শিরোনাম
সূচক বাড়ল, লেনদেন ৫৩৩ কোটি টাকাডলার পতনে বেড়েছে স্বর্ণের দামব্রাজিল ছয়ে, পর্তুগাল উঠল পাঁচে২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা, চড়া ইলিশের দামবৈদেশিক ঋণের টাকা এফসি হিসাবে রাখার সুযোগসেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮ দশমিক ৩৪ শতাংশডেঙ্গুতে ৮ মৃত্যু, ভর্তি ১,৮৬০দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের ছুটি, প্রজ্ঞাপন জারিইন্দোনেশিয়ায় রপ্তানি বাড়াতে চায় বাংলাদেশবিডি ল্যাম্পসের বোর্ড সভা ১৪ অক্টোবরসূচকের উত্থানে চলছে লেনদেনওয়াইম্যাক্স ইলেকট্রোডের বোর্ড সভা ১৫ অক্টোবরকোটি টাকা ইস্যুতে আসলামের নিয়োগ বাতিল!বীমা দাবির চেক দিয়েছে এনআরবি লাইফডিজিটাল প্রতারণা শনাক্তে এআই ব্যবহারের ওপর জোর ডিএসই চেয়ারম্যানের
down of head

সিটি ব্যাংকের জমি গেল ইউসিবির দখলে

নাসা গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণ আদায়ে আদালতের আদেশে রাজধানীর গুলশানে সিটি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত জমি জব্দ করেছে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি)।

গত ১৪ সেপ্টেম্বর অর্থঋণ আদালতের দেওয়া আদেশের পর ওই জমির প্রবেশপথে জব্দের নোটিশ টানিয়েছে ইউসিবি। নোটিশে বলা হয়েছে, আদালতের আদেশ অনুযায়ী সম্পত্তিটি ইউসিবির অনুকূলে জব্দ করা হয়েছে।

জব্দ করা সম্পত্তির মধ্যে রয়েছে গুলশান মডেল টাউনের এসই(ডি) ব্লক-৩-এর এক বিঘা জমি। জমির ওপর থাকা সব স্থাপনা ও অবকাঠামোও জব্দের আওতায় রয়েছে। বর্তমানে ওই সম্পত্তিতে সিটি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় রয়েছে।

ইউসিবির নোটিশ অনুযায়ী, নাসা গ্রুপের প্রতিষ্ঠান নাসা তাইপেই টেক্সটাইলস মিলস লিমিটেড ব্যাংকটি থেকে ঋণ নিয়েছিল। নির্ধারিত সময়ে ঋণ পরিশোধ না করায় ওই ঋণ খেলাপি হয়ে যায়। প্রতিষ্ঠানটির মালিক নজরুল ইসলাম মজুমদার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা জানান, নাসা তাইপেই টেক্সটাইলস মিলস ইউসিবি থেকে প্রায় ১৫০ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিল। পরে ঋণটি খেলাপি হয়।
ঋণের অর্থ আদায়ে ইউসিবি অর্থঋণ আদালতে মামলা করে। ব্যাংকের আবেদনের পর আদালত ওই সম্পত্তি জব্দের আদেশ দেন। একই সঙ্গে সম্পত্তির স্থানে আনুষ্ঠানিক নোটিশ প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়।

জব্দের নোটিশে বলা হয়েছে, আদালতের আদেশের কারণে সম্পত্তিটি এখন ইউসিবির আইনগত স্বার্থ ও দাবির আওতাধীন। আদালতের আদেশের বাইরে ওই সম্পত্তি বিক্রি, ক্রয়, হস্তান্তর, নিবন্ধন বা অন্য কোনো ধরনের লেনদেন করা যাবে না।

নোটিশে আরও বলা হয়েছে, সম্পত্তি নিয়ে কোনো লেনদেন করতে হলে ইউসিবির লিখিত সম্মতি নিতে হবে। আদালতের আদেশ লঙ্ঘন করে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এ ধরনের পদক্ষেপ নিলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং তা আদালত অবমাননা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

সম্পর্কিত খবর