শিরোনাম
২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা, চড়া ইলিশের দামবৈদেশিক ঋণের টাকা এফসি হিসাবে রাখার সুযোগসেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮ দশমিক ৩৪ শতাংশডেঙ্গুতে ৮ মৃত্যু, ভর্তি ১,৮৬০দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের ছুটি, প্রজ্ঞাপন জারিইন্দোনেশিয়ায় রপ্তানি বাড়াতে চায় বাংলাদেশবিডি ল্যাম্পসের বোর্ড সভা ১৪ অক্টোবরসূচকের উত্থানে চলছে লেনদেনওয়াইম্যাক্স ইলেকট্রোডের বোর্ড সভা ১৫ অক্টোবরকোটি টাকা ইস্যুতে আসলামের নিয়োগ বাতিল!বীমা দাবির চেক দিয়েছে এনআরবি লাইফডিজিটাল প্রতারণা শনাক্তে এআই ব্যবহারের ওপর জোর ডিএসই চেয়ারম্যানেরডেঙ্গুতে আরও ১০ মৃত্যু, ভর্তি ১,৯৯৬২৬ অক্টোবর জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীপতনে শেষ ডিএসইর লেনদেন
down of head

১০ হাজার মানুষের গলার কাঁটা সাঁকোটি!

পটুয়াখালীর দুমকিতে কচ্ছপিয়ার শাখা বাদুয়া-শ্রীরামপুর খালের ওপর নির্মিত ঝুঁকিপূর্ণ গ্রামীণ সাঁকোটি এখন দুই গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষত বৃদ্ধ পথচারী ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ৫নং শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের মতি খানের বাড়ি থেকে ফকির বাড়ি সংযোগ সড়কে কচ্ছপিয়ার শাখা বাদুয়া-শ্রীরামপুর খালের ওপর নির্মিত গ্রামীণ সাঁকোটি এখন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এমন ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো নিত্যপারাপারে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন দুই পাড়ের মানুষ ও সাধারণ পথচারীরা।

খোঞ্জন হাওলাদারপাড়া, ফকির বাড়ি এলাকা থেকে এই সাঁকো পার হয়ে প্রায় শতাধিক কোমলমতি শিশু ও অন্য শিক্ষার্থীরা পশ্চিম শ্রীরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, থানা ব্রিজ নুরানি মাদ্রাসা এবং দুমকি মডেল স্কুলে নিয়মিত আসা-যাওয়া করে। উঁচু নিচু বাঁকা-ত্যাড়া গাছের এমন ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকোটিতে দায়সারা একটি মাত্র ধরনি রয়েছে, যা বেশিরভাগ শিশু নাগাল পায় না। ফলে ওই সাঁকো পারাপারকালে প্রতিনিয়ত খালে পড়ে যাওয়াসহ ঘটছে নানান দুর্ঘটনা। এ সাঁকোর পথে প্রিয় সন্তানকে স্কুলে পাঠিয়ে সবসময় অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনার আতঙ্কে থাকতে হয় বাসিন্দাদের।

পশ্চিমপাড়ার বাসিন্দা কেরামত আলী মৃধা, সেকান্দার আলী হাওলাদার, পূর্বপাড়ের মো. শামীম খানসহ গ্রামবাসী জানান, সর্বত্র গ্রামীণ রাস্তাঘাট, পুল-কালভার্ট হলেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ সংযোগ সড়ক ও সাঁকোটির কাঙ্ক্ষিত কোনো উন্নয়ন হচ্ছে না। সরকারি উদ্যোগ না থাকায় স্থানীয়রা দ্রুত যোগাযোগের স্বার্থে নিজেদের গ্রাম থেকে কাঠ-বাঁশ সংগ্রহ করে সাঁকোটি নির্মাণ করে দুই গ্রামের সংযোগ স্থাপন করেছেন; যা মেরামতহীনতায় এখন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। শিগগিরই এটি পুনঃসংস্কার এবং ভবিষ্যতে সাঁকোস্থলে একটি পুল বা কালভার্টের ব্যবস্থা করা জরুরি।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মাওলানা মো. আবুল কালাম খান জনভোগান্তির সত্যতা অকপটে স্বীকার করে বলেন, স্কিম দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দ পেলে অবশ্যই রাস্তা ও সাঁকো মেরামত করে দেওয়া হবে।

৫নং শ্রীরামপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, পরিষদের উন্নয়ন সভায় সংযোগ সড়ক মেরামত ও সাঁকোস্থলে একটি কালভার্ট নির্মাণের প্রকল্প প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলে কাজ শুরু করতে পারব।

সম্পর্কিত খবর