শিরোনাম
২৬ অক্টোবর জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীপতনে শেষ ডিএসইর লেনদেনপ্রবৃদ্ধি ৩.৪ শতাংশে নামার পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংকেরএশিয়ার বড় বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ছেনির্ধারিত দামে এলপিজি না মিললে ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাশিশুদের প্রতিভা বিকাশে সুযোগ দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রীমৌসুমি বায়ুর বিদায়, সাগরে লঘুচাপের আভাসডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৪৭ওয়াহাজের সঙ্গে ফারিয়ার নজরকাড়া সাজশাহজালালে ৬৩১ কার্টন সিগারেট জব্দরপ্তানি স্বাভাবিক, কমল তেলের দামস্টক এক্সচেঞ্জে সরাসরি কোম্পানি তালিকাভুক্তির বিধিনিষেধ প্রত্যাহারডেঙ্গুতে আরও ৯ মৃত্যু, ভর্তি ১,৯০২তুরস্কে বাংলাদেশের রপ্তানি দ্বিগুণমিউচুয়াল ফান্ডে এনএভি বিবেচনার আহ্বান বিএসইসির
down of head

২০ মাসে ভারতের রিজার্ভ সর্বনিম্ন

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমতে শুরু করেছে। শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের পর এবার ভারতের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমতে শুরু করেছে। ডলারের বিপরীতে ভারতীয় মুদ্রা রুপির মান ৮০ নিচে নেমে যাওয়া থেকে রক্ষা করতে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক হস্তক্ষেপ বাড়িয়েছে। এতে ভারতের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২০ মাসেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে।

শনিবার (২৩ জুলাই) ব্লুমবার্গের প্রকাশিত প্রতিবেদন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

শুক্রবার (২৩ জুলাই) প্রকাশিত রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার তথ্য অনুসারে, ১৫ জুলাই শেষ হওয়া সপ্তাহে ভারতের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ ৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার কমে ৫৭২ দশমিক ৭ ‍বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। যা ২০২০ সালের ৬ নভেম্বরের পর থেকে সর্বনিম্ন।

কারণ জুলাইয়ের প্রথম দুই সপ্তাহে ভারতীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলারের দাম স্থিতিশীল রাখতে তাদের রিজার্ভ থেকে ১৫ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার বাজারে ছেড়েছে।

এর আগে ২০২১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ভারতের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ ৬৪২ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছিল।

ডলারের বিপরীতে ভারতীয় রুপির মান ক্রমেই নিম্নমুখী। এ প্রতিবেদন লেখার সময় এক ডলারের দাম ছিল ৭৯ দশমিক ৮৫ রুপি।

বৈদেশিক রিজার্ভ কমে যাওয়ার খরবটি এমন সময়ে আসে যখন রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার গভর্নর শক্তিকান্ত দাস ভারতীয় মুদ্রার মান আরও কমে যাওয়ার বিষয়ে বাজার আশঙ্কা প্রশমিত করার জন্য একটি শক্তিশালী পদক্ষেপ নেয়ার কথা জানান।

তিনি বলেন, ভারতের কাছে পর্যাপ্ত বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ রয়েছে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজারে চলমান অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে হস্তক্ষেপ করবে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ক্রমবর্ধমান সুদের হার এবং ঝুঁকিমুক্ত মনোভাবের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ তহবিল বহিঃপ্রবাহের মধ্যে ভারতীয় রুপির এ বছর দরপতন হয়েছে ৭ শতাংশ। ফলে মূল্যস্ফীতি, বাহ্যিক ঘাটতি এবং কোম্পানিগুলোর মুনাফার ওপর প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

সম্পর্কিত খবর