শিরোনাম
৯২% পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেবে যুক্তরাজ্যফারইস্ট ইসলামী লাইফের জমি দখলের অভিযোগদেলোয়ারের বিরুদ্ধে কঠোর হচ্ছে আইডিআরএব্যাংকিং অ্যাপ ব্যবহারকারী বেড়েছে ১ কোটি ৩৮ লাখদেড় ঘণ্টায় ৩ ভূমিকম্প, কাঁপল দেশমেসির বিদায়ী ম্যাচের আগে আর্জেন্টিনার ৭ গোলবিশ্ব অর্থনীতির ভারসাম্য এশিয়ার দিকে: সিপিডি চেয়ারম্যান৩-৪ গুণ দামে জ্বালানি কিনতে বাধ্য হচ্ছি: তথ্যমন্ত্রীহামে আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১১৫৩ডিএসইতে পিই রেশিও কমেছে দশমিক ৭৯ শতাংশশাহজালালে আড়াই কোটির স্বর্ণ-সিগারেট আটকমাল্টার অস্বাভাবিক দামে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ বাণিজ্যমন্ত্রীরবিডিনিউজের প্রধান সম্পাদক আর নেইময়মনসিংহে সিএনজিকে বাসের ধাক্কা, শিশুসহ নিহত ৭দেশে ভূমিকম্প অনুভূত
down of head

বীমায় আস্থা ফেরাতে প্রযুক্তির উন্নয়ন আবশ্যক

দেশের বীমা খাতের প্রতি গ্রাহকদের আস্থা ফেরাতে এ খাতের প্রযুক্তিগত উন্নতি দরকার বলে মনে করেন এ খাতের বিশেষজ্ঞরা।

তারা বলছেন, কোম্পানিগুলো পলিসির যেসব তথ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে জমা করেন সেগুলোর সাথে সফটওয়ারে আপলোড করা তথ্যের গরমিল থাকে।

কোম্পানিগুলো প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত হলে গরমিল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না, এতে বাড়বে গ্রাহকের আস্থা।

বীমা খাতের সাংবাদিকদের সংগঠন ইন্স্যুরেন্স রিপোর্টার্স ফোরামের (আইআরএফ) উদ্যোগে সাভারের শক্তি ট্রেনিং অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারে ‘বীমা খাতের আধুনিকায়নে প্রযুক্তির ব্যবহার’ শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির সাবেক সিইও এস এম জিয়াউল হক।

এছাড়া দুয়ার সার্ভিসেস পিএলসির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন শাহনেওয়াজ দুর্জয়,

ছিলেন ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসানও।

কর্মশালায় বক্তারা বলেন, ব্যাংকিং খাত প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত। এখন কোনো একটি ব্যাংক অন্যায় করলে বাংলাদেশ ব্যাংক তা সাথে সাথে চিহিৃত করতে পারে। কিন্ত বীমা খাত এখনও সে পর্যায়ে যেতে পারেনি। ফলে বীমা কোম্পানিগুলো গ্রাহকের পাওনা পরিশোধ না করলেও কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিক কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে না। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) প্রযুক্তিগতভাবে কোম্পানিগুলো সুসংবন্ধ করার চেষ্টা করলেও কিছু কোম্পানির অসহযোগিতার কারণে সেটি বাস্তবায়ণ হচ্ছে না।

তারা বলেন, বীমা খাতকে প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত করা সম্ভব হলে- গ্রাহক প্রিমিয়াম জমার সঙ্গে সঙ্গে তার তথ্য পাবেন। এতে একদিকে যেমন বীমার প্রতি গ্রাহকদের আস্থা বাড়বে, অন্য দিকে এ খাতে শৃঙ্খলা ফিরবে।

কর্মশালায় দুয়ার সার্ভিসেসর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দুয়ারের মাধ্যমে বীমা গ্রাহক সেবা সহজতর ও বীমা খাতের সার্বিক মান উন্নয়নে ১০টি কেন্দ্রীয় ডিজিটাল সিস্টেম সমৃদ্ধ ইন্স্যুরেন্স ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (আইআইএমএস) বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

উন্নত বিশ্বের ন্যায় কেন্দ্রীয় পলিসি ডিপোজিটরি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, যার মাধ্যমে সকল বীমা পলিসির তথ্য সংরক্ষণ করা হচ্ছে এবং গ্রাহকেদের বীমা দাবি সঠিক সময়ে প্রদান করা হচ্ছে কি না তা তদারকি করা সম্ভব হচ্ছে।

প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আইআইএমএস বাস্তবায়ন করার ফলে এখন অনেক বীমা কোম্পানি বাধ্য হচ্ছে তাদের অভ্যন্তরীন আইটি অবকাঠামো আরো শক্তিশালী করতে।

দুয়ারের মাধ্যমে গ্রাহক প্রিমিয়াম জমাদানের তথ্য অ্যাপ, বীমা পলিসি অন-বডিং বা দ্রুত পলিসি চালু করার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ই-কেওআইসি সিস্টেম এবং প্রিন্টেড কাগজের ব্যবহারের বদলে ই-রিসিপ্ট সিস্টেম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করে আইআরএফের সভাপতি গাযী আনোয়ার।

সম্পর্কিত খবর