শিরোনাম
ডিজিটাল প্রতারণা শনাক্তে এআই ব্যবহারের ওপর জোর ডিএসই চেয়ারম্যানেরডেঙ্গুতে আরও ১০ মৃত্যু, ভর্তি ১,৯৯৬২৬ অক্টোবর জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীপতনে শেষ ডিএসইর লেনদেনপ্রবৃদ্ধি ৩.৪ শতাংশে নামার পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংকেরএশিয়ার বড় বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ছেনির্ধারিত দামে এলপিজি না মিললে ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাশিশুদের প্রতিভা বিকাশে সুযোগ দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রীমৌসুমি বায়ুর বিদায়, সাগরে লঘুচাপের আভাসডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৪৭ওয়াহাজের সঙ্গে ফারিয়ার নজরকাড়া সাজশাহজালালে ৬৩১ কার্টন সিগারেট জব্দরপ্তানি স্বাভাবিক, কমল তেলের দামস্টক এক্সচেঞ্জে সরাসরি কোম্পানি তালিকাভুক্তির বিধিনিষেধ প্রত্যাহারডেঙ্গুতে আরও ৯ মৃত্যু, ভর্তি ১,৯০২
down of head

নায়ক মান্নার কবর সংস্কার করলেন তার স্ত্রী

বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম জনপ্রিয় নায়ক মান্না। ২০০৮ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি মৃত্যুবরণ করেন তিনি। মৃত্যুর পর তাকে সমাধিস্থ করা হয় নিজ গ্রাম টাঙ্গাইলের এলেঙ্গায়। সেখানেই মায়ের কবরের পাশে ১৪ বছর ধরে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন মান্না।

নায়ক মান্নার কবর সংস্কার নিয়ে নানা জটিলতা ছিল। সেই জটিলতা কেটেছে। সংস্কার হয়েছে কবর। এ বিষয়টি জানালেন মান্নার স্ত্রী শেলী।

তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে কবরটির সংস্কার করা সম্ভব হয়নি। তার বড় কারণ হলো এটি পারিবারিক কবরস্থান। অনেকের সিদ্ধান্তের ব্যাপার ছিল। এর আগে আমরা মান্নার কবরটি সংস্কার করেছিলাম। নিচু জায়গায় হওয়ায় কবরে মাটি ফেলতে হয়েছে। এছাড়া মান্নার চাচা প্রবাসী হওয়ায় তারও আসার একটা ব্যাপার ছিল। উনি আসার পর মান্নার কবরটি সংস্কার করা হয়েছে।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মান্নার কবর সংস্কার না করায় অনেক সমালোচনা দেখা যায়। সে বিষয়ে শেলী মান্না বলেন, ‘আমরা আমাদের মতো করে কবরটি সংস্কার করতে চেয়েছিলাম। অবশেষে তা করতে পেরেছি। তবে সমস্যা একটা এখনো রয়েছে গেছে। সমাধিস্থলের সামনে প্রাচীর দেয়ার কারণে ভক্তদের কবর দেখতে ও কবর জিয়ারত করতে অনেকটা ঝামেলা হবে।

এমনকি তারা ভেতরে যাওয়ার অনুমতি না পেলে দেখতেও পারবেন না। তাই মান্নার চাচার প্রতি আমার অনুরোধ যেন প্রাচীরটা খুলে দিয়ে ভক্তদের সহজে কবরটি দেখার ব্যবস্থা করে দিতে।’

প্রয়াত নায়ক মান্নার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া চেয়েছেন অভিনেতার স্ত্রী।

১৯৬৪ সালে টাঙ্গাইলের কালিহাতীর এলেঙ্গায় জন্মগ্রহণ করেন মান্না। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাস করার পরই ১৯৮৪ সালে তিনি ‘নতুন মুখের সন্ধ্যানে’ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে আসেন। দুই যুগের দাপটীয় অভিনেতা মুত্যুর আগ পর্যন্ত ছিলেন জনপ্রিয়তার শীর্ষে।

সম্পর্কিত খবর