শিরোনাম
icon ২০ কোটি টাকা বীমা দাবি পরিশোধ করবে আইডিআরএ icon কম‌লো সোনার দাম icon একদিনেই ট্রিলিয়ন ডলার উধাও মার্কিন বাজারে icon হাম উপসর্গে আরও ৪ জনের মৃত্যু icon রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের নতুন চালান icon শীতের সবজিতে স্বস্তি, মাছ-মাংসে বাড়তি খরচ icon যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি কমল ৪.৫ শতাংশ icon ৭ নভেম্বর পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা icon ৯ নভেম্বর বসছে মজুরি বোর্ডের দ্বিতীয় সভ icon হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১৩৯৬ icon প্রিমিয়াম জালিয়াতি, কার্গো বীমায় নিষিদ্ধ বিজিআইসি icon সাবেক মন্ত্রীসহ শতাধিক ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশনা icon লেনদেনের শীর্ষে শাহজিবাজার পাওয়ার icon দর বৃদ্ধির শীর্ষে জাহিন স্পিনিং icon দরপতনের শীর্ষে ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টস ব্লেন্ডার্স icon চুলের সাজে তরুণীর রূপে পূর্ণিমা icon ডেঙ্গুতে আরও ৭ মৃত্যু, আক্রান্ত ১,৫৯৬ icon যেসব এলাকায় জমায়েত নিষিদ্ধ ঘোষণা ডিএমপির icon শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস নয়: হুমায়ুন কবির icon ৩ মাসের জন্য বন্ধ গ্রীণ ডেল্টা ইন্স্যুরেন্সের ব্যবসা icon দুলামিয়া কটনের পর্ষদ সভা ১১ নভেম্বর icon ইন্ট্রাকোর পর্ষদ সভার নতুন তারিখ ১০ নভেম্বর icon সূচকের উত্থানে লেনদেন ৬৪৫ কোটি টাকা icon ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ icon আশুলিয়ায় ৩৫ কারখানায় ছুটি ঘোষণা
down of head

পানির দাম ন্যূনতম ২০ শতাংশ বাড়াতে চায় ওয়াসা

ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তাকসিম এ খান বলেছেন, ‘পানির দাম ন্যূনতম ২০ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে ঢাকা ওয়াসা। যদি সরকার এরচেয়েও বেশি বাড়তে চায় সেক্ষেত্রে ওয়াসার কোনো আপত্তি নেই। বর্তমানে আবাসিক ক্ষেত্রে প্রতি এক হাজার লিটার পানি সাধারণ মানুষকে ১৫ টাকা ১৮ পয়সায় কিনতে হচ্ছে। তবে এটার উৎপাদন খরচ প্রায় ২৫ টাকা। বর্তমানে ভর্তুকি দিয়ে পানি বিক্রি করছি।’

বুধবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ওয়াসা ভবনের বুড়িগঙ্গা হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। পানির দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব বিষয়ে সার্বিক তথ্য জানাতে তাকসিম এ খান সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন।

ঢাকা ওয়াসার এমডি বলেন, ‘আমাদের বোর্ড সভায় আমরা সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ পানির দাম বাড়াতে পারি। আমরা চাই স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে। তাই উৎপাদন খরচের সঙ্গে সমন্বয় করতে আমরা সর্বনিম্ন ২০ শতাংশ থেকে শুরু করে আরও বেশি শতাংশ পানির দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করেছি। এতে করে সরকারের ভর্তুকি কমে আসবে। সরকার কত শতাংশ পানির দাম বাড়বে, আর কত ভর্তুকি দেবে সেটা সরকারের বিষয়। সরকার যা নির্ধারণ করবে আমরা সেই অনুযায়ী মূল্য নির্ধারণ করব। তবে বর্তমানে মানুষকে ১৫ টাকা ১৮ পয়সায় যে পানি বিক্রি হচ্ছে তার উৎপাদন খরচ প্রায় ২৫ টাকা। মূলত ভর্তুকি কমাতেই পানির মূল্য বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে।’

এদিকে, গত সোমবার (৭ ফেব্রুয়ারি) ওয়াসার বোর্ড সভায় পানির দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে ঢাকা ওয়াসা। এর আগে গত দুই বছরে দুবার আবাসিক ও বাণিজ্যিক পর্যায়ে পানির দাম বাড়িয়েছিল ঢাকা ওয়াসা। এবারও আরেক দফায় পানির দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। কিন্তু বোর্ড সভায় ১৩ সদস্যদের বেশিরভাগই করোনাকালীন সময়ে পানির দাম বাড়ানোর প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন। ২০০৯ সালের পর থেকে এ পর্যন্ত মোট ১৪ বার ওয়াসার পানির দাম বাড়ানো হয়েছে।

বর্তমানে আবাসিক ক্ষেত্রে প্রতি এক হাজার লিটার দাম পড়ছে ১৫ টাকা ১৮ পয়সা। এটাকে বাড়িয়ে ২১ টাকা ২৫ পয়সা করার প্রস্তাব করা হয়েছে ওয়াসার বোর্ড সভায়। এছাড়া বাণিজ্যিক সংযোগের ক্ষেত্রে প্রতি এক হাজার লিটার পানির বর্তমান দাম ৪২ টাকা চলছে, এটার দাম বাড়িয়ে ৫৮ দশমিক ৮ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে সভায়।

ওয়াসার পানির দাম বাড়ানোর জন্য এটি কেবল প্রস্তাব করা হয়েছে সর্বশেষ বোর্ড সভায়। যদিও সেখানে বোর্ড সদস্যদের বেশিরভাগই এই মুহূর্তে পানির দাম না বাড়ানোর পক্ষে মত দিয়েছেন। পরবর্তীতে দাম বাড়ানোর এই প্রস্তাব স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। যদি সেখান থেকে এ বিষয়ে অনুমোদন হয় তাহলে পানির দাম বাড়বে। আর পানির নতুন দাম কার্যকর হবে আগামী ১ জুলাই থেকে।

সর্বশেষ গত বছর ঢাকা ওয়াসার পানির দাম বাড়ানোর পর আবাসিক গ্রাহকদের প্রতি এক হাজার লিটার পানির দাম দাঁড়িয়েছে ১৫ টাকা ১৮ পয়সা। এর আগে এক হাজার লিটার পানির দাম পড়ত ১৪ টাকা ৪৬ পয়সা। অন্যদিকে বাণিজ্যিক সংযোগের ক্ষেত্রে প্রতি এক হাজার লিটার পানির দাম পড়ছে ৪২ টাকা। এর আগে সেটা দিতে হতো ৪০ টাকা।

সম্পর্কিত খবর