শিরোনাম
icon হাম উপসর্গে আরও ৪ জনের মৃত্যু icon রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের নতুন চালান icon শীতের সবজিতে স্বস্তি, মাছ-মাংসে বাড়তি খরচ icon যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি কমল ৪.৫ শতাংশ icon ৭ নভেম্বর পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা icon ৯ নভেম্বর বসছে মজুরি বোর্ডের দ্বিতীয় সভ icon হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১৩৯৬ icon প্রিমিয়াম জালিয়াতি, কার্গো বীমায় নিষিদ্ধ বিজিআইসি icon সাবেক মন্ত্রীসহ শতাধিক ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশনা icon লেনদেনের শীর্ষে শাহজিবাজার পাওয়ার icon দর বৃদ্ধির শীর্ষে জাহিন স্পিনিং icon দরপতনের শীর্ষে ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টস ব্লেন্ডার্স icon চুলের সাজে তরুণীর রূপে পূর্ণিমা icon ডেঙ্গুতে আরও ৭ মৃত্যু, আক্রান্ত ১,৫৯৬ icon যেসব এলাকায় জমায়েত নিষিদ্ধ ঘোষণা ডিএমপির icon শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস নয়: হুমায়ুন কবির icon ৩ মাসের জন্য বন্ধ গ্রীণ ডেল্টা ইন্স্যুরেন্সের ব্যবসা icon দুলামিয়া কটনের পর্ষদ সভা ১১ নভেম্বর icon ইন্ট্রাকোর পর্ষদ সভার নতুন তারিখ ১০ নভেম্বর icon সূচকের উত্থানে লেনদেন ৬৪৫ কোটি টাকা icon ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ icon আশুলিয়ায় ৩৫ কারখানায় ছুটি ঘোষণা icon ফারইস্ট নিটিংয়ের বোর্ড সভা ১১ নভেম্বর icon বিডি থাই ফুডের বোর্ড সভা ১৪ নভেম্বর icon সমতা লেদারের বোর্ড সভা ১০ নভেম্বর
down of head

ছয় মাসে ইসলামী ব্যাংকের লোকসান ১,৩১৬ কোটি টাকা

চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে (জানুয়ারি-জুন) বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি। আলোচ্য সময়ে ব্যাংকটি ১ হাজার ৩১৬ কোটি ৪৮ লাখ টাকা নিট লোকসান করেছে। আগের বছরের একই সময়ে সামান্য মুনাফা অর্জিত হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাধ্যমে প্রকাশিত ব্যাংকটির দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি লোকসান (ইপিএস) হয়েছে ৮ টাকা ১৮ পয়সা। এ সময়ে নিট লোকসানের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩১৬ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। আগের বছরের একই সময়ে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা ৪২ পয়সা হারে নিট মুনাফা হয়েছিল ৬৭ কোটি ৪০ লাখ টাকা।

এদিকে, চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৬ টাকা ৩৯ পয়সা। এ সময়ে নিট লোকসান হয়েছে ১ হাজার ২৮ কোটি ২৬ লাখ টাকা। আগের বছরের একই সময়ে ব্যাংকটি ৩৭ কোটি ৬৩ লাখ টাকা মুনাফা করেছিল। গত ৩০ জুন শেষে ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩৬ টাকা ৩ পয়সা।

ব্যাংকটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, একক ভিত্তিতে আগের একই সময়ের তুলনায় শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ৮ টাকা ৫৮ পয়সা কমেছে। এর প্রধান কারণ হলো আমানতের বিপরীতে মুনাফা (পিপিডি) বাবদ ব্যয় বৃদ্ধি, খেলাপি বিনিয়োগ বেড়ে যাওয়ায় বিনিয়োগ থেকে আয় কমে যাওয়া এবং অন্যান্য ব্যাংকে প্লেসমেন্ট থেকে আয় হ্রাস পাওয়া। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক নির্দেশনার আলোকে সম্পদের গুণগত মান উন্নয়ন, খেলাপি বিনিয়োগ আদায় জোরদার এবং আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এসব উদ্যোগ ভবিষ্যতে ব্যাংকটির আয় এবং শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ইতিবাচকভাবে বাড়াতে সহায়ক হবে বলে জানিয়েছে ব্যাংকটি।

এ ছাড়া, একক ভিত্তিতে শেয়ারপ্রতি নিট পরিচালন নগদ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) আগের একই সময়ের তুলনায় ৭ টাকা ৬৭ পয়সা কমেছে। ব্যাংকটির দাবি, ২০২৬ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকে আমানত কমে যাওয়ায় এ সূচক হ্রাস পেয়েছে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক নীতিগত অবস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আমানত সংগ্রহ জোরদার, পর্যাপ্ত তারল্য বজায় রাখা এবং পরিচালন নগদ প্রবাহ উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

সম্পর্কিত খবর