শিরোনাম
icon বিবিএস ক্যাবলসের বোর্ড সভা ৯ নভেম্বর icon এমজেএলের বোর্ড সভা ১০ নভেম্বর icon রেইনউইক যজ্ঞেশ্বরের বোর্ড সভা ৯ নভেম্বর icon ডমিনেজ স্টিলের বোর্ড সভা ১০ নভেম্বর icon বৃহস্পতিবার মোংলা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী icon সিএফও নিয়োগ: আইডিআরএর নির্দেশনা নিয়ে প্রশ্ন icon দুই বছর পর বিও হিসাব সচলের সুযোগ icon এবার প্রিমিয়ার ব্যাংকের পর্ষদে তিন স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ icon কমার্স ব্যাংকের পর্ষদে দুই নতুন মুখ icon প্রগ্রেসিভ লাইফের বীমা ব্যবসা বন্ধ করেছে আইডিআরএ icon লভ্যাংশ প্রত্যাবাসন সহজ করল বাংলাদেশ ব্যাংক icon বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন icon হামের উপসর্গে ৬ মৃত্যু, শনাক্ত ১,৩১৮ icon বাংলাদেশে ৫ কোটি ৮০ লাখ কর্মী অনানুষ্ঠানিক খাতে icon চার মাসে রেমিট্যান্স বেড়েছে ১৪.৭ শতাংশ icon দর বৃদ্ধির শীর্ষে ওইমেক্স ইলেকট্রোড icon লেনদেনের শীর্ষে এনভয় টেক্সটাইলস icon সূচকের পতনে বেড়েছে লেনদেন icon জেএমআই সিরিঞ্জসের বোর্ড সভা ১২ নভেম্বর icon এটলাস বাংলাদেশের বোর্ড সভা ১০ নভেম্বর icon মেঘনা পেট্রোলিয়ামের বোর্ড সভা ১১ নভেম্বর icon বিএসআরএম স্টীলের বোর্ড সভা ১১ নভেম্বর icon খান ব্রাদার্সের বোর্ড সভা ১০ অক্টোবর icon রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় আটক ৫৪৯ icon আগামী বছর বাড়ছে বিদ্যুৎ সরবরাহ: প্রধানমন্ত্রী
down of head

জ্বালানি নিরাপত্তায় বড় পরিকল্পনা বিপিসির

দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে ২০২৬ থেকে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত ১০ বছরের বড় কর্মপরিকল্পনা নিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। পরিকল্পনায় তেল পরিশোধন সক্ষমতা বাড়ানো, জ্বালানি তেলের মজুত ৯০ দিনে উন্নীত করা, মহেশখালী-মাতারবাড়ীকে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা এবং এলপিজি আমদানি ও সংরক্ষণ সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্য রাখা হয়েছে।

বিপিসির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ইস্টার্ন রিফাইনারির আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে বার্ষিক পরিশোধন সক্ষমতা ১৫ লাখ টন থেকে বাড়িয়ে ৪৫ লাখ টনে উন্নীত করা হবে। পাশাপাশি ৮০ লাখ টন বার্ষিক সক্ষমতার রিফাইনারি-৩ স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে। মহেশখালীতে কম্পোজিট পেট্রোলিয়াম রিফাইনারি অ্যান্ড পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্স স্থাপনের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

জ্বালানি অবকাঠামো সম্প্রসারণে চট্টগ্রাম, মহেশখালী-মাতারবাড়ী, মোংলা ও এলেঙ্গায় এলপিজি আমদানি, সংরক্ষণ ও বটলিং সুবিধা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দরের বে-টার্মিনাল এলাকাতেও এলপিজি টার্মিনাল স্থাপনের উদ্যোগ রাখা হয়েছে।

পরিকল্পনার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো জ্বালানি তেলের মজুত সক্ষমতা বাড়ানো। আন্তর্জাতিক বাজারে সংকট, আমদানি বাধাগ্রস্ত হওয়া কিংবা জাহাজ চলাচলে বিঘ্নের মতো পরিস্থিতি মোকাবিলায় ৯০ দিনের জ্বালানি মজুত গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ জন্য চট্টগ্রাম, পার্বতীপুর, কুমিল্লা, মোংলা, গোদনাইল, ভৈরব ও সিলেটে নতুন স্টোরেজ ট্যাংক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। সিলেট ও বগুড়ায় নতুন ডিপো এবং পরবর্তী সময়ে ময়মনসিংহ ও ঈশ্বরদীতে ডিপো নির্মাণের উদ্যোগও রয়েছে।

এ ছাড়া দেশের জ্বালানি সরবরাহ ও বিপণন ব্যবস্থাকে ধাপে ধাপে অটোমেশনের আওতায় আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। পদ্মা অয়েল, মেঘনা পেট্রোলিয়াম ও যমুনা অয়েলের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে অটোমেশন চালুর পাশাপাশি দেশের সব ডিপোতে অটো গেজিং সিস্টেম স্থাপনের লক্ষ্য রয়েছে। এতে জ্বালানি প্রবেশ, মজুত ও সরবরাহের তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে।

বিপিসির সচিব শাহিনা সুলতানা বলেন, একাধিক স্থানে এলপিজি আমদানি ও সংরক্ষণ সুবিধা তৈরি হলে নির্দিষ্ট একটি অবকাঠামোর ওপর নির্ভরতা কমবে এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিকল্প সরবরাহব্যবস্থা তৈরি হবে।

বিপিসির চেয়ারম্যান ড. মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, “জ্বালানি সেক্টর নিয়ে আমার অতীত অভিজ্ঞতা রয়েছে। আমরা বাস্তবসম্মত এবং গোছানো পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছি। প্রথমে ৫ বছরের টার্গেট নিয়ে শুরু করব। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলছি এবং মিটিং করছি। আশা করি এ সেক্টরে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে।”

পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে দেশের জ্বালানি আমদানি, পরিশোধন, সংরক্ষণ, পরিবহন ও বিপণন ব্যবস্থায় সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি সরবরাহ বিঘ্নের ঝুঁকি মোকাবিলায় বিপিসির সক্ষমতা আরও বাড়বে।

সম্পর্কিত খবর