শিরোনাম
icon গাজীপুর-মিরপুরে শ্রমিক বিক্ষোভ, যানজটে দুর্ভোগ icon ঢাকায় ৬ রুটে পরীক্ষামূলক বাস চালু icon পর্যটকদের জন্য খুললো সেন্টমার্টিন icon ফেডারেল ইন্স্যুরেন্সের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ icon হাইডেলবার্গ ম্যাটেরিয়ালসের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ icon এবি ব্যাংকের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ icon সাউথইস্ট ব্যাংকের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ icon সিএফও নিয়োগ নিয়ে আইডিআরএর সার্কুলার বাতিলের দাবি icon ৬০ দিনের মধ্যে মিলবে স্টার্টআপ কোম্পানির নিবন্ধন icon হামে আরও এক শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১,০৮৪ icon ডেঙ্গুতে হাসপাতালে আরও ১,৬৩৩ জন icon ৪৫ কোটি ডলারের ঋণ পাচ্ছে বাংলাদেশ icon যমুনা ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান মাহমুদুল হক icon ডিএসইতে ব্যাংক খাতের দাপট, দর বেড়েছে ১৫ কোম্পানির icon ইউরোপে নতুন শুল্ক, চাপে চীনা ই-কমার্স icon মজুরি বোর্ড গঠনের ঘোষণা, আন্দোলন নয় icon বাজার মূলধন কমেছে ৭ হাজার কোটি টাকা icon ঢাকায় বাস রুটে বড় পরিবর্তন icon মালয়েশিয়াগামীদের মেডিকেল ফি ৮ হাজার icon ২০৩০ পর্যন্ত কর অব্যাহতি চায় ডিবিএ icon কোন বোর্ডে পাসের হার কত? icon সোনার দামে বড় পতন icon এইচএসসিতে পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ icon কৃষিঋণ মওকুফে চাঙা গ্রামীণ অর্থনীতি icon এইচএসসির ফল প্রকাশ আজ, জানবেন যেভাবে
down of head

হঠাৎ চড়া সবজির বাজার

নিত্যপণ্যের বাড়তি দামের চাপের মধ্যেই হঠাৎ চড়া হয়ে উঠেছে সবজির বাজার। সপ্তাহের ব্যবধানে কোনো কোনো সবজির কেজিতে বেড়েছে ২০ থেকে ৪০ টাকা। শিমের কেজি ২২০ থেকে ২৩০, গোল বেগুন ১৬০ ও কাঁচামরিচ ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের দাবি, বর্ষা শেষ হওয়ার পরপরই সবজির বাজারে এমন ঊর্ধ্বগতি দেখা যায়। উৎপাদন ও সরবরাহের ওপর প্রভাব পড়ায় এ সময় দাম বাড়া স্বাভাবিক।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বাজারে সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে শিম। প্রতি কেজি শিম বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৩০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ২০০ টাকা। কাঁচামরিচের কেজিতেও বেড়েছে ৪০ টাকা। এ সপ্তাহে পণ্যটির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকায়।

দাম বেড়েছে গোল বেগুনেরও। সাদা গোল বেগুন বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা কেজি দরে। তবে লম্বা বেগুনের কেজি ১০০ টাকা। গত সপ্তাহে ১০০ থেকে ১৪০ টাকায় মিলত বেগুন।

এ ছাড়া, প্রতি কেজি টমেটো ১২০, ধুন্দল ৮০, ফুলকপি ৮০ থেকে ৯০, দেশি বা হাইব্রিড শসা ৭০ থেকে ৮০, গাজর ১৪০, করলা ১০০, কাঁকরোল ৮০, পটল ৬০, ঢেঁড়স ৬০, কচুর মুখি ৭০ থেকে ৮০ ও চিচিঙ্গা ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে লাউ বিক্রি হচ্ছে আকারভেদে ৬০ থেকে ৮০ টাকায়। লেবুর হালি ৬০ টাকা। তুলনামূলক কম দামে বিক্রি হচ্ছে পেঁপে। প্রতি কেজি পেঁপে মিলছে ৩০ টাকায়।

রামপুরা কাঁচাবাজারের ব্যবসায়ী শাহ আলম জানান, বর্ষার মৌসুম শেষ হলেও এখনও মাঝেমধ্যে বৃষ্টি হচ্ছে। এ কারণে খেত থেকে সবজি সংগ্রহ ও বাজারে পরিবহনে নানা সমস্যা দেখা দেয়। ফলে সরবরাহে ঘাটতি থাকলে খুচরা বাজারেও দাম বাড়তে থাকে।

বারিধারা ডিওএইচএস সংলগ্ন কাঁচাবাজারের সবজি বিক্রেতা মো. ফিরোজ বলেন, এ সময় সবজির বাজারে দাম বাড়া নতুন কিছু নয়। বর্ষার প্রভাব কাটতে শুরু করলে এবং শীতকালীন সবজি বাজারে পর্যাপ্ত পরিমাণে এলে দাম কমতে পারে।

এদিকে বাড়তি দামের কারণে বিপাকে পড়েছেন ক্রেতারা। তারা জানান, বাজারে প্রায় সব ধরনের সবজির দামই চড়া। বিশেষ করে বেগুন ও শিমের মতো কিছু পণ্য সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।

জোয়ার সাহারা বাজারে সবজি কিনতে আসেন রায়হান হোসেন। তিনি সাদা গোল বেগুন, লতি, কুমড়া, করলা, লেবুসহ বিভিন্ন ধরনের সবজি কেনেন। সব মিলিয়ে প্রায় হাজার টাকার পণ্য কিনতে হয়েছে তাকে।

রায়হান জানান, চাকরিজীবী হওয়ায় তিনি একসঙ্গে কয়েকদিনের সবজি-মাছ কেনেন। কিন্তু গত সপ্তাহের তুলনায় আজকের বাজারে সবকিছুর দামই বাড়তি মনে হয়েছে তার। কারণ, কিছু কিছু পণ্যে তাকে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেশি গুনতে হয়েছে। তবে দাম বাড়লেও খাওয়া বাদ দেওয়া যাবে না বলে আক্ষেপ প্রকাশ করেন তিনি।

বিক্রেতারা জানান, পাইকারি বাজারে দাম কমলে খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়বে। তবে আপাতত বর্ষা-পরবর্তী সরবরাহ পরিস্থিতির কারণে সবজির বাজারে এ বাড়তি দাম অব্যাহত থাকতে পারে।

সম্পর্কিত খবর