শিরোনাম
২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা, চড়া ইলিশের দামবৈদেশিক ঋণের টাকা এফসি হিসাবে রাখার সুযোগসেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮ দশমিক ৩৪ শতাংশডেঙ্গুতে ৮ মৃত্যু, ভর্তি ১,৮৬০দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের ছুটি, প্রজ্ঞাপন জারিইন্দোনেশিয়ায় রপ্তানি বাড়াতে চায় বাংলাদেশবিডি ল্যাম্পসের বোর্ড সভা ১৪ অক্টোবরসূচকের উত্থানে চলছে লেনদেনওয়াইম্যাক্স ইলেকট্রোডের বোর্ড সভা ১৫ অক্টোবরকোটি টাকা ইস্যুতে আসলামের নিয়োগ বাতিল!বীমা দাবির চেক দিয়েছে এনআরবি লাইফডিজিটাল প্রতারণা শনাক্তে এআই ব্যবহারের ওপর জোর ডিএসই চেয়ারম্যানেরডেঙ্গুতে আরও ১০ মৃত্যু, ভর্তি ১,৯৯৬২৬ অক্টোবর জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীপতনে শেষ ডিএসইর লেনদেন
down of head

মালয়েশিয়ায় পাম অয়েলের মজুদ বাড়ার পূর্বাভাস

মালয়েশিয়ায় পাম অয়েলের মজুদ বাড়ার পূর্বাভাস মিলেছে। ঊর্ধ্বমুখী উৎপাদনই মজুদ বাড়াতে সহায়তা করেছে। এদিকে মজুদ বাড়ায় বাজারে পণ্যটির দাম কমার প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

বাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, মার্চে মালয়েশিয়ায় পাম অয়েল মজুদের উত্থান-পতন নিয়ে ১১ এপ্রিল সরকারি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। তবে পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে দেখা গিয়েছে, মার্চে মজুদের পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ১৫ লাখ ৬০ হাজার টনে। সে হিসেবে আগের মাসের তুলনায় মজুদ ২ দশমিক ৮ শতাংশ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া গত বছরের একই সময়ের তুলনায় মজুদ ৭ দশমিক ৯ শতাংশ বাড়তে পারে।

পুঁজিবাজারসংশ্লিষ্ট কোম্পানি সিজিএস-সিআইএমবি জানায়, এক মাসের ব্যবধানে মজুদ বাড়ার সম্ভাবনা দেখা দিলে ১০ বছরের গড় মজুদের তুলনায় গত মাসের মজুদ ২০ শতাংশ কমতে পারে। মূলত অপর্যাপ্ত সরবরাহকে এজন্য দায়ী বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

এক নোটে সিজিএস-সিআইএমবি জানায়, মার্চে মালয়েশিয়ায় অপরিশোধিত পাম অয়েল উৎপাদন ফেব্রুয়ারির তুলনায় ১৭ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে গত বছরের মার্চের তুলনায় উৎপাদন ৫ দশমিক ৮ শতাংশ কমতে পারে। মোট উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়াতে ১৩ লাখ ৪০ হাজার টনে।

এদিকে পাম অয়েল রফতানি বাড়ারও পূর্বাভাস মিলেছে। মার্চে দেশটি ১১ লাখ ৭০ হাজার টন পাম অয়েল রফতানি করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সে হিসাবে ফেব্রুয়ারির তুলনায় রফতানি ৭ শতাংশ বাড়বে। তবে গত বছরের মার্চের তুলনায় রফতানি দশমিক ৭ শতাংশ কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তথ্য বলছে, ইন্দোনেশিয়া ডোমেস্টিক মার্কেট অবলিগেশন নীতি থেকে সরে আসায় বিশ্ববাজারে পাম অয়েলের প্রাপ্যতা বেড়েছে। ফলে অপরিশোধিত পাম অয়েলের রফতানি মূল্য ২১ শতাংশ কমেছে। অথচ পণ্যটির দাম টনপ্রতি ৬ হাজার ৩৫৭ রিঙ্গিত পর্যন্ত উঠেছিল।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর থেকে অন্যান্য পণ্যের মতো বিশ্ববাজারে ভোজ্যতেলের বাজারও সংকটের মুখে। ইউক্রেন বিশ্বের শীর্ষ সূর্যমুখী তেল উৎপাদক। রাশিয়াও বেশ ভালো পরিমাণ সূর্যমুখী তেল উৎপাদন করে। দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধের কারণে পণ্যটির বাণিজ্য ব্যাহত হচ্ছে। ফলে মিসর, ইরান ও সৌদি আরবসহ আমদানিকারক দেশগুলো সূর্যমুখীর বিকল্প হিসেবে পাম অয়েলকে বেছে নিচ্ছে। অন্যদিকে লাতিন আমেরিকার দেশগুলোয় খরার কারণে সয়াবিন উৎপাদন বাধার মুখে পড়েছে। ফলে সয়াবিনের ভোক্তারাও পাম অয়েলে ঝুঁকছেন।

সম্পর্কিত খবর