শিরোনাম
ডেঙ্গুতে আরও ১০ মৃত্যু, ভর্তি ১,৯৯৬২৬ অক্টোবর জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীপতনে শেষ ডিএসইর লেনদেনপ্রবৃদ্ধি ৩.৪ শতাংশে নামার পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংকেরএশিয়ার বড় বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ছেনির্ধারিত দামে এলপিজি না মিললে ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাশিশুদের প্রতিভা বিকাশে সুযোগ দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রীমৌসুমি বায়ুর বিদায়, সাগরে লঘুচাপের আভাসডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৪৭ওয়াহাজের সঙ্গে ফারিয়ার নজরকাড়া সাজশাহজালালে ৬৩১ কার্টন সিগারেট জব্দরপ্তানি স্বাভাবিক, কমল তেলের দামস্টক এক্সচেঞ্জে সরাসরি কোম্পানি তালিকাভুক্তির বিধিনিষেধ প্রত্যাহারডেঙ্গুতে আরও ৯ মৃত্যু, ভর্তি ১,৯০২তুরস্কে বাংলাদেশের রপ্তানি দ্বিগুণ
down of head

মাদ্রাসা থেকে ডেকে নিয়ে গেল সৎবাবা, লাউ ক্ষেতে মিলল লাশ

বগুড়ার শাজাহানপুরে হাফেজিয়া মাদ্রাসা থেকে সৎবাবা ডেকে নিয়ে যাওয়ার পর সামিউল ইসলাম (১০) নামে এক শিশু শিক্ষার্থীর লাশ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার সকালে শাজাহানপুর থানা পুলিশ উপজেলার খরনা ইউনিয়নের মানিকদীপা উত্তরপাড়া গ্রামে লাউক্ষেতে বাঁশের খুঁটির সঙ্গে রশি দিয়ে ফাঁস দেওয়া লাশ উদ্ধার করেছে।

শাজাহানপুর থানার এসআই মিজান এ তথ্য দিয়েছেন। বিকালে এ খবর পাঠানোর সময় পুলিশ সৎবাবা ফজলুল হককে জিজ্ঞাসাবাদ করছিল।

এলাকাবাসীদের ধারণা, পারিবারিক কলহে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

পুলিশ, শিশুর স্বজন ও এলাকাবাসী জানান, নিহত শিশু সামিউল ইসলাম বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার মাঝিড়া ইউনিয়নের সাজাপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে। জাহাঙ্গীরের সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর সামিউলের মা সালেহা খাতুন কিছুদিন আগে একই এলাকার ফজলুল হককে বিয়ে করেন। সামিউল সাজাপুর তালিমুল কুরআন হাফেজিয়া মাদ্রাসায় হেফজ বিভাগের আবাসিক শিক্ষার্থী ছিল।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১০টার দিকে পার্শ্ববর্তী খড়না ইউনিয়নের মানিকদীপা গ্রামে লাউয়ের জমিতে বাঁশের খুঁটির সঙ্গে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় তার লাশ পাওয়া যায়। খবর পেয়ে শাজাহানপুর থানা পুলিশ শিশুটির লাশ উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা আবু মুসা জানান, সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সৎবাবা ফজলুল হক শিশু সামিউলকে মাদ্রাসা থেকে ডেকে নিয়ে যান।

শাজাহানপুর থানার ওসি আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, শিগগিরই এ হত্যারহস্য উন্মোচিত হবে।

এর আগে গত ১৪ মে শাজাহানপুর উপজেলার গণ্ডগ্রাম হিন্দুপাড়ার বাঁশঝাড়ে প্রায় একই কায়দায় অজ্ঞাতপরিচয় এক তরুণীকে (২৫) হত্যা করা হয়। পুলিশ সেখান থেকে বাঁশের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচানো তার অর্ধ ঝুলন্ত (হাঁটু মাটিতে) লাশ উদ্ধার করে। গত ৪ দিনে পুলিশ তার পরিচয় বের করতে পারেনি। পিবিআইয়ের বিশেষজ্ঞ দল ফিঙ্গার প্রিন্ট সংগ্রহ করেও তাকে শনাক্ত করতে পারেনি। ১৬ মে লাশ দাফনের জন্য আঞ্জুমান-ই-মফিদুল ইসলামকে দেওয়া হয়েছে।

সম্পর্কিত খবর