শিরোনাম
icon আস্থা লাইফের ২৮ লাখ টাকার বীমা দাবি নিষ্পত্তি icon প্রোটেক্টিভ ইসলামী লাইফের ৫ লাখ টাকার মৃত্যুদাবির চেক হস্তান্তর icon রমজানের আগে নিত্যপণ্যের আমদানি ও এলসি বৃদ্ধি icon জনতা, অগ্রণী ও বেসিক ব্যাংকে নতুন এমডি icon ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, ভর্তি ২২১৮ icon লেনদেনের শীর্ষে প্রাইম ব্যাংক icon হাম উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু icon ঢাকা ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ২৯ অক্টোবর icon মনোস্পুল পেপারের বোর্ড সভা ৯ নভেম্বর icon মাগুরা মাল্টিপ্লেক্সের বোর্ড সভা ৯ নভেম্বর icon ৯৯৯ টাকা দেনমোহরে সুজাত শিমুলের বিয়ে icon ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon ইসলামী কমার্শিয়াল ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon সূচকের পতনে চলছে লেনদেন icon এমটিবি’র ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন icon জন্মদিনের ভিডিওতে অবাক ভক্তরা icon জাপানের ৬৩৫ কোটি ডলারের বিনিয়োগ উদ্যোগ বাংলাদেশে icon ফনিক্স ফাইন্যান্সের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon নর্দান ইসলামী ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ২৯ অক্টোবর icon বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম icon ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৬৬২ icon চার দিনের সফরে জাপান পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী icon গোলাপি আভায় জয়া আহসান icon জাপানে পোশাক রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধির ইঙ্গিত icon রোমানিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে তারেক রহমানের অভিনন্দন
down of head

কৃষি ব্যাংক কর্মকর্তার ৭৬ লাখ টাকা আত্মসাত

১২ জন গ্রাহকের ৭৬ লাখ ৪২ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে কৃষি ব্যাংকের একজন কর্মকর্তাকে সোমবার রাতে আটক করেছে পুলিশ। তিনি জামালপুরের মেলান্দহ বাজার শাখা কৃষি ব্যাংকের দ্বিতীয় কর্মকর্তা মো. মাসুদুর রহমান।

ব্যাংকটির ময়মনসিংহ বিভাগীয় অডিট কর্মকর্তা পান্না লাল কর্মকারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি দল কৃষি ব্যাংক মেলান্দহ বাজার শাখায় গিয়ে গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পায়।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে ব্যাংকে গিয়ে জানা যায়, মো. রফিকুল ইসলাম নামের দুবাইপ্রবাসী এক ব্যক্তির মেলান্দহ শাখায় একটি সঞ্চয়ী হিসাব রয়েছে। গত রোববার সকালে ওই ব্যক্তি তাঁর হিসাবে মোট কত টাকা জমা আছে, তা জানতে চান। ব্যাংক থেকে তাঁকে জানানো হয়, তাঁর হিসাবে কোনো টাকা নেই। ওই ব্যক্তির হিসাবে তাঁর ২১ লাখ টাকা জমা থাকার কথা। হিসাবে কোনো টাকা নেই শুনে ওই দিন বেলা দুইটার দিকে তিনি মেলান্দহ কৃষি ব্যাংক বাজার শাখায় যান এবং লিখিতভাবে বিষয়টি ওই শাখার ব্যবস্থাপক মো. শফিকুল ইসলামকে জানান।
এ সময় শাখা ব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম দ্বিতীয় কর্মকর্তা মাসুদুর রহমানের কাছে বিষয়টি জানতে চান। ওই গ্রাহকের হিসাবে কোনো টাকা না থাকার বিষয়ে মাসুদুর রহমান কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। পরে তাৎক্ষণিকভাবে মাসুদুর রহমানকে ব্যাংকের স্টোর রুমে আটকে রাখা হয়। পরে আরও বেশ কয়েকজন গ্রাহকের হিসাবে টাকার বড় অঙ্কের গরমিল ধরা পড়ে।

বিষয়টি কৃষি ব্যাংকের ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয়ে জানানো হয়। গতকাল বিকেলে ময়মনসিংহ বিভাগীয় মহাব্যবস্থাপক মো. দিদারুল আলম মজুমদারের নেতৃত্বে চার সদস্যদের একটি দল মেলান্দহে পৌঁছে গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের ঘটনার প্রাথমিক তদন্তকাজ শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে টাকা আত্মসাতের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ব্যাংকটির দ্বিতীয় কর্মকর্তা মাসুদুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। প্রাথমিকভাবে ১২ জন গ্রাহকের হিসাব থেকে ৭৬ লাখ ৪২ হাজার টাকা অন্য কোনো ব্যাংকের হিসাবে স্থানান্তর করে তিনি আত্মসাৎ করেছেন বলে নিশ্চিত হন ওই কর্মকর্তারা।

কৃষি ব্যাংক মেলান্দহ বাজার শাখার ব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘গত মার্চ মাসে মাসুদুর রহমান এই শাখার দ্বিতীয় কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। প্রথম দিকে হিসাবের কোনো গরমিল ধরা পড়েনি। গত রোববার একজন গ্রাহকের মাধ্যমে বিষয়টি আমার নজরে আসে। এই বছরের ৩০ মে থেকে এই মাসের ১১ তারিখ পর্যন্ত ব্যাংকের ১২ জন গ্রাহকের হিসাব থেকে বিভিন্ন ব্যাংকের পাঁচটি হিসাবে ৭৬ লাখ ৪২ হাজার টাকা অনলাইনের মাধ্যমে স্থানান্তর করেন এবং ওই টাকা তিনি আত্মসাৎ করেন। প্রাথমিক তদন্তে এসব টাকার অঙ্ক বের হয়েছে। আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করবে। এতে পুরো বিষয়ে পরিষ্কার হওয়া যাবে। তবে যেসব গ্রাহকের টাকা বেহাত হয়েছে, ব্যাংক ওই সব গ্রাহকের টাকা ফেরত দেবে। এ ব্যাপারে আমি নিজে থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছি এবং মাসুদুর রহমানকে থানায় সোপর্দ করেছি।’

মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল ইসলাম খান বলেন, ‘গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। সেটি আমরা সাধারণ ডায়েরিতে অন্তর্ভুক্ত করেছি। কারণ, এই অভিযোগটি দুদক তদন্ত করবে। অভিযোগটি আমরা দুদকের টাঙ্গাইল কার্যালয়ে প্রেরণ করেছি। পুরো মামলার বিষয়টি দুদকের। আসামিকে আমরা দুদকের মাধ্যমে কারাগারে পাঠাব।’

সম্পর্কিত খবর