শিরোনাম
down of head

অর্থবাংলায় প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রতিবাদ

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি:

গত ১৫ জানুয়ারি, ২০২৩ খ্রিঃ তারিখে অর্থবাংলা’র অনলাইন পোর্টালে “ আইডিআরএ তদন্ত দলের পর্যবেক্ষণ : সংকট কাটিয়ে উঠতে বেঙ্গল ইসলামী লাইফকে পরামর্শ” শীর্ষক প্রকাশিত প্রতিবেদেনর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।  আইডিআরএ-এর উদ্ধৃতি দিয়ে কোম্পানির ২ (দুই) বছরের পুরাতন প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। ২০১৩ সালে এনআরবি গ্লোবাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড আইডিআরএ কর্তৃক লাইসেন্স প্রাপ্ত হয়ে ৪র্থ প্রজন্মের কোম্পানি হিসেবে বাংলাদেশে বিমা ব্যবসা শুরু করে। পরবর্তীতে ২০২১ সালের ১ম কোয়ার্টারে কোম্পানির কার্যক্রম আরো বেগবান করার লক্ষ্যে কোম্পানির নাম পরিবর্তন করে “বেঙ্গল ইসলামি লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড” নামে তার কার্যক্রম নতুনভাবে শুরু করে।

দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর মধ্যে সুদ মুক্ত তাকাফুল পলিসির ব্যাপক চাহিদার প্রেক্ষিতে কোম্পানির নাম পরিবর্তন ও ইসলামিকীকরণ করা হয়। ইসলামি শরি’আহ্‌’র ভিত্তিতে কোম্পানি পরিচালনার জন্য ইসলামি ফিকাহ্ শাস্ত্রে বিশেষজ্ঞ দেশের খ্যাতনামা আলেম-ওলামাদের সমন্বয়ে কোম্পানির শরি’আহ্ বোর্ড গঠন করা হয়। শরি’আহ্ বোর্ড সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ শরি’আহ্ সম্মত উপায়ে বাস্তবায়নের জন্য কোম্পানি কর্তৃপক্ষ একাউন্টিং এন্ড অডিটিং অর্গানাইজেশন ফর ইসলামিক ফিন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনস (AAOIF), বাহরাইন কর্তৃক সার্টিফাইড একজন শরি’আহ্ কনসালট্যান্ট নিয়োগ দেয়। বেঙ্গল ইসলামি লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিঃ শরি’আহ্ বোর্ডের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ওয়াকালা-মুদারাবা হাইব্রিড মডেল অনুসরণ করে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো কাজ করছে। এই মডেলে কোম্পানির কার্যক্রম পরিচালনার ফলে কোম্পানির পরিকল্পসমূহ শরি’আহ্্ সম্মত উপায়ে ঢেলে সাজানো হয় এবং স্বচ্ছতার সাথে সকল কার্যক্রম পরিচালনার প্রেক্ষিতে তামাদি পলিসির হার অনেকাংশে কমে আসছে। এছাড়াও, তামাদির পলিসির হার হ্রাস করার নিমিত্তে কোম্পানি তার কাস্টমার কেয়ার বিভাগকে আরো শক্তিশালী করেছে এবং এ বিষয়ে মাঠ কর্মীদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ প্রদান চলমান রেখেছে।

কোম্পানির শুরু হতে ২০২১ পর্যন্ত মোট খরচের হার বেশী হলেও বর্তমানে ২০২৩ সালে এসে তা হ্রাস পেয়ে ৭৫% এ নেমে এসেছে। ২০২২ এবং ২০২৩ এ ব্যবসা প্রবৃদ্ধির হার হয়েছে যথাক্রমে ৪৮.৫৯% এবং ৩৩.২৫%। ২০২০, ২০২১, ২০২২ এবং ২০২৩ সালে বিনিয়োগ প্রবৃদ্ধির হার যথাক্রমে ৩.৬৪%, ২.৩৪%, ১৪.৭৭% এবং ৪৭.১০% হয়েছে। অর্থাৎ গত দুই বছরে কোম্পানির বিনিয়োগ প্রবৃদ্ধির হারের সূচক বেশ ঊর্ধ্বমুখি।

কোন বিমা কোম্পানির আর্থিক অবস্থা প্রতিফলিত হয় তার একচুয়ারিয়াল ভ্যালুয়েশন রিপোর্টের উপর। সেই হিসেবে বিগত ২ বছর অর্থাৎ ২০২১ এবং ২০২২ এর ভেল্যুয়েশন রিপোর্ট অনুযায়ী কোম্পানির মোট আর্থিক দায় থেকে লাইফ ফান্ড বেশী থাকায় একচুয়ারি কর্তৃক ২০২১ ও ২০২২ সালে পলিসি বোনাস (টার্মিনাল) যথাক্রমে হাজারে টাকা ৪০ (চল্লিশ) এবং টাকা ৪৫ (পয়তাল্লিশ) ঘোষণা করেন। উল্লেখ্য যে, ২০২৩ সালে কোম্পানির মোট প্রিমিয়াম আয় ছিল টাকা ৬০ কোটি এবং উক্ত বছর কোম্পানি মোট টাকা ৪.৯৮ কোটি মেয়াদোত্তর, সার্ভাইভাল বেনেফিট এবং মৃত্যু ও স্বাস্থ্য বিমার দাবি পরিশোধ করেছে। বছর শেষে কোম্পানির লাইফ ফান্ড দাঁড়ায় টাকা ১৮.৮৭ কোটি এবং মোট বিনিয়োগের পরিমাণ হয় টাকা ৩০ কোটি ।

বেঙ্গল ইসলামি লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড সম্পর্কে অর্থবাংলা’র অনলাইন পোর্টালে প্রকার্শিত সংবাদের কারণে সম্মানিত বিমা গ্রাহক, শুভানুধ্যায়ী ও সাধারণ জনগণের মাঝে যাতে কোন বিভ্রান্তি সৃষ্টি না হয় সে লক্ষ্যে উপরোক্ত তথ্য কোম্পানি কর্তৃক প্রকাশ করা হলো।

সম্পর্কিত খবর