শিরোনাম
icon গোলাপি আভায় জয়া আহসান icon জাপানে পোশাক রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধির ইঙ্গিত icon রোমানিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে তারেক রহমানের অভিনন্দন icon বিমানের রিয়াদ-দাম্মাম ফ্লাইট ৪ নভেম্বর পর্যন্ত বন্ধ icon ডেঙ্গুতে আরও ৭ মৃত্যু, আক্রান্ত ২,২৪৯ icon ১ নভেম্বর খুলছে সেন্টমার্টিন icon গোলাপি জার্সিতে পাকিস্তান icon কম দামে এলএনজি কিনবে সরকার icon সূচকের পতন, লেনদেন ৪৩০ কোটি টাকা icon গ্যাস সংকটে আবারও বন্ধ যমুনা সার কারখানা icon ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকোর বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon আফতাব অটোর বোর্ড সভা ২৯ অক্টোবর icon ওয়াটা কেমিক্যালের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon মেঘনা সিমেন্টের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon রহিমা ফুডের বোর্ড সভা ২৭ অক্টোবর icon অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon সাইবার হামলায় জনতা ব্যাংকের ওয়েবসাইট icon বসুন্ধরা পেপারের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমসের বোর্ড সভা ২৭ অক্টোবর icon সামিট পাওয়ারের বোর্ড সভা ২৭ অক্টোবর icon সাইনপুকুর সিরামিকসের বোর্ড সভা ২৯ অক্টোবর icon ইউনিক হোটেলের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon ইন্দো-বাংলা ফার্মার বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon বেক্সিমকো ফার্মার বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর
down of head

সয়ামিল মজুদের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে ভারত

সয়ামিল মজুদের সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে ভারত। স্থানীয় বাজারে পণ্যটির ঊর্ধ্বমুখী মূল্য নিয়ন্ত্রণে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত এটি কার্যকর থাকবে। মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিস এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কোনো উৎপাদন প্রতিষ্ঠান, মিলার কিংবা প্রক্রিয়াকরণ প্রতিষ্ঠান প্রত্যেকের দৈনিক উৎপাদন ব্যয় সক্ষমতার ভিত্তিতে সর্বোচ্চ ৯০ দিন পর্যন্ত সয়ামিল মজুদ করতে পারবে।

এদিকে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে, শুধু সরকার নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানগুলো সয়ামিল মজুদ করতে পারবে। এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানগুলো শর্ত মেনে নির্ধারিত মজুদাগারে সর্বোচ্চ ১৬০ টন পর্যন্ত সয়ামিল মজুদ করতে পারবে।

বাজার বিশ্লেষকরা জানান, সয়াবিন উৎপাদনে অন্যতম শীর্ষ দেশ ব্রাজিল। চলতি বছর খরার কবলে পড়ে দেশটির সয়াবিন উৎপাদনে বিপর্যয় নামে। এর প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক বাজারে। এ সুযোগে ভারতের কিছু ব্যবসায়ী দাম বাড়ার আশায় সয়ামিলের অবৈধ মজুদ শুরু করেন। ফলে বাজারে কৃত্রিম সংকট দেখা দেয়। অবৈধ মজুদ ঠেকানোর মাধ্যমে স্থানীয় বাজারে পণ্যটির সরবরাহ সচল রাখতেই মজুদসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সম্পর্কিত খবর