শিরোনাম
ট্রাস্ট লাইফের শেয়ার কারসাজি, তিন বিনিয়োগকারীকে জরিমানাবিশ্বব্যাংক-আইএমএফ সভা শুরু, ঋণ নিয়ে আলোচনাভয়ংকর স্বদেশ লাইফ: সব টাকা লুটে খাচ্ছে সিন্ডিকেট!ডেঙ্গুতে এক দিনে ভর্তি ২১৯৩, মৃত্যু ৪প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানি বিনিয়োগকারীদের সাক্ষাৎদুই মাসে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগে বড় বৃদ্ধিএসএমই অর্থায়ন ও কর্মসংস্থানে অগ্রাধিকারআড়াইহাজারে ৩ কোটি টাকার সুতা জব্দহামে আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১,০৮৬ জনপ্রবাসীদের জন্য ব্যাংক হিসাবের নতুন নিয়ম, বাড়লো সুবিধাডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫২৩ডিএসইতে পিই রেশিও কমেছে দশমিক ৪৫ শতাংশপরিবহন ব্যয়ে বাড়ছে সবজির দামফের বাড়ল সোনার দামবিশ্ববাজারে বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম
down of head

জগন্নাথপুরে কুশিয়ারা নদীর তীরবর্তী এলাকা প্লাবিত

টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে কুশিয়ারা নদীর পানি আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। এতে নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় উপজেলার আশারকান্দি, পাইলগাঁও ও রানীগঞ্জ ইউনিয়নের মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে কুশিয়ারা নদীর পানি আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। এতে নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ায় উপজেলার আশারকান্দি, পাইলগাঁও ও রানীগঞ্জ ইউনিয়নের মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সুনামগঞ্জে চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ ২৬৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। জানা গেছে, গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কুশিয়ার নদীর পানি অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পাওয়ায় গত শুক্রবার উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের বালিশ্রী সড়কটি ভেঙে যায়। এতে জয়নগর, কুশারাই, কামরাখাই, বালিশ্রী, রৌয়াইল, টেংরাখালি, হিলালপুর, মেঘারকান্দি ও হরিনাকান্দিসহ প্রায় ১২ গ্রামের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

ইতোমধ্যেই পাইলগাঁও ইউনিয়নের পূর্ব জালালপুর গ্রামের বেড়িবাঁধের একটি অংশ ভেঙে লোকালয় ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পানি প্রবেশ করেছে। পানি ক্রমাগত প্রবেশ করতে থাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। এছাড়া খানপুর, জালালপুর ও পুরাতন আলাগদি বেড়িবাঁধগুলো ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। রানীগঞ্জ ইউনিয়নের রাণীনগরসহ বাঁধের বাইরের শতাধিক বসতবাড়ি প্লাবিত হয়েছে। কুশিয়ারা নদীর পানি উপচে রাণীগঞ্জ বাজারে ব্যবসায় ও যাতায়াতে জনভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে।

শনিবার পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, কুশিয়ারা নদীসহ বিভিন্ন নদী ও হাওরের পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের সর্বশেষ তথ্যমতে, জগন্নাথপুরের সংযোগস্থল মারকুলি পয়েন্টে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমার ১৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এদিকে শনিবার ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত ভারী বৃষ্টিপাত হয়। উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও অতিবৃষ্টির কারণে জগন্নাথপুর উপজেলার কুশিয়ারা, ইটাখোলা, নলজুর, মাগুরা, কামারখালসহ নদ-নদীর পানি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় নিম্নাঞ্চলের নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

জগন্নাথপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী শেখ ফরিদ জানান, উজান থেকে নেমে আসা পানিতে নদী ও হাওরের পানি প্রতিনিয়ত বাড়ছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: ইসলাম উদ্দিন জানান, সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবেলায় উপজেলা প্রশাসন সম্পূর্ণ প্রস্তুত। আগাম প্রস্তুতি হিসেবে প্রকল্প কর্মকর্তাসহ তিনজনকে দায়িত্ব দিয়ে একটি নতুন নিয়ন্ত্রণ কক্ষ (কন্ট্রোল রুম) খোলা হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী দ্রুত সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সম্পর্কিত খবর