থাইল্যান্ডে চাল উৎপাদন বৃদ্ধির সম্ভাবনা
টানা দুই মাস ভয়াবহ বন্যা সত্ত্বেও থাইল্যান্ডে চাল উৎপাদন বৃদ্ধির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ২০২১-২২ বিপণন মৌসুমে কৃষিপণ্যটির উৎপাদন বিদায়ী মৌসুমের তুলনায় ১১ শতাংশ বাড়ার পূর্বাভাস দিয়েছে মার্কিন কৃষি বিভাগ (ইউএসডিএ)। সংস্থাটির ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিস (এফএএস) কর্তৃক প্রকাশিত গ্লোবাল এগ্রিকালচারাল ইনফরমেশন নেটওয়ার্ক শীর্ষক একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
থাইল্যান্ড চাল রফতানিতে বিশ্বের তৃতীয় শীর্ষ দেশ। পূর্বাভাস বলছে, চলতি মৌসুমে দেশটির চাল রফতানি গত মৌসুমের তুলনায় ২ শতাংশ বেড়ে ৫৮ লাখ টনে পৌঁছতে পারে। জুলাইয়েও একই পূর্বাভাস দিয়েছিল ইউএসডিএ। তবে কনটেইনার সংকটের কারণে কিছুটা বিপত্তিতে পড়তে পারেন রফতানিকারকরা।
চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) মার্কিন ডলারের বিপরীতে কমে যায় থাই বাতের বিনিয়োগমূল্য। ফলে প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় কমেছে থাইল্যান্ডের চালের দাম। সাশ্রয়ী হওয়ায় আমদানিকারক দেশগুলোয় থাই চালের কদর বাড়ছে।
শুধু রফতানিযোগ্য চালই নয়, বরং মিলগেটেও চালের দাম নিম্নমুখী। বিশ্ববাজারে দাম কমে যাওয়ায় স্থানীয় বাজারে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে। ইউএসডিএ বলছে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে স্থানীয় বাজারে সুগন্ধিযুক্ত ও আঠালো চালের দাম লক্ষণীয় মাত্রায় কমে যায়। স্থানীয় ও বৈদেশিক চাহিদা দুর্বল হয়ে পড়ায় বাজারে মন্দা ভাব দেখা দিয়েছে।



