শিরোনাম
২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা, চড়া ইলিশের দামবৈদেশিক ঋণের টাকা এফসি হিসাবে রাখার সুযোগসেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮ দশমিক ৩৪ শতাংশডেঙ্গুতে ৮ মৃত্যু, ভর্তি ১,৮৬০দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের ছুটি, প্রজ্ঞাপন জারিইন্দোনেশিয়ায় রপ্তানি বাড়াতে চায় বাংলাদেশবিডি ল্যাম্পসের বোর্ড সভা ১৪ অক্টোবরসূচকের উত্থানে চলছে লেনদেনওয়াইম্যাক্স ইলেকট্রোডের বোর্ড সভা ১৫ অক্টোবরকোটি টাকা ইস্যুতে আসলামের নিয়োগ বাতিল!বীমা দাবির চেক দিয়েছে এনআরবি লাইফডিজিটাল প্রতারণা শনাক্তে এআই ব্যবহারের ওপর জোর ডিএসই চেয়ারম্যানেরডেঙ্গুতে আরও ১০ মৃত্যু, ভর্তি ১,৯৯৬২৬ অক্টোবর জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীপতনে শেষ ডিএসইর লেনদেন
down of head

সুনামগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত

সুনামগঞ্জের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। গতকাল রাত থেকে মূল সড়কের পানি কিছুটা নামলেও পৌরশহরের সবখানে হাঁটু থেকে কোমর সমান পানি রয়েছে। মানুষ গত পাঁচদিন ধরে পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবন পার করছেন।

শহরের প্রায় সব ৯৫ ভাগ বাড়িঘরের টিভি-ফ্রিজসহ আসবাবপত্র ঘরের ভেতর পানিতে ডুবে আছে। বহুতল ভবনের মানুষ নিচ তলা ছেড়ে ওপর তলায় আশ্রয় নিয়েছেন। আশপাশের অনেকে সেই সব বাসায় আশ্রয় নিয়েছেন। একটি রুমে ৩০ থেকে ৪০ জনও থেকে একসঙ্গে থাকছেন তাঁরা।

দীর্ঘ পাঁচদিন পানিবন্দি মানুষের খাবার সংকট দেখা দিয়েছে। বিশুদ্ধ পানির সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। জেলার প্রায় ৩০ লাখ মানুষের এখন একই অবস্থা। বাড়ি কিংবা আশ্রয়কেন্দ্রের বাইরে যাওয়ার অবস্থা নেই। শহরেই চলছে নৌকা। খুব প্রয়োজনে নৌকায় চলাচল করছেন মানুষ।

এই জেলার সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা দোয়ারাবাজার, ছাতক, বিশ্বম্ভপুর, তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, ধর্মপাশা। এসব জায়গায় মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে।

এদিকে সুনামগঞ্জ-সিলেট মহাসড়ক থেকে পানি কিছুটা নেমে যাওয়া বড় যাত্রীবাহী বাস ও ট্রাক চলাচল শুরু করেছে।

সম্পর্কিত খবর