down of head

ডিজেলের দাম বাড়ায় বন্দর চুক্তি দর সমন্বয়ের দাবি

চট্টগ্রাম বন্দরের বার্থ অপারেটররা ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে চুক্তি দর পুনর্নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের দাবি, ২০২২ সালের টেন্ডারের সময় লিটারপ্রতি ডিজেলের দাম ৮০ টাকা থাকলেও বর্তমানে তা বেড়ে ১৩৫ টাকা হয়েছে। এতে জ্বালানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় বার্থ অপারেটিং কার্যক্রম পরিচালনায় চাপ তৈরি হয়েছে।

এ দাবিতে গত ২১ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি দিয়েছে বার্থ অপারেটরস, শিপ হ্যান্ডলিং অপারেটরস অ্যান্ড টার্মিনাল অপারেটরস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনটির সভাপতি ফজলে ইকরাম চৌধুরী বলেন, জ্বালানির দাম দফায় দফায় বাড়লেও তাদের চুক্তি দর সমন্বয় করা হয়নি। তাই চুক্তি দর সমন্বয়ের জন্য জোর দাবি জানানো হয়েছে।

সংগঠনটির তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের ১৯ জানুয়ারি ওটিএম পদ্ধতিতে আহ্বান করা দরপত্রের সময় ডিজেলের দাম ছিল ৮০ টাকা। পরে কয়েক দফায় দাম বেড়ে সর্বশেষ ২০ সেপ্টেম্বর থেকে লিটারপ্রতি ১৩৫ টাকা হয়েছে। অর্থাৎ টেন্ডারের সময়ের তুলনায় দাম বেড়েছে ৫৫ টাকা বা প্রায় ৬৯ শতাংশ।

বার্থ অপারেটরদের দাবি, কনটেইনার হ্যান্ডলিং কার্যক্রম ব্যাপকভাবে জ্বালানিনির্ভর হওয়ায় ডিজেলের দাম বাড়ার সরাসরি প্রভাব পড়ছে পরিচালন ব্যয়ে। কিন্তু চুক্তি দর অপরিবর্তিত থাকায় বাড়তি ব্যয় তাদেরই বহন করতে হচ্ছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের ডেপুটি ট্রাফিক ম্যানেজার হাসিনা আরজু বলেন, বার্থ অপারেটরদের চিঠি এখনো তারা পাননি। এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

এদিকে ডিজেলের দাম বাড়ার প্রভাব পড়েছে বন্দরকেন্দ্রিক সাপ্লাই চেইনের অন্যান্য খাতেও। বাংলাদেশ ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোস অ্যাসোসিয়েশন (বিকডা) ডিজেলনির্ভর বিভিন্ন সেবার চার্জ ৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ বাড়িয়েছে। সংগঠনটির মহাসচিব রুহুল আমিন সিকদার জানান, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিতে আইসিডিগুলোর পরিচালন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় বর্ধিত চার্জ কার্যকর করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম চেম্বারের সহ-সভাপতি আমজাদ হোসেন চৌধুরী বলেন, বন্দরকেন্দ্রিক সাপ্লাই চেইনে কোনো ধরনের চার্জ পরিবর্তনের আগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা ও সমন্বয় করা প্রয়োজন। অন্যথায় অতিরিক্ত ব্যয়ের চাপ ব্যবসায়ীদের ওপর পড়তে পারে।

সম্পর্কিত খবর