শিরোনাম
ফারইস্ট ইসলামী লাইফের জমি দখলের অভিযোগদেলোয়ারের বিরুদ্ধে কঠোর হচ্ছে আইডিআরএব্যাংকিং অ্যাপ ব্যবহারকারী বেড়েছে ১ কোটি ৩৮ লাখদেড় ঘণ্টায় ৩ ভূমিকম্প, কাঁপল দেশমেসির বিদায়ী ম্যাচের আগে আর্জেন্টিনার ৭ গোলবিশ্ব অর্থনীতির ভারসাম্য এশিয়ার দিকে: সিপিডি চেয়ারম্যান৩-৪ গুণ দামে জ্বালানি কিনতে বাধ্য হচ্ছি: তথ্যমন্ত্রীহামে আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১১৫৩ডিএসইতে পিই রেশিও কমেছে দশমিক ৭৯ শতাংশশাহজালালে আড়াই কোটির স্বর্ণ-সিগারেট আটকমাল্টার অস্বাভাবিক দামে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ বাণিজ্যমন্ত্রীরবিডিনিউজের প্রধান সম্পাদক আর নেইময়মনসিংহে সিএনজিকে বাসের ধাক্কা, শিশুসহ নিহত ৭দেশে ভূমিকম্প অনুভূতপ্রি-শিপমেন্ট ঋণ তহবিল ৭ হাজার কোটি টাকা
down of head

প্লাস্টিক ও অবকাঠামো খাতে কানাডার বিনিয়োগ চায় বাংলাদেশ

বাংলাদেশে কানাডার উদ্যোক্তাদের জন্য প্লাস্টিক শিল্প ও অবকাঠামো খাত একটি ভালো বিনিয়োগের সুযোগ হতে পারে। তৈরি পোশাক, ওষুধ, প্রকৌশল, অটোমোবাইল শিল্পের ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ হিসেবে প্লাস্টিক পণ্যের বিশাল চাহিদা রয়েছে। তাছাড়া সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের মাধ্যমে অবকাঠামো খাতের উন্নয়নে কানাডিয়ানরা অংশ নিতে পারে। সোমবার রাতে অনুষ্ঠিত কানাডা-বাংলাদেশ জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ অন স্ট্রেংদেনিং কমার্শিয়াল রিলেশনসের ভার্চুয়াল সভায় এমন মন্তব্য করেন বাংলাদেশী ব্যবসায়ীরা।

বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে কো-চেয়ার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন ও কানাডার কো-চেয়ার ছিলেন নুজহাত তাম-জামান। বৈঠকটি সঞ্চালনা করেন কানাডিয়ান হাইকমিশনের সিনিয়র ট্রেড কমিশনার অ্যাঞ্জেলা ডার্ক। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন সাস্কাচেওয়ান ট্রেড অ্যান্ড এক্সপোর্ট পার্টনারশিপের সভাপতি ক্রিস ডেকার, গোলিং ডব্লিউএলজির এনার্জি সেক্টর গ্রুপের প্রধান টম টিমিনস, এফবিসিসিআইর মহাসচিব মোহাম্মদ মাহফুজুল হক, ওয়ার্কিং গ্রুপের সদস্য ও এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম ও সৈয়দ আলমাস কবির।

সভায় প্লাস্টিক শিল্পের বাজার ও বিনিয়োগ সম্ভাবনা নিয়ে প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ প্লাস্টিক পণ্য উৎপাদক ও রফতানিকারক সমিতির (বিপিজিএমইএ) সভাপতি শামীম আহমেদ। কানাডা-বাংলাদেশ বিনিয়োগ সম্ভাবনা নিয়ে প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন কানাডা-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ক্যানচ্যাম) বাংলাদেশের সভাপতি মাসুদ রহমান। বাংলাদেশে পর্যটনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন ভ্রমণ ম্যাগাজিনের সম্পাদক ও ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাডজাক্ট ফ্যাকাল্টি আবু সুফিয়ান।

বৈঠকে বাংলাদেশে কানাডার বিনিয়োগ ও বাণিজ্য বাড়াতে দুদেশের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য ও বিদেশী বিনিয়োগ সুরক্ষা চুক্তি নিয়ে সরকারি পর্যায়ে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. খলিল রহমান। দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের ক্ষেত্রে কানাডার ভিসা প্রক্রিয়ার জটিলতা একটি বড় বাধা উল্লেখ করে হাইকমিশনার জানান, ঢাকায় কানাডিয়ান হাইকমিশনে দেশটির ভিসা অফিস স্থাপনের বিষয়েও আলোচনা চলছে।

বৈঠকে বলা হয়, বাংলাদেশের ব্যাপারে বিজনেস কাউন্সিল অব কানাডার (বিসিসি) আগ্রহ রয়েছে। সংগঠনটি কানাডায় অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাছে বাংলাদেশের খাতভিত্তিক তথ্য জানতে চেয়েছে।

এফবিসিসিআই সভাপতি জানান, কানাডিয়ান উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের জন্য প্লাস্টিক শিল্প অন্যতম একটি সম্ভাবনাময় খাত। অভ্যন্তরীণ বিশাল বাজারের পাশাপাশি বিশ্ববাজারেও রফতানি সম্ভাবনা প্রবল।

বিপিজিএমইএর সভাপতি শামীম আহমেদ জানান, প্লাস্টিক পণ্য খাতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ রফতানি হচ্ছে ১০০ কোটি ডলারের পণ্য।

বছরে গড়ে ৪ শতাংশ হারে এ খাতের প্রবৃদ্ধি হচ্ছে। বিদেশী বিনিয়োগকারীদের জন্য সরকারের দেয়া নানা নীতিসহায়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

ক্যানচ্যাম বাংলাদেশের সভাপতি মাসুদ রহমান জানান, কানাডিয়ান উদ্যোক্তাদের জন্য অন্যতম বড় বিনিয়োগ ক্ষেত্র হতে পারে বাংলাদেশের অবকাঠামো খাত। এজন্য দেশটির বিনিয়োগ ব্যাংক এক্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট কানাডা (ইডিসি) ‘বাংলাদেশ ফান্ড’ গঠনের মাধ্যমে এদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে কানাডার পেনশন ফান্ড থেকেও বাংলাদেশের অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ করা যেতে পারে।

এ সময় দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যকে ২০০ কোটি ডলারে নিতে নির্দিষ্ট কর্মপন্থা ঠিক করার ওপর জোর দেন ওয়ার্কিং গ্রুপের সদস্য মো. সাইফুল ইসলাম। বৈঠকে চার থেকে পাঁচটি খাতকে সুনির্দিষ্ট করে সেসব খাতে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন ওয়ার্কিং গ্রুপের আরেক সদস্য ও এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক সৈয়দ আলমাস কবির। যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের শিক্ষা বিষয়ে কাজ করার ব্যাপারে মত দেন কানাডার কো-চেয়ার নুজহাত তাম-জামান।

সম্পর্কিত খবর