শিরোনাম
icon শীতের সবজি বাজারে, বিপাকে ক্রেতারা icon নভেম্বরেও অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের দাম icon ঠাকুরগাঁওয়ে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল জয়ী icon স্বাস্থ্যবীমার দাবি পরিশোধ করল বেঙ্গল ইসলামী লাইফ icon যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের পিএইচপি শিপব্রেকিং ইয়ার্ড পরিদর্শন icon ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৬ মৃত্যু, ভর্তি ১,৮৮৬ জন icon প্রকৃতি পুনরুদ্ধারে ২৯৬ বিলিয়ন ডলার অর্থায়নের তাগিদ icon হঠাৎ কনের সাজে সাদিয়া আয়মান icon হামের উপসর্গে ৭ মৃত্যু, হাসপাতালে ১,৩১৫ জন icon পে-স্কেলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ৮ নির্দেশনা icon লেনদেনের শীর্ষে প্রাইম ব্যাংক icon সূচকের পতনে লেনদেন ৫৬৪ কোটি টাকার icon চট্টগ্রাম বন্দরে পাকিস্তানি ১০ কনটেইনার তামাক আটক icon জাপান সফর শেষে রাতে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী icon ইউনিক হোটেলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon এস্কয়ার নিটের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ভিএফএস থ্রেডের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ফার কেমিক্যালের লভ্যাংশ ঘোষণা icon বেতন বৃদ্ধির দাবিতে রাজধানীতে শ্রমিক আন্দোলন icon জিবিবি পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon এসিআইয়ের লভ্যাংশ ঘোষণা icon হানিফের মৃত্যুদণ্ড, খান-আলী-আতার আমৃত্যু কারাদণ্ড icon সংকটে তাঁতশিল্প, বন্ধ প্রায় ১ লাখ তাঁত icon আইএমএফের ডিএমডি হচ্ছেন চীনা উপমন্ত্রী icon ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫২৫
down of head

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের অগ্রগতি নিয়ে সদুত্তর দিতে পারেনি মন্ত্রণালয়: এ কে মোমেন

সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, নির্বাচনের আগে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু করা যায়নি। কারণ, কিছু বিদেশি প্রতিষ্ঠান বলেছিল, রাখাইন এলাকাগুলোতে অনিশ্চয়তা আছে। তারা তখন একটু বাধা দিল। এটার সঙ্গে যারা সম্পৃক্ত তারাও ওই কথায় নাচলেন। ফলে সেই কাজটা আর হয়নি।

শুক্রবার ন্যাম ভবনে নিজ বাসায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কে আব্দুল মোমেন এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, এখনতো অন্যরকম অবস্থা হয়ে দাড়িয়েছে। কিন্তু দ্বিপক্ষীয়ভাবে বিষয়টা সমাধানের জন্য পদ্ধতিটা চালু করেছিলাম। সেটি এখনো চলমান আছে। তবে কতদূর অগ্রগতি হয়েছে, এই মুহূর্তে আমি জানি না। এই বিষয়ে আমরা জিজ্ঞাসা করেছি, তারা (মন্ত্রণালয়) কেউ এ বিষয়ে সদুত্তর দিতে পারেননি।

এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। কমিটির সভাপতি এ. কে আব্দুল মোমেনের সভাপতিত্বে বৈঠকে আরও অংশ নেন কমিটির সদস্য ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, শাহরিয়ার আলম, নাহিম রাজ্জাক, নিজাম উদ্দিন জলিল (জন), নুরুল ইসলাম নাহিদ, হাবিবুর রহমান, সাইমুম সারওয়ার কমল ও জারা জাবীন মাহবুব।

এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘আমাদের অনেক দেশে মিশনে রাষ্ট্রদূতদের টেলিফোন আছে। উনি ওখান থেকে বদলি হয়ে গেলে টেলিফোনটা সঙ্গে করে নিয়ে যান। এর ফলে অনেক লোক টেলিফোনে পান না। এজন্য আমরা বলেছি, প্রত্যেক মিশনে ইউনিক সেলফোন থাকতে হবে। ওই মিশনের রাষ্ট্রদূতদের একটি ইউনিক সেল ফোন থাকলে সাধারণ জনগণের যোগাযোগ করতে সহজ হবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা গত নির্বাচনের আগে দেখেছি আমাদের স্টেকহোল্ডার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কটা গভীর নয়। সে জন্য আমরা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে প্রস্তাব দিয়েছি যে আমাদের গুরুত্বপূর্ণ স্টেকহোল্ডার দেশের আইন প্রণেতাদের সঙ্গে যোগসূত্র স্থাপন করা। আমাদের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সঙ্গে অন্যান্য দেশের কমিটির সঙ্গেও সম্পর্ক স্থাপন করা। আর বিদেশি মেহমানরা এলে, তাদের নিয়ে সংসদীয় কমিটির সঙ্গে মিটিংয়ের ব্যবস্থা করার কথা বলেছি।’

মোমেন বলেন, ‘গত নির্বাচনের আগে মানবাধিকার ইস্যুতে খুব হইচই হতে দেখেছি। ভবিষ্যতেও হয়তো এসব ইস্যুতে হইচই করার সম্ভাবনা আছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে মানবাধিকার সংশ্লিষ্ট উইং করার প্রয়োজন আছে কিনা সেটা যাচাইবাছাই করার প্রস্তাব দিয়েছি। তারা যাচাই বাছাই করে এর প্রয়োজন আছে কিনা এবং অন্যান্য দেশে এ ধরনের উইং আছে কিনা সেটা জানাবেন।

সম্পর্কিত খবর