শিরোনাম
২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা, চড়া ইলিশের দামবৈদেশিক ঋণের টাকা এফসি হিসাবে রাখার সুযোগসেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮ দশমিক ৩৪ শতাংশডেঙ্গুতে ৮ মৃত্যু, ভর্তি ১,৮৬০দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের ছুটি, প্রজ্ঞাপন জারিইন্দোনেশিয়ায় রপ্তানি বাড়াতে চায় বাংলাদেশবিডি ল্যাম্পসের বোর্ড সভা ১৪ অক্টোবরসূচকের উত্থানে চলছে লেনদেনওয়াইম্যাক্স ইলেকট্রোডের বোর্ড সভা ১৫ অক্টোবরকোটি টাকা ইস্যুতে আসলামের নিয়োগ বাতিল!বীমা দাবির চেক দিয়েছে এনআরবি লাইফডিজিটাল প্রতারণা শনাক্তে এআই ব্যবহারের ওপর জোর ডিএসই চেয়ারম্যানেরডেঙ্গুতে আরও ১০ মৃত্যু, ভর্তি ১,৯৯৬২৬ অক্টোবর জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীপতনে শেষ ডিএসইর লেনদেন
down of head

সাড়ে ১৭ শতাংশ লভ্যাংশ দেবে মার্কেন্টাইল ব্যাংক

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেড সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৭ দশমিক ৫০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ১২ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। গতকাল অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্যাংকটির পর্ষদ।

নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২১ হিসাব বছরে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ৪৬ পয়সা, যা এর আগের বছরে ছিল ২ টাকা ১৬ পয়সা। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৩ টাকা ৯১ পয়সায়।

ঘোষিত লভ্যাংশ ও অন্যান্য এজেন্ডায় বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন নিতে এ বছরের ২৮ এপ্রিল বেলা ১১টায় ডিজিটাল প্লাটফর্মে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করা হয়েছে। এজন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ৬ এপ্রিল।

এর আগে ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২০ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের মোট ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে মার্কেন্টাইল ব্যাংক। এর মধ্যে ১০ শতাংশ নগদ ও বাকি ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। ২০১৯ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের মোট ১৬ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছিল মার্কেন্টাইল ব্যাংক। এর মধ্যে ১১ শতাংশ নগদ ও বাকি ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। ২০১৮ হিসাব বছরে ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছিল তারা। ২০১৭ হিসাব বছরে ১৭ শতাংশ নগদের পাশাপাশি ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ পেয়েছিলেন ব্যাংকটির শেয়ারহোল্ডাররা।

২০০৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া ব্যাংকটির অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা। পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ৩৩ কোটি ২২ লাখ টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১ হাজার ১৮১ কোটি ৯২ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১০৩ কোটি ৩২ লাখ ১৭ হাজার ২৮। এর মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৩৬ দশমিক ৯৮ শতাংশ শেয়ার। এছাড়া প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ২২ দশমিক ৯২ শতাংশ, বিদেশী ৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ এবং বাকি ৩৬ দশমিক ৫৭ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।

সম্পর্কিত খবর