শিরোনাম
২৬ অক্টোবর জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীপতনে শেষ ডিএসইর লেনদেনপ্রবৃদ্ধি ৩.৪ শতাংশে নামার পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংকেরএশিয়ার বড় বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ছেনির্ধারিত দামে এলপিজি না মিললে ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাশিশুদের প্রতিভা বিকাশে সুযোগ দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রীমৌসুমি বায়ুর বিদায়, সাগরে লঘুচাপের আভাসডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৪৭ওয়াহাজের সঙ্গে ফারিয়ার নজরকাড়া সাজশাহজালালে ৬৩১ কার্টন সিগারেট জব্দরপ্তানি স্বাভাবিক, কমল তেলের দামস্টক এক্সচেঞ্জে সরাসরি কোম্পানি তালিকাভুক্তির বিধিনিষেধ প্রত্যাহারডেঙ্গুতে আরও ৯ মৃত্যু, ভর্তি ১,৯০২তুরস্কে বাংলাদেশের রপ্তানি দ্বিগুণমিউচুয়াল ফান্ডে এনএভি বিবেচনার আহ্বান বিএসইসির
down of head

এনজিও-সরকার-বেসরকারি খাতের অংশীদারিত্ব জরুরি: অর্থমন্ত্রী

এনজিও, বেসরকারি খাত ও সরকারের মধ্যে শক্তিশালী ও প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। একই সঙ্গে টেকসই অর্থায়ন নিশ্চিত করতে সময়াবদ্ধ পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (বিআইডিএস) সম্মেলন কক্ষে ‘বিদেশ নির্ভরতা পেরিয়ে: বাংলাদেশে এনজিও অর্থায়নের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশে উদ্ভূত বিভিন্ন সংকটের সমাধান ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। শুধু মানুষের কথা শোনা নয়, তাদের সমস্যার কার্যকর প্রতিক্রিয়া জানানো এবং সমাধানে কাজ করাই সরকারের লক্ষ্য।

তিনি বলেন, মানব উন্নয়ন, স্থানীয় সংস্কৃতি সংরক্ষণ ও বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে একটি সমন্বিত কাঠামো প্রয়োজন। সৃজনশীল অর্থনীতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এনজিও ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ইতোমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। এই অংশীদারিত্বকে আরও প্রাতিষ্ঠানিক ও নীতিগত রূপ দেওয়া প্রয়োজন।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সরকারের সেবা সরাসরি প্রান্তিক পর্যায়ে পৌঁছে দিতে এনজিওগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করে নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে এনজিওগুলোর টেকসই অর্থায়নের পথ সুগম করতে হবে।

দেশীয় ঐতিহ্য ও কারুশিল্পের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, শীতলপাটিসহ বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী পণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছে দিতে আধুনিক ডিজাইন, মূল্য সংযোজন ও কার্যকর বিপণনের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। স্থানীয় ঐতিহ্যকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করে নতুন বাজার তৈরি করা সম্ভব।

প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে চারটি বিষয় নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন অর্থমন্ত্রী। এগুলো হলো—ভ্যালু ফর মানি, বিনিয়োগের বিপরীতে রিটার্ন, কর্মসংস্থান বা উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং পরিবেশগত বিবেচনা ও সুরক্ষা।

তিনি বলেন, এসব শর্ত পূরণ না হলে কোনো প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হবে না। সরকারি অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নে অর্থনৈতিক ও সামাজিক সুফল বিবেচনায় নেওয়া জরুরি।

সেমিনারে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকী, পরিকল্পনা বিভাগের সচিব এস এম শাকিল আখতারসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

সরকারের সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক নীতিতেও সরকার, বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলোর যৌথ অংশীদারিত্বের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সম্পর্কিত খবর