শিরোনাম
স্টক এক্সচেঞ্জে সরাসরি কোম্পানি তালিকাভুক্তির বিধিনিষেধ প্রত্যাহারডেঙ্গুতে আরও ৯ মৃত্যু, ভর্তি ১,৯০২তুরস্কে বাংলাদেশের রপ্তানি দ্বিগুণমিউচুয়াল ফান্ডে এনএভি বিবেচনার আহ্বান বিএসইসিরবন্ডের ১৩.৩৫ লাখ কেজি কাঁচামাল উধাওসূচকের পতনে লেনদেন ৫৩৭ কোটি টাকারসিএন্ডএ টেক্সটাইলের কারখানা বন্ধ পেল ডিএসইনিরাপদ বাসস্থান নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রীডিএমপির অভিযানে গ্রেফতার ৪১৪সোনার দাম কমলনোবেল জয়ীদের নাম ঘোষণা শুরু আজরাত ১০টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখতে চান ব্যবসায়ীরা২৪ ঘণ্টায় ৬ জনের মৃত্যু, ভর্তি ২০৮৯ফের বাড়ল এলপিজির দাম৯২% পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেবে যুক্তরাজ্য
down of head

চা শ্রমিকদের মজুরি বাড়ছে, ধর্মঘট প্রত্যাহার

 

চা শ্রমিকদের নতুন মজুরি ১২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৪৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর সঙ্গে চলমান ধর্মঘট প্রত্যাহার করেছে চা শ্রমিক ইউনিয়ন।

শনিবার বিকেল ৪টায় মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে বিভাগীয় শ্রম দপ্তরের হল রুমে বৈঠক হয়। বৈঠকের পর বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নৃপেন পাল নতুন মজুরি ও চলমান ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য উপাধ্যক্ষ ড. আব্দুস শহীদ, শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খালেদ মামুন চৌধুরী, মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার মো. জাকারিয়া, চা শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মাখন লাল, সাংগঠনিক সম্পাদক বিজয় হাজরাসহ বিভিন্ন ভ্যালির সভাপতি-সাধারণসহ শ্রমিক নেতা ও সরকারি কর্মকর্তারা।

দৈনিক মজুরি ১২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০০ টাকা করার দাবিতে ১০ আগস্ট থেকে আন্দোলন শুরু করেন শ্রমিকরা। শুরুতে প্রথম কয়েকদিন কেবল ২ ঘণ্টা করে কর্মবিরতি পালন করা হয়। সে সময় মজুরি বৃদ্ধি ও মজুরি চুক্তি বাস্তবায়নের দাবিতে শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষ থেকে বাগান মালিকদের সাতদিনের আলটিমেটাম দেয়া হয়। কিন্তু মালিক পক্ষ এ সময়ের মধ্যে বৈঠক বা সমঝোতায় না আসায় ১৩ আগস্ট থেকে লাগাতার পূর্ণ দিবস কর্মবিরতি পালন শুরু করেন শ্রমিকরা। এর মধ্যে জাতীয় শোকদিবসের দিন কেবল বিক্ষোভ কর্মসূচি বন্ধ থাকে।

চা বাগানগুলোয় সৃষ্ট সংকট সমাধানে শ্রমিকদের সঙ্গে বৈঠক ডাকে শ্রম অধিদপ্তর। গত সোমবার দুপুরে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে শ্রম অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়ে আন্দোলনরত বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আলোচনায় বসেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খালেদ মামুন চৌধুরী। প্রায় আড়াই ঘণ্টার বৈঠকে মজুরি বাড়ানোর আশ্বাস দিয়ে ধর্মঘট স্থগিত করার আহ্বান জানানো হয়। কিন্তু শ্রমিক নেতারা মজুরি বাড়ানোর দাবি মেনে নেয়া ছাড়া ধর্মঘট চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

সবশেষ কয়েক দফা বৈঠকের পর আজ ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়ন।

সম্পর্কিত খবর