শিরোনাম
icon অক্টোবরে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ল ৪.৩৯% icon রোজায় ১০ পণ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ছাড় icon প্রশিক্ষণে পাকিস্তান গেলেন ৩৪ সরকারি কর্মকর্তা icon আগামীকাল সংসদের চতুর্থ অধিবেশন শুরু icon কমলা রঙের শাড়িতে মায়াবী পূর্ণিমা icon ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৩ মৃত্যু, হাসপাতালে ২৩৩৩ icon ট্রাস্ট ইসলামী লাইফের লভ্যাংশ ও পলিসি বোনাস অনুমোদন icon যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ১০.১৬% icon মাথাপিছু বৈদেশিক ঋণে এগিয়ে বাংলাদেশ icon দরপতনের শীর্ষে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স icon দর বৃদ্ধির শীর্ষে মতিন স্পিনিং মিলস icon মিশ্র সূচকে লেনদেন ৫৫৮ কোটি টাকা icon সঠিক তথ্য না থাকলে স্বচ্ছতা আনা সম্ভব নয়: অর্থমন্ত্রী icon শেয়ারভিত্তিক আবাসন ব্যবসা বন্ধের দাবি icon সুগন্ধি চাল উৎপাদনে প্রণোদনা দেবে সরকার: খাদ্য প্রতিমন্ত্রী icon আমন মৌসুমে সাড়ে ৮ লাখ টন ধান-চাল কিনবে সরকার icon সিটি ইন্স্যুরেন্সের সাবেক এএমডি হাছান খানের ইন্তেকাল icon সড়ক দুর্ঘটনায় ৬ বছরে নিশ্চিহ্ন ৩০০ পরিবার icon সামিট পাওয়ারের বোর্ড সভা ১১ নভেম্বর icon সিলভা ফার্মার বোর্ড সভা ১২ নভেম্বর icon মোজাফ্ফর হোসেনের বোর্ড সভা ১১ নভেম্বর icon বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলসের বোর্ড সভা ১১ নভেম্বর icon তিতাস গ্যাসের বোর্ড সভা ১১ নভেম্বর icon বাংলাদেশে আসছেন ডাচেস সোফি icon বিডি কমের বোর্ড সভা ১১ নভেম্বর
down of head

অক্টোবরে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ল ৪.৩৯%

নিত্যপণ্যের বাজারে স্বস্তি ফিরছে না। সেপ্টেম্বরের পর অক্টোবর মাসেও বেড়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। সদ্যসমাপ্ত অক্টোবর মাসে ১৫ ধরনের পণ্যের দাম গড়ে ৪ দশমিক ৩৯ শতাংশ বেড়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে মাছের দাম। অন্যদিকে, শাকসবজি ও সোনা-রুপার দাম কিছুটা কমেছে।

ভোক্তা সংগঠন কনজুমারস ফোরামের (সিএফ) সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসের বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

সরেজমিনে বাজার পর্যবেক্ষণ করে সিএফ জানিয়েছে, অক্টোবর মাসে মাছের দাম বেড়েছে গড়ে ১১ দশমিক ৭২ শতাংশ। মসলাজাতীয় পণ্যের মধ্যে লবঙ্গ, এলাচ, দারুচিনি ও জিরার দাম বেড়েছে ১০ দশমিক ৩০ শতাংশ। পেঁয়াজ, রসুন ও আদার দাম বেড়েছে ৭ দশমিক ৭৯ শতাংশ। এ ছাড়া জ্বালানি তেলের দাম ৬ দশমিক ২০ শতাংশ, চিনির দাম ৪ দশমিক ৯৩ শতাংশ এবং ভোজ্যতেল ও ডালডার দাম ৪ দশমিক ৮০ শতাংশ বেড়েছে।

সিএফের পর্যালোচনা অনুযায়ী, চালের দাম বেড়েছে ২ দশমিক ৬২ শতাংশ এবং আটা-ময়দার দাম বেড়েছে ৩ দশমিক ২৫ শতাংশ। ডিমের দাম বেড়েছে ১ দশমিক ৪২ শতাংশ। এ ছাড়া মাংসের দাম ০ দশমিক ৩৮ শতাংশ এবং চায়ের দাম ০ দশমিক ১৪ শতাংশ বেড়েছে।

অন্যদিকে, সাত ধরনের পণ্যের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। এগুলো হলো লবণ, দুগ্ধজাত পণ্য, ব্রাশ-টুথপেস্ট, চানাচুর-বিস্কুট, ১১টি ব্র্যান্ডের নিত্যব্যবহার্য ওষুধ এবং খাতা-কলম। শাকসবজির দাম কমেছে ৩ দশমিক ১২ শতাংশ এবং সোনা-রুপার দাম কমেছে ৪ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

সিএফের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, শীতকালীন সবজি বাজারে আসতে শুরু করায় উৎপাদন এলাকায় এসব পণ্যের দাম অনেক কমেছে। যশোর, বগুড়া ও রংপুরের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সেখানে ফুলকপি ও বাঁধাকপি প্রতিটি ৬ থেকে ১২ টাকা, মূলা ৬ থেকে ৮ টাকা, লাউ ৮ থেকে ১০ টাকা এবং কলার হালি ৫ থেকে ৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

অথচ একই পণ্য ঢাকার বাজারে কয়েক গুণ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। রাজধানীতে ফুলকপি ও বাঁধাকপি প্রতিটি ৫০ টাকা, মূলা ৩০ টাকা, লাউ ৬০ টাকা এবং কাঁচকলার হালি ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সংগঠনটির হিসাবে, গত সেপ্টেম্বরে নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছিল ৩ দশমিক ১৩ শতাংশ। অক্টোবরে আরও ৪ দশমিক ৩৯ শতাংশ বৃদ্ধির ফলে দুই মাসে মোট মূল্যবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৫২ শতাংশ।

সিএফ মনে করে, এভাবে পণ্যের দাম বাড়তে থাকলে সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ বাড়বে। শুধু বেতন-ভাতা বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতির চাপ সামাল দেওয়া সম্ভব নয়। বাড়িভাড়া, শিক্ষা, চিকিৎসাসহ জীবনযাত্রার অন্যান্য ব্যয়ও মধ্য ও নিম্নমধ্যবিত্তের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে হবে। পাশাপাশি অতিমুনাফালোভী ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণে কার্যকর আইন প্রয়োগের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

ভোক্তা সংগঠনটির পক্ষ থেকে গ্রাম পর্যায়ে কৃষিপণ্যের উৎপাদন এবং ভোক্তা পর্যায়ে মূল্য সহনীয় রাখতে বাজার তদারকি জোরদারের আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে বাজার বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে পণ্যমূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছে সংগঠনটি।

উল্লেখ্য, কারওয়ান বাজার, রামপুরা, মেরাদিয়া, আফতাবনগরের ভূঁইয়া বাজার, মীনা বাজার ও স্বপ্ন সুপার শপ থেকে সরাসরি তথ্য সংগ্রহ করে এ প্রতিবেদন তৈরি করেছে সিএফ।

সম্পর্কিত খবর