শিরোনাম
icon গোলাপি আভায় জয়া আহসান icon জাপানে পোশাক রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধির ইঙ্গিত icon রোমানিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে তারেক রহমানের অভিনন্দন icon বিমানের রিয়াদ-দাম্মাম ফ্লাইট ৪ নভেম্বর পর্যন্ত বন্ধ icon ডেঙ্গুতে আরও ৭ মৃত্যু, আক্রান্ত ২,২৪৯ icon ১ নভেম্বর খুলছে সেন্টমার্টিন icon গোলাপি জার্সিতে পাকিস্তান icon কম দামে এলএনজি কিনবে সরকার icon সূচকের পতন, লেনদেন ৪৩০ কোটি টাকা icon গ্যাস সংকটে আবারও বন্ধ যমুনা সার কারখানা icon ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকোর বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon আফতাব অটোর বোর্ড সভা ২৯ অক্টোবর icon ওয়াটা কেমিক্যালের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon মেঘনা সিমেন্টের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon রহিমা ফুডের বোর্ড সভা ২৭ অক্টোবর icon অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon সাইবার হামলায় জনতা ব্যাংকের ওয়েবসাইট icon বসুন্ধরা পেপারের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমসের বোর্ড সভা ২৭ অক্টোবর icon সামিট পাওয়ারের বোর্ড সভা ২৭ অক্টোবর icon সাইনপুকুর সিরামিকসের বোর্ড সভা ২৯ অক্টোবর icon ইউনিক হোটেলের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon ইন্দো-বাংলা ফার্মার বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon বেক্সিমকো ফার্মার বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর
down of head

আট হাজার টাকায় এক লাখের কড়কড়ে নোট

প্রিন্টারে এভাবে নিখুঁতভাবে জাল নোট তৈরি করা হয়। এমন একটি চক্রের ছয়জনকে গতকাল সোমবার রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর চর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে ডিবি।

মাত্র আট থেকে ১০ হাজার টাকা খরচ করতে হয়। আর তাতেই পাওয়া যায় এক লাখ টাকা। তবে এসব নোট আসল নয়, জাল নোট। একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে জাল টাকার নিখুঁত নোট তৈরি করে বাজারে ছড়িয়ে দিত।

জাল টাকার নোট তৈরির সঙ্গে জড়িত এমনই একটি চক্রের ছয়জনকে রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর চর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। এরা হলেন সাইফুল ইসলাম (৩১), গিয়াস উদ্দিন (৩৬), আজহার আলী (৩৯), মো. আসিফ (২৭), জীবন বেপারী (২৯) ও ফোরকান (২৭)।

গতকাল সোমবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে কামরাঙ্গীরচরের নবীনগর প্রধান সড়কে আরকে টাওয়ারের ছয় তলার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে এদের গ্রেপ্তার করা হয়। ডিবির (উত্তর) সহকারী কমিশনার (এসি) শাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানের সময় ওই ফ্ল্যাট থেকে বাংলাদেশের ৫০ লাখ টাকার জাল নোট, জাল নোট তৈরির কাজে ব্যবহৃত দুটি ল্যাপটপ, চারটি প্রিন্টারসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

ডিবির এসি শাহিদুল ইসলাম জানান, জাল নোট তৈরির পর এই চক্রের মূল হোতা সাইফুল ইসলাম প্রথমে পাইকারি বিক্রেতার কাছে প্রতি এক লাখ টাকার জাল নোট আট থেকে ১০ হাজার টাকায় বিক্রি করতেন। পাইকারি বিক্রেতারা প্রতি লাখে তিন থেকে পাঁচ হাজার টাকা লাভে বিক্রি করে দেন। দ্বিতীয় পর্যায়ের বিক্রেতারা প্রতি এক লাখ টাকার জাল নোট ১২ হাজার থেকে ১৫ টাকায় কিনে সেটি খুচরা বিক্রেতাদের কাছে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকায় বিক্রি করতেন। এভাবে খুচরা বিক্রেতারা জাল নোটের মূল্যমান আসল টাকার সমান করে বাজারে ছড়িয়ে দেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাইফুল ইসলাম ও জীবন বেপারী ডিবিকে জানান, ২০১০ সালে রশিদ নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে জাল নোট তৈরির কৌশল শিখে নেন সাইফুল। সাইফুলের তৈরি জাল নোটের ডিলার হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন জীবন বেপারী।

ডিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়, গ্রেপ্তার ছয়জনের বিরুদ্ধে কামরাঙ্গীরচর চর থানায় মামলা হয়েছে।

সম্পর্কিত খবর