down of head

তৃতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি লোকসান কমেছে আমান কটনের

চলতি হিসাববছরের তৃতীয় প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ, ২০২৪) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানি আমান কটন ফাইব্রাস লিমিটেড। আর এই প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান আগের বছরের তুলনায় কমেছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রকাশিত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের মাধ্যমে জানা গেছে, চলতি হিসাববছরের তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬ পয়সা (লোকসান), যা আগের বছর একই সময় ছিল ৬৯ পয়সা (লোকসান)। অর্থাৎ শেয়ারপ্রতি লোকসান কমেছে ৬৩ পয়সা। অন্যদিকে প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই, ২০২৩-মার্চ, ২০২৪) শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ পয়সা (লোকসান), আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ৪০ পয়সা (লোকসান)। অর্থাৎ প্রথম তিন প্রান্তিকের হিসাবে শেয়ারপ্রতি লোকসান ৩৯ পয়সা কমেছে। এছাড়া ২০২৪ সালের ৩১ মার্চে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩৩ টাকা ৯৯ পয়সা, যা ২০২৩ সালের ৩০ জুনে ছিল ৩৪ টাকা ৫০ পয়সা। প্রথম তিন প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছে ৩০ পয়সা, আগের বছর একই সময়ে ছিল ৬ টাকা ৩৮ পয়সা।

২০২৩ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের ব্যতীত সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৯৪ পয়সা (লোকসান) এবং ৩০ জুন ২০২৩ তারিখে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৩৪ টাকা ৫০ পয়সা। আর শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছে ৪ টাকা ৩০ পয়সা।

এর আগে ২০২২ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে আমান কটন। আলোচিত সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭৬ পয়সা, আর ২০২২ সালের ৩০ জুন শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩৫ টাকা ১৪ পয়সা। আর আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছিল তিন টাকা ৩০ পয়সা।

২০১৮ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটেগরিতে অবস্থান করছে বস্ত্র খাতের এই কোম্পানিটি। অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ১০০ কোটি ৮৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ১৮৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট ১০ কোটি ৮ লাখ ৩৩ হাজার ৩৩৩ শেয়ার রয়েছে। ডিএসই থেকে প্রাপ্ত সর্বশেষ তথ্যমতে, মোট শেয়ারের মধ্যে ৪৯ দশমিক ৫৮ শতাংশ উদ্যোক্তা বা পরিচালকদের কাছে, ৮ দশমিক ২০ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে, শূন্য দশমিক ১০ শতাংশ বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে এবং ৪২ দশমিক ১২ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে।

এদিকে গতকাল ডিএসইতে কোম্পানিটির শেয়ারদর ৩ দশমিক ৯১ শতাংশ বা ৭০ পয়সা বেড়ে প্রতিটি শেয়ার সর্বশেষ ১৮ টাকা ৬০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ১৮ টাকা ৭০ পয়সা। দিনজুড়ে ৪৮ হাজার ৭১টি শেয়ার মাত্র ৪২ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর ৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা। দিনভর কোম্পানিটির শেয়ার ১৭ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ১৮ টাকা ৯০ পয়সায় লেনদেন করে। তবে গত এক বছরের মধ্যে কোম্পানিটির শেয়ারদর সর্বনিম্ন ১৭ টাকা ৭০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ২৬ টাকা ৫০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে।

এন এস

সম্পর্কিত খবর