শিরোনাম
icon গোলাপি আভায় জয়া আহসান icon জাপানে পোশাক রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধির ইঙ্গিত icon রোমানিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে তারেক রহমানের অভিনন্দন icon বিমানের রিয়াদ-দাম্মাম ফ্লাইট ৪ নভেম্বর পর্যন্ত বন্ধ icon ডেঙ্গুতে আরও ৭ মৃত্যু, আক্রান্ত ২,২৪৯ icon ১ নভেম্বর খুলছে সেন্টমার্টিন icon গোলাপি জার্সিতে পাকিস্তান icon কম দামে এলএনজি কিনবে সরকার icon সূচকের পতন, লেনদেন ৪৩০ কোটি টাকা icon গ্যাস সংকটে আবারও বন্ধ যমুনা সার কারখানা icon ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকোর বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon আফতাব অটোর বোর্ড সভা ২৯ অক্টোবর icon ওয়াটা কেমিক্যালের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon মেঘনা সিমেন্টের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon রহিমা ফুডের বোর্ড সভা ২৭ অক্টোবর icon অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon সাইবার হামলায় জনতা ব্যাংকের ওয়েবসাইট icon বসুন্ধরা পেপারের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমসের বোর্ড সভা ২৭ অক্টোবর icon সামিট পাওয়ারের বোর্ড সভা ২৭ অক্টোবর icon সাইনপুকুর সিরামিকসের বোর্ড সভা ২৯ অক্টোবর icon ইউনিক হোটেলের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon ইন্দো-বাংলা ফার্মার বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon বেক্সিমকো ফার্মার বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর
down of head

বাংলাদেশের কুকুর রান্না হচ্ছে ভারতের হোটেলে!

 

দেশের সীমান্তবর্তী খাগড়াছড়ি জেলার দীঘিনালার বিভিন্ন এলাকা থেকে কুকুর পাচার হচ্ছে ভারতে। এসব কুকুর ভারতের মিজোরামে বিক্রি হচ্ছে প্রতিটি ৬ থেকে ৭ হাজার টাকায়।

উদ্ভুত পরিস্থিতে মিজোরাম সরকার সেখানে কুকুর বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে। তবে তাতে বাংলাদেশ থেকে কুকুর পাচার বন্ধ হচ্ছে না। পাহাড়ি এলাকার হাটসহ বিভিন্ন এলাকায় ফাঁদ পেতে কুকুর শিকার করছে একটি চক্র।
কুকুরগুলো সনাতনী ফাঁদে আটকানোর পর সরু তার দিয়ে মুখ বেঁধে দেয়া হয়। এ ছাড়া প্রতিটি কুকুরের গলায় আটকে দেয়া হয় শুকনো বাঁশ।

খাগড়াছড়ির দীঘিনালার বোয়ালখালি বাজার, বাবুছড়া, থানা বাজার থেকে বেশি কুকুর ধরা হয়। কুকুর শিকারিরা হাটে ঘুরে ঘুরে কুকুর ধরে। এসব কুকুর মিজোরামের বিভিন্ন হোটেল ব্যবসায়ী কিনে তার মাংস রান্না করেন বলে জানা গেছে।

গত বুধবার দীঘিনালা থেকে ৩৫টি কুকুর ধরে নিয়ে যায় ৫ কুকুর শিকারি। দীঘিনালার বাবুছড়া বাজার থেকে এ সব কুকুর শিকার করা হয়। কুকুরগুলো রাঙ্গামাটির মাইনী বাজার হয়ে কাপ্তাই হৃদ দিয়ে মিজোরামে নেয়া হয়। কুকুরগুলো নিয়ে যাওয়ার সময়কার ছবি সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

এ বিষয়ে পিপলস ফর অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ারের প্রতিষ্ঠাতা রাকিবুল হক এমিল গণমাধ্যমকে বলেন, বাংলাদেশ প্রাণিকল্যাণ আইন ২০১৯ মতে মালিকবিহীন কুকুর হত্যা বা অপসারণ করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। যার সাজা ৬ মাস জেল এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা।

দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ উল্ল্যাহ গণমাধ্যমকে জানান, বিষয়টি আমি ফেসবুকে দেখেছি। এরপর কোনো শিকারি সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য থাকলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব।
খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস এ ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করে গণমাধ্যমকে জানান, এই বিষয়টি আমি প্রথম শুনেছি। কোনো প্রাণীর সঙ্গে নিষ্ঠুর আচরণ করা যাবে না। এই বিষয়ে খোঁজ নিচ্ছি।

সম্পর্কিত খবর