হিলিতে আবারো চিপস পাথর আমদানি বন্ধ

ভারতের অভ্যন্তরে ওভারলোডিং বন্ধসহ নানা জটিলতায় আবারো তিনদিন ধরে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে চিপস পাথরের আমদানি বন্ধ রয়েছে। এতে করে ১৪ দিন বন্ধের পর পুনরায় আমদানি শুরুর ফলে পাথরের দাম কিছুটা কমতে শুরু করেছিল, তা আবারো বাড়তে শুরু করেছে।

হিলি স্থলবন্দরে পাথর কিনতে আসা লুত্ফর রহমান বলেন, গত মাস থেকে হিলি স্থলবন্দরে পাথর নিয়ে জটিলতা তৈরি হওয়ায় আমরা খুব সমস্যার মধ্যে পড়ে গেছি। এ পাথর আমদানি বন্ধ হচ্ছে আবার ঢুকছে। যার কারণে যে চিপস পাথর পৌনে ৪ হাজার টাকা টন ছিল, তা বাড়তে বাড়তে ৫ হাজার ২০০ টাকায় দাঁড়িয়েছিল। মাঝখানে পাথর ঢোকা শুরু হওয়ায় দাম কিছুটা কমতে শুরু করলেও গত তিনদিন পাথর আমদানি বন্ধ থাকায় আবারো এর দাম বাড়তির দিকে।

হিলি স্থলবন্দরের পাথর আমদানিকারক রনি খান বলেন, হিলি স্থলবন্দর দিয়ে যত পাথর আমদানি হয়, তা ট্রাকগুলোতে ওভারলোডিং পদ্ধতিতে আমদানি হয়। কিন্তু সম্প্রতি গত মাসে ভারত সরকার ওভারলোডিং বন্ধ করে দেয়, সেই সঙ্গে ভারতের অভ্যন্তরে আরো কিছু জটিলতা সৃষ্টি হলে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে পাথর রফতানি বন্ধ করে দেন ভারতীয় ব্যবসায়ীরা। সম্প্রতি আন্ডারলোডিং পদ্ধতিতে ট্রাকে নির্দিষ্ট পরিমাণ চিপস পাথর রফতানি শুরু করলে ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পুনরায় চিপস পাথর আমদানি শুরু হয়। কিন্তু ভারতে ওভারলোডিং নিয়ে স্থানীয় রফতানিকারক ও ট্রাক সিন্ডিকেটের সঙ্গে বালুরঘাটের রফতানিকারক ও ট্রাক সিন্ডিকেটের মাঝে জটিলতা তৈরি হওয়ায় ৬ মার্চ থেকে পুনরায় তারা চিপস পাথর রফতানি বন্ধ করে দিয়েছেন।

হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, বন্দর দিয়ে বোল্ডার পাথরের আমদানি অব্যাহত থাকলেও ভারতের অভ্যন্তরে সমস্যার কারণে ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে টানা ১৪ দিন চিপস পাথর আমদানি বন্ধের পর গত ২৭ ফেব্রুয়ারি পুনরায় বন্দর দিয়ে চিপস পাথর আমদানি শুরু হয়েছিল। কিন্তু আবারো ভারতে সমস্যার কারণে ৬ মার্চ থেকে পুনরায় চিপস পাথর আমদানি বন্ধ হয়ে যায়। এতে করে সরকার যেমন রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, তেমনি বন্দর কর্তৃপক্ষ তার দৈনন্দিন আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

সম্পর্কিত খবর