শিরোনাম
স্বদেশ লাইফ: কোটি টাকা ইস্যুতে আসলামের নিয়োগ বাতিল!বীমা দাবির চেক দিয়েছে এনআরবি লাইফডিজিটাল প্রতারণা শনাক্তে এআই ব্যবহারের ওপর জোর ডিএসই চেয়ারম্যানেরডেঙ্গুতে আরও ১০ মৃত্যু, ভর্তি ১,৯৯৬২৬ অক্টোবর জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীপতনে শেষ ডিএসইর লেনদেনপ্রবৃদ্ধি ৩.৪ শতাংশে নামার পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংকেরএশিয়ার বড় বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ছেনির্ধারিত দামে এলপিজি না মিললে ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাশিশুদের প্রতিভা বিকাশে সুযোগ দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রীমৌসুমি বায়ুর বিদায়, সাগরে লঘুচাপের আভাসডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৪৭ওয়াহাজের সঙ্গে ফারিয়ার নজরকাড়া সাজশাহজালালে ৬৩১ কার্টন সিগারেট জব্দরপ্তানি স্বাভাবিক, কমল তেলের দাম
down of head

জিডিটি নিলামে ৩.৬% কমেছে দুগ্ধপণ্যের দাম

গ্লোবাল ডেইরি ট্রেডের (জিডিটি) নিলামে টানা তৃতীয়বারের মতো কমেছে দুগ্ধপণ্যের দাম। শিল্পসংশ্লিষ্টদের অনেকে অব্যাহত দরপতনে কিছুটা অবাকই হয়েছেন। সব দুগ্ধপণ্যের গড় দাম ৩ দশমিক ৬ শতাংশ কমেছে।

জিডিটি নিলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পণ্য ননিযুক্ত গুঁড়ো দুধ (ডব্লিউএমপি)। খামারিরা এটি থেকেই সরাসরি মুনাফা অর্জন করেন। এছাড়া ফন্টেরার ফার্মগেট দুধের দামে বড় ধরনের প্রভাব রাখে ডব্লিউএমপি। সর্বশেষ জিডিটি নিলামে পণ্যটির দাম ৪ দশমিক ৪ শতাংশ কমেছে। প্রতি টনের গড় দাম দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ২০৭ ডলারে।

তথ্য বলছে, গ্লোবাল ডেইরি ট্রেডের নিলামে গত ১ মার্চ দুগ্ধপণ্যের দাম রেকর্ড সর্বোচ্চে পৌঁছে। এর আগের চার নিলামেও একের পর এক বেড়েছিল দুগ্ধপণ্যের দাম।

দুগ্ধপণ্যের বাজারসংশ্লিষ্টরা জানান, খামারিরা গ্লোবাল ডেইরি ট্রেডের নিলামে ওঠা দামের ওপর ভালোভাবে নজর রাখছেন। চলতি সপ্তাহে নিলামের ফলাফলে খুব বেশি অবাক হওয়ার মতো পরিবর্তন আসেনি।

তারা আরো বলেন, ইউরোপে দুধ উৎপাদনে মৌসুমের সবচেয়ে ভালো সময় এখন। স্বাভাবিকভাবেই এ ব্লকের দেশগুলো বাজারে অনেক বেশি পরিমাণ দুধ সরবরাহ করছে। ফলে দাম কমার বিষয়টি প্রতি বছরের জন্যই প্রত্যাশিত।

দাম কমার পেছনে আরো যেসব বিষয় ভূমিকা রেখেছে, সেগুলোর মধ্যে অন্যতম চীনে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রবাহ বৃদ্ধি। দেশটি দুগ্ধপণ্যের সবচেয়ে বড় ভোক্তা দেশ। সম্প্রতি মহামারীর সংক্রমণ ব্যাপক আকার ধারণ করায় দেশটির সরকার কঠোর লকডাউন ও বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। এ কারণে চীনের বাজারে লক্ষণীয় মাত্রায় কমেছে দুগ্ধপণ্যের চাহিদা।

ওয়েস্টপ্যাকের জ্যেষ্ঠ কৃষি অর্থনীতিবিদ নাথান পেনি বলেন, নিউজিল্যান্ডের প্রধান দুগ্ধপণ্যের বাজার চীন। কিন্তু গত সপ্তাহে দেখা গিয়েছে, দেশটির ৪০ কোটিরও বেশি মানুষ কোনো না কোনোভাবে লকডাউনের মধ্যে রয়েছেন। পরিস্থিতি যখন এমন, তখন স্বাভাবিকভাবেই ধরে নেয়া যায়, দুগ্ধপণ্যের চাহিদা ও দাম—দুইই কমবে।

এদিকে আগামী নিলামেও দাম কমার পূর্বাভাস মিলেছে। যদিও পেনি জানান, বাজার নিম্নমুখী থাকার বিষয়টি সাময়িক। মহামারীর প্রভাব কমলে আবারো বাজার ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠতে পারে।

জিডিটির তথ্য বলছে, সর্বশেষ নিলামে দুগ্ধপণ্যের গড় দাম উঠেছে টনপ্রতি ৪ হাজার ৮৫৫ ডলারে। এবার সর্বোচ্চ ২৪ হাজার ৮০৫ টন দুগ্ধপণ্য সরবরাহ করা হয়। এর মধ্যে বিক্রি হয়েছে ২২ হাজার ১৭৯ টন। নিলামে ১৫৫ জন ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। এতে বিজয়ী হয়েছে ১১৫ জন।

এবারের নিলামে ননিবিহীন গুঁড়ো দুধের দাম ৪ দশমিক ২ শতাংশ কমেছে। প্রতি টনের মূল্য ৪ হাজার ৪০৮ ডলারে নেমেছে। চেডার পনিরের দাম ৩ দশমিক ৯ শতাংশ কমেছে। প্রতি টনের মূল্য স্থির হয়েছে ৬ হাজার ১৮৫ ডলারে। মাখনের দাম ৩ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে। প্রতি টন ৬ হাজার ৬৪০ ডলারে বিক্রি হয়েছে।

অন্যদিকে ল্যাকটোজের দাম ২ দশমিক ৪ শতাংশ কমেছে। প্রতি টন বিক্রি হয়েছে ১ হাজার ৫৬৫ ডলারে। অন্যদিকে অ্যানহাইড্রাস মিল্ক ফ্যাট বিক্রি হয়েছে ৬ হাজার ৮০২ ডলারে, যা আগের নিলামের তুলনায় ১ দশমিক ৩ শতাংশ কম।

 

সম্পর্কিত খবর