হাইকোর্টের অনুমোদন পায়নি আরএন স্পিনিং
কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের কারণে আর্থিক লোকসান কমাতে পরিশোধিত মূলধন কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি আরএন স্পিনিং মিলস লিমিটেড। ২০২০ সালের মাঝামাঝি সময়ে নেয়া ওই সিদ্ধান্ত পরবর্তী সময়ে কোম্পানিটির ইজিএম অনুমোদনও পায়। তবে এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে হাইকোর্টের অনুমোদন পায়নি বস্ত্র খাতের কোম্পানিটি। স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পরিশোধিত মূলধন কমানোর পাশাপাশি এ বছরের শুরুতেই সামিন ফুড অ্যান্ড বেভারেজ ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যান্ড টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডের সঙ্গে একীভূতকরণের খসড়া স্কিমে অনুমোদন দেয় আরএন স্পিনিং মিলসের পরিচালনা পর্ষদ। হাইকোর্ট বিভাগ ও নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) অনুমোদন পাওয়ার পর এই একীভূতকরণ চূড়ান্ত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এ দুটি প্রক্রিয়া একসঙ্গে বাস্তবায়ন করা সম্ভব না উল্লেখ করে পরিশোধিত মূলধন কমানোর সিদ্ধান্তে অনুমোদন দেননি হাইকোর্ট।
পরিশোধিত মূলধন কমানোর সিদ্ধান্ত অনুসারে, বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডারদের প্রতি সাতটি শেয়ারের বিপরীতে একটি করে শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে পরিশোধিত মূলধন কমাতে চায় আরএন স্পিনিং। বর্তমানে কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ৩৯২ কোটি ৫৪ লাখ ৪৮ হাজার ৩৪০ টাকা এবং শেয়ার সংখ্যা ৩৯ কোটি ২৫ লাখ ৪৪ হাজার ৮৩৪। আর প্রস্তাবিত মূলধন কমানোর পরিকল্পনা অনুসারে, কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ দাঁড়াবে ৫৬ কোটি ৭ লাখ ৭৮ হাজার ৩৩০ টাকা এবং শেয়ার সংখ্যা ৫ কোটি ৬০ লাখ ৭৭ হাজার ৮৩৩।
দীর্ঘদিন ধরে লোকসানে রয়েছে আরএন স্পিনিং। সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২১-২২ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৬ পয়সা। যেখানে আগের হিসাব বছরের একই সময়ে লোকসান ছিল ১২ পয়সা। অন্যদিকে দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) লোকসান হয়েছে ৩ পয়সা। আগের হিসাব বছরে যেখানে লোকসান ছিল ৬ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৯ পয়সায়।


