শিরোনাম
down of head

বিদেশের বাজারে ঊর্ধ্বমুখী চীনা রসুনের চাহিদা

চলতি মৌসুমের শুরু থেকেই চীনা রসুনের দাম ওঠানামা করছিল। তবে বেশির ভাগ সময় দাম নিম্নমুখীই ছিল। কভিডবিরোধী বিভিন্ন বিধিনিষেধ শিথিল করায় কিছু ক্ষেত্রে বিদেশের বাজারে পণ্যটির চাহিদায় পুনরুদ্ধার ঘটেছে। বেইজিংভিত্তিক জিনিং ফেনডানি ফুডস্টাফ লিমিটেডের সেলস ম্যানেজার অ্যানি চীনে রসুনের বর্তমান বাজার পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলার সময় এসব তথ্য জানান। খবর ফ্রেস প্লাজা।

চীনে চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি বসন্ত উৎসব শুরু হয়। উৎসবের শুরুতেই রসুনের দাম বেড়ে যায়। তবে উৎসব শেষে আবারো দাম কমেছে। গত বছরও চীনা রসুনের দাম নিম্নমুখী ছিল। এ বছর পণ্যটির দাম আরো কমেছে। তবে বর্তমানে দাম আর কমার সম্ভাবনা নেই। বর্তমানে ফ্রি অন বোর্ড চুক্তিতে প্রতি টন ৫০ এমএম রসুন ৮০০-৯০০ ডলারে বিক্রি হচ্ছে। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে দাম বাড়ার প্রত্যাশাও রয়েছে।

অ্যানি আরো বলেন, বিদেশের অনেক বাজারই মহামারীজনিত বিধিনিষেধ উঠিয়ে নিয়েছে। এ কারণে সেসব বাজারে ব্যাপক চাহিদা বাড়ছে। অন্যদিকে রমজান উপলক্ষে উত্তর আফ্রিকার দেশগুলোয় চাহিদা নতুন মাত্রা পেয়েছে।

দিন শেষে দক্ষিণপূর্ব এশিয়াই দেশটির রসুনের সবচেয়ে বড় রফতানি বাজার। চীন যে পরিমাণ রসুন রফতানি করে, তার ৬০ শতাংশই যায় এ অঞ্চলে। চলতি মৌসুমে ব্রাজিলে রফতানি বাজার মন্দার মুখে রয়েছে। কারণ আর্জেন্টিনা ও স্পেন থেকে রসুন আমদানি বাড়িয়েছে ব্রাজিল, যা চীনের রসুন রফতানিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

 

সম্পর্কিত খবর