা পর্ষদ। সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ১৫৬ কোটি ৯২ লাখ ৩০ হাজার টাকা। যেখানে আগের হিসাব বছরে কর-পরবর্তী নিট মুনাফা ছিল ১৪৫ কোটি ৫ লাখ টাকা। সেই হিসাবে আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির নিট মুনাফা বেড়েছে ১১ কোটি ৮৭ লাখ টাকার বেশি বা ৮ দশমিক ১৯ শতাংশ।
সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৭ টাকা ৪২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬ টাকা ৮৫ পয়সা। ৩০ জুন ২০২১ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৯৫ টাকা ৪ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময় শেষে যা ছিল ৯০ টাকা। সমাপ্ত হিসাব বছরের ঘোষিত লভ্যাংশ অনুমোদনের জন্য আগামী ২৬ ডিসেম্বর ভার্চুয়াল মাধ্যমে কোম্পানিটির ৪৫তম বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) আহ্বান করা হয়েছে। লভ্যাংশ নির্ধারণ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট ধরা হয়েছে ১৮ নভেম্বর।
৩০ জুন সমাপ্ত ২০২০ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে একমি ল্যাবরেটরিজ। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস ছিল ৬ টাকা ৮৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬ টাকা ৮১ পয়সা। এর আগে ২০১৯ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ৩৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল একমি ল্যাবরেটরিজ। তার আগের তিন হিসাব বছরেও একই হারে নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা।


