শিরোনাম
icon পেঁয়াজের উৎপাদন বেড়েছে, কমেছে আলু-গম icon কিউআর কোডে সরাসরি টাকা পাঠানোর সুযোগ icon টানা তিন মাস পোশাক রপ্তানি বাড়লো icon প্রাইজ বন্ডে মিলল ৬ লাখ টাকার বিজয়ী icon কারখানা চালু রাখা ও নিরাপত্তায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ icon দুই শিল্পাঞ্চলে ২৭৭ কারখানা বন্ধ icon ৪ দিন গ্যাসের চাপ কম থাকবে icon অক্টোবরেও রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক ধারা icon ডেঙ্গুতে আরও ৮ জনের মৃত্যু, ভর্তি ১৯২৯ icon লেনদেনের শীর্ষে মতিন স্পিনিং মিলস icon সেন্ট্রাল শরীয়াহ কাউন্সিলের বার্ষিক সাধারণ সভা icon গার্ডিয়ান লাইফের ৫০ কর্মকর্তাকে বিআইপিডির প্রশিক্ষণ প্রদান icon পতনে শুরু শেয়ারবাজারের সপ্তাহ icon ঢাকায় ২৪ ঘণ্টায় গ্রে*প্তা*র ৫০৫ জন icon এলডিসি ছাড়ে বাড়তি সময়, কৃতিত্ব দেখানোর পালা: সিপিডি icon ৩ নভেম্বর শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী সোলার এক্সপো icon লোকসানে ইসলামী ব্যাংক icon প্রিমিয়ার ব্যাংকের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ icon পিপলস ইন্স্যুরেন্সের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ icon শ্রমিকদের মজুরি বোর্ড গঠন icon হ্যালোইনে ভিন্ন রূপে অপু বিশ্বাস icon সিএফও নিয়োগ নিয়ে ৩ নভেম্বর বিআইএ’র বৈঠক icon গাজীপুর-মিরপুরে শ্রমিক বিক্ষোভ, যানজটে দুর্ভোগ icon ঢাকায় ৬ রুটে পরীক্ষামূলক বাস চালু icon পর্যটকদের জন্য খুললো সেন্টমার্টিন
down of head

রাজধানীর সড়কে সাড়ে ৬ বছরে ১,৩৮৪ প্রাণহানি

গত সাড়ে ছয় বছরে রাজধানী ঢাকায় ১ হাজার ৮৪৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১ হাজার ৩৮৪ জন নিহত এবং ২ হাজার ৪৮৮ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রয়েছেন পথচারী ও মোটরসাইকেল আরোহী।

শনিবার (১ আগস্ট) রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমানের পাঠানো প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা যায়। প্রতিবেদনে ২০২০ সাল থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত সড়ক দুর্ঘটনার তথ্য তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে ১ হাজার ৩৪ জন পুরুষ, ২১৯ জন নারী এবং ১৩১ জন শিশু। নিহতদের ৪২ দশমিক ৭৭ শতাংশ পথচারী, ৩৮ দশমিক ৭২ শতাংশ মোটরসাইকেল আরোহী এবং ১৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ বাস, রিকশা, সিএনজি ও অন্যান্য যানবাহনের চালক ও যাত্রী ছিলেন।

দুর্ঘটনার সময় বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে রাতে। মোট নিহতের ৩৭ দশমিক ৫০ শতাংশ রাতের দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন। এ ছাড়া, সকালে ১৮ দশমিক ৬৪ শতাংশ, দুপুরে ১৪ দশমিক ৮ শতাংশ, বিকেলে ১২ দশমিক ৫৭ শতাংশ, ভোরে ১০ দশমিক ২৬ শতাংশ এবং সন্ধ্যায় ৬ দশমিক ৯৩ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজধানীর সড়ক দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহনের মধ্যে ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, পিকআপ, ট্যাংকার ও ময়লাবাহী ট্রাকের হার ৩৩ দশমিক ২৫ শতাংশ। এরপর মোটরসাইকেল ২৬ শতাংশ, বাস ২১ দশমিক ৭৫ শতাংশ, অটোরিকশা-সিএনজি-লেগুনা ১২ দশমিক ৭৩ শতাংশ এবং মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার ও জিপ ৬ দশমিক ২৫ শতাংশ।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের মতে, রাতে রাজধানীতে ভারী যানবাহনের বেপরোয়া চলাচল, দীর্ঘ যানজটের কারণে চালকদের অসহিষ্ণুতা, অপ্রতুল সড়ক, একই সড়কে বিভিন্ন গতির যানবাহনের চলাচল, ফুটপাত দখল এবং নিরাপদ পারাপার ব্যবস্থার ঘাটতি দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ। যাত্রাবাড়ী, ডেমরা, মোহাম্মদপুর, কুড়িল বিশ্বরোড ও বিমানবন্দর সড়ককে দুর্ঘটনার হটস্পট হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরিস্থিতি উন্নয়নে রুট রেশনালাইজেশনের মাধ্যমে কোম্পানিভিত্তিক বাস সার্ভিস চালু, পাশাপাশি বিআরটিএ, বিআরটিসি, ডিটিসিএ, সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক পুলিশের সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারের সুপারিশ করেছে সংগঠনটি।

সম্পর্কিত খবর